ঢাকা, শনিবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২
পরিবেশ উপদেষ্টা
'জাপানের অংশীদারিত্বে দেশের কার্বন বাজারে নতুন গতি এনেছে'
নিজস্ব প্রতিবেদক: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় জাপান ও বাংলাদেশের যৌথ অংশীদারিত্ব দেশের কার্বন বাজার গঠনে নতুন গতি সঞ্চার করেছে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, কার্বন বাণিজ্য কেবল নির্গমন কমানোর প্রক্রিয়া নয়, এটি একই সঙ্গে বিনিয়োগ আকর্ষণ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ জলবায়ু সহনশীলতা তৈরির একটি কার্যকর মাধ্যম।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর পরিবেশ অধিদপ্তরে বাংলাদেশ ও জাপানের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘যৌথ ঋণ স্বীকৃতি ব্যবস্থা (জেসিএম) ও অনুচ্ছেদ ৬ বাস্তবায়ন সহযোগিতা’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, কপ-৩০ সম্মেলনে বাংলাদেশের জাতীয় কার্বন বাজার কাঠামোর প্রাক-ঘোষণা আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের মাঝে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। তবে প্রকল্প অনুমোদনের আগে স্থানীয় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মতামত গ্রহণকে তিনি অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন।
রিজওয়ানা হাসান জানান, ২০৩৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ শর্তহীনভাবে ৬.৩৯ শতাংশ এবং শর্তসাপেক্ষে ১৩.৯২ শতাংশ কার্বন নির্গমন কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, “ঘোষণা দিলেই দায়িত্ব শেষ নয়, এখন প্রয়োজন সুস্পষ্ট বাস্তবায়ন রোডম্যাপ।” এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে খাতভিত্তিক পরিকল্পনা দ্রুত চূড়ান্ত করার নির্দেশ দেন।
রপ্তানিমুখী শিল্পখাতের প্রশংসা করে উপদেষ্টা বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখতে গিয়ে এই খাতটি দ্রুত টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তিনি করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে গতানুগতিক বৃক্ষরোপণের বাইরে গিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি এবং প্রকৃতিনির্ভর সমাধানে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান। এছাড়া বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পগুলোয় কঠোর পরিবেশগত মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।
জাপানকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত সহযোগী উল্লেখ করে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানান, পরিবেশ সুরক্ষায় দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদার করতে শিগগিরই একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রস্তুতি চলছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামান, জাপানি প্রতিনিধি কেইতারো তসুজি প্রমুখ। এ সময় উপদেষ্টা ও জাপানি প্রতিনিধিরা যৌথভাবে ‘অনুচ্ছেদ ৬ বিষয়ক বেসরকারি খাতের নির্দেশিকা’র মোড়ক উন্মোচন করেন।
এসপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বিডি থাই ফুড
- ইপিএস প্রকাশ করেছে কনফিডেন্স সিমেন্ট
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সোনালী পেপার
- ইপিএস প্রকাশ করেছে তিন কোম্পানি
- ইপিএস প্রকাশ করেছে শাহজীবাজার পাওয়ার
- ইপিএস প্রকাশ করেছে এপেক্স ট্যানারি
- ইপিএস প্রকাশ করেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইজেনারেশন
- ইপিএস প্রকাশ করেছে আনোয়ার গ্যালভানাইজিং
- ইপিএস প্রকাশ করবে ৫৮ কোম্পানি
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সাফকো স্পিনিং
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস
- নতুন জাতীয় দৈনিকে ক্যারিয়ার গড়ার বড় সুযোগ
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইনটেক
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইন্দো-বাংলা ফার্মা