ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
ভিডিও কেলেঙ্কারিতে তদন্তের মুখে বিএফআইইউ প্রধান
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণাধীন আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান এএফএম শাহীনুল ইসলামকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি তার একাধিক আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ভিডিওর সত্যতা যাচাই করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আইটি বিভাগ তদন্ত শুরু করেছে। আজ মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) গভর্নরের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।
ভিডিও প্রকাশের ঘটনাটি সামনে আসে এমন সময়ে যখন শাহীনুল ইসলাম বিতর্কিত পরিবহন প্রতিষ্ঠান এনা গ্রুপের মালিক খন্দকার এনায়েত উল্লাহর ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা উত্তোলনের অনুমতি দেওয়ার ঘটনায় আলোচনায় আছেন। গত বছরের নভেম্বরে এনায়েত উল্লাহ ও তার পরিবারের নামে থাকা ৫০টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১২০ কোটি টাকা জব্দ করে বিএফআইইউ। তবে চলতি বছরের এপ্রিলে ব্যাংক আল-ফালাহর চারটি অ্যাকাউন্ট পুনরায় ফ্রিজ না করে ১৯ কোটি টাকা তোলার সুযোগ দেওয়া হয়। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এই তথ্য হাতে পেয়েছে।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ বাস রুট থেকে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করতেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে ২৭ মে মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত তার ১২০ কোটি টাকা ফ্রিজের আদেশ দেন। কিন্তু পরে দুদক জানতে পারে, হিসাবগুলোতে প্রকৃতপক্ষে রয়েছে ১০১ কোটি টাকা। অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে বাকি অর্থ উত্তোলনের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে শাহীনুল ইসলাম বলেন, এনা পরিবহনের আবেদনের ভিত্তিতে কিছু অর্থ উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, ব্যবসা পরিচালনার স্বার্থে অনেক প্রতিষ্ঠানকে এমন সুযোগ দেওয়া হয়ে থাকে। আর দুদক থেকে প্রশ্ন করা হলে তিনি ব্যাখ্যা দেবেন। আপত্তিকর ভিডিও প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এগুলো ভুয়া এবং তাকে হেয় করার উদ্দেশ্যে ছড়ানো হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি হোয়াটসঅ্যাপ ও ম্যাসেঞ্জারে ভিডিওগুলো শেয়ার করতে শুরু করে। পরে সোমবার থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়। এরপর ভিডিওর সত্যতা যাচাই করতে ব্যাংকের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এর আগে গত বছরের ৮ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আন্দোলনের মুখে পদত্যাগে বাধ্য হন বিএফআইইউর তৎকালীন প্রধান মো. মাসুদ বিশ্বাস। প্রায় পাঁচ মাস শূন্য থাকার পর এ বছরের জানুয়ারিতে শাহীনুল ইসলামকে প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। যদিও গভর্নরের নেতৃত্বে গঠিত সার্চ কমিটির সুপারিশকৃত তিনজনের মধ্যে তার নাম ছিল না, তবুও অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ তাকে নিয়োগ দেয়। এ নিয়েও তখন ব্যাপক সমালোচনা হয়।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ১ম টি-টোয়েন্টি-দেখুন সরাসরি (LIVE)
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা: দেখুন সবগুলো প্রশ্নের সঠিক সমাধান
- বিকালে আসছে ১৯ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- স্কুলছাত্রী থেকে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধার সাথে অন্তরঙ্গের পর ভিডিও কুয়েট ছাত্রের
- দর্শন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার রায়ের মৃ’ত্যু
- সকালে না রাতে, কখন গোসল করা স্বাস্থ্যের জন্য বেশি ভালো?
- স্কুল-কলেজের প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগ পরীক্ষার ফল আজই
- বুলগেরিয়ার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হলো ঢাবি শিক্ষার্থীর প্রামাণ্যচিত্র
- স্কলারশিপ দিচ্ছে মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়, জেনে নিন আবেদন পদ্ধতি
- দেশে সোনার দামে বড় পতন
- লন্ডনে বৈশাখী উৎসব ঘিরে ঢাবি অ্যালামনাই ইউকে’র নতুন যাত্রা
- বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১০০ ধাপ এগিয়েছে ঢাবি, যৌথভাবে দেশসেরা
- বদলে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম
- এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে যা জানাল শিক্ষাবোর্ড
- নবনিযুক্ত সিন্ডিকেট সদস্য মোর্শেদ হাসান খানকে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের শুভেচ্ছা