ঢাকা, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
‘র’ নেটওয়ার্কের সহায়তায় জরুরি অবস্থা ঘোষণার পরিকল্পনা
বাংলাদেশে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর নেটওয়ার্ক পরিচালনায় নিয়োজিত লেফটেন্যান্ট জেনারেল (বরখাস্ত) মুজিবুর রহমান গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ধোবাউড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যান। তার পালানোর আগে তিনি আর্মি সিকিউরিটি ইউনিটের নজরদারিতে ছিলেন।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে মুজিব দিল্লিতে অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকেই শেখ হাসিনার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বজায় রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের পতন ঘটিয়ে তাকে পুনরায় ক্ষমতায় আনার ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন।
তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, মুজিব দেশের ভেতরে বিভিন্ন নাশকতা এবং অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্রে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন একাধিক সাবেক সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তা। এদের মধ্যে ছিলেন মেজর জেনারেল (অব.) আকবর, পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা মনিরুল, সাবেক ডিজিএফআই কর্মকর্তা আকবর যিনি ষড়যন্ত্রকালীন সময়ে একদিনের জন্য ঢাকাও সফর করেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মুজিব ‘র’-এর প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং পুলিশে গভীর প্রভাব বিস্তার করেছিলেন। তার নির্দেশনায় বিমানবাহিনীতে ‘র’-এর ছায়া নিয়োগকারী আবদুল্লাহ ইবনে আলতাফকে নিয়োগ দেওয়া হয়। গ্রেপ্তারের পরবর্তীতে এই গোয়েন্দা চক্রের গভীরতা প্রকাশ পায়।
বিশেষ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর ৬ আগস্ট সেনাবাহিনীর মধ্যমেয়াদি ক্যু অথবা জরুরি অবস্থা ঘোষণার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এই চক্রান্তে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন তৎকালীন ডিজিএফআই প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক, এনএসআই প্রধান মোহাম্মদ হোসাইন আল মোরশেদ, মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসান, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আকবর হোসেন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) তাবরেজ শামস চৌধুরী, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ শাহিনুল হক, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) সাইফুল আলম।
তবে এই বিপজ্জনক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগেই সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের দৃঢ় ও বিচক্ষণ নেতৃত্বে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং দেশে সম্ভাব্য একটি বড় রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাগত সংকট এড়ানো সম্ভব হয়।
অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা তথ্য বলছে, ২ আগস্টও মুজিব ক্যু সদৃশ একটি চেষ্টায় জড়িত ছিলেন তবে তা গোপন রাখা হয়েছে তদন্তের স্বার্থে।
মুজিবের নেতৃত্বে পরিচালিত এই চক্রান্ত দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক ধারার ওপর একটি গুরুতর হুমকি হিসেবে দেখা হয়। সেনাবাহিনীর সজাগ দৃষ্টি ও দায়িত্বশীল ভূমিকা এ ষড়যন্ত্রের সমাপ্তি টানে এবং দেশকে একটি বড় বিপর্যয়ের মুখ থেকে রক্ষা করে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনো ম্যাচ: সরাসরি দেখা যাবে এখানে LIVE
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনো ফুটবল ম্যাচ, দেখুন একাদশ-দেখার উপায়
- বাংলাদেশ বনাম ভারতের ফুটবল ম্যাচ: সরাসরি দেখুন (LIVE)
- ঢাবি অ্যালামনাই ইউকে শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
- ঢাবি শিক্ষককে বিয়ে করলেন দীপ্তি চৌধুরী
- বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তানের ফুটবল ম্যাচ: এক ক্লিকে সরাসরি দেখুন
- আজ রাত ৮ টায় ভারত বনাম বাংলাদেশের ফুটবল ম্যাচ, কোথায় ও যেভাবে দেখবেন?
- আজ বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান ম্যাচ: সরাসরি দেখবেন যেভাবে
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনোম্যাচ: এক ক্লিকে সরাসরি দেখুন এখানে
- মাসিক ফি দিয়ে ব্যবহার করতে হবে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম
- পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই: ড. নিয়াজ আহমদ
- ঢাবির এসএম হলের নতুন প্রভোস্ট অধ্যাপক আবদুস সালাম
- নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত বাড়তে পারে? আলোচনায় দুটি প্রস্তাব
- টাইমস হায়ার ও কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে ঢাবির জয়জয়কার
- ডিএসইতে রেকর্ড উত্থান, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাড়ছে প্রত্যাশা