ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২
'দ্বিকক্ষ সংসদ গঠনে বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল একমত'
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ গঠনের বিষয়টি নিয়ে বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। তবে কিছু দল এখনো সামান্য আপত্তি জানাচ্ছে, যেগুলোর বিষয়ে ভবিষ্যতে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।
রোববার (২৯ জুন) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত কমিশনের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষে তিনি এ কথা বলেন। আলী রীয়াজ জানান, ভোট গ্রহণ পদ্ধতি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে এবং বেশিরভাগ দল সংখ্যানুপাতিক ভোট পদ্ধতি চায়। যদিও কিছু দল সুস্পষ্ট আপত্তিও জানিয়েছে। আলোচনার ভিত্তিতে আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ভোট পদ্ধতি নিয়েও একমতে পৌঁছানো সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, এর আগে জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি) গঠনের প্রস্তাব দিলেও অনেক রাজনৈতিক দল তা প্রত্যাখ্যান করে। তাই কমিশন ‘সংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ কমিটি’ নামের নতুন একটি কাঠামোর প্রস্তাব দেয়, যার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, সরকারি কর্ম কমিশন, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং তথ্য কমিশনের প্রধান ও সদস্য নিয়োগ দেওয়া হবে। এই কমিটিকে অনেক দল স্বাগত জানিয়েছে এবং তারা কাঠামোগত দিক জানতে চেয়েছে। সেক্ষেত্রে আজকের বৈঠকে বিস্তারিত কাঠামো উপস্থাপন করা হয়েছে।
তিনি জানান, সংসদ থাকাকালীন কমিটিতে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, উচ্চকক্ষ গঠিত হলে তার স্পিকার এবং আরও একজন বিরোধীদলীয় প্রতিনিধি। রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি হিসেবে এমন একজন মনোনীত হবেন, যিনি রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ ও গত ১০ বছর কোনো দলের সদস্য ছিলেন না। প্রধান বিচারপতির মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে আপিল বিভাগের একজন বিচারপতিকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগ কমিটির সভাপতিত্ব করবেন নিম্নকক্ষের স্পিকার।
আলোচনায় উঠে এসেছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় এই কমিটির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিভক্ত মত রয়েছে। অনেক রাজনৈতিক দল মনে করে, নির্বাচন কমিশনে সীমিত ক্ষমতা দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার তখন নিয়োগ দিতে পারে, তবে অন্য কমিশনে নয়।
আলী রীয়াজ বলেন, গঠন কাঠামো নিয়ে আরও কিছুটা আলোচনা ও সুস্পষ্টতা প্রয়োজন। যেসব দল এখনো একমত নয়, তাদের অনুরোধ করা হয়েছে পুনর্বিবেচনা করতে।
তিনি আরও বলেন, আমরা কেউ আগের অবস্থানে ফিরে যেতে চাই না। দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত হবে বৃহত্তর স্বার্থে এগিয়ে আসা। ঐক্যমত্য অর্জনের লক্ষ্যে কমিশনের পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২ জুলাই।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- কী আছে এপস্টেইন ফাইলে? কেন এত হইচই বিশ্বজুড়ে?
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বিডি থাই ফুড
- ইপিএস প্রকাশ করেছে কনফিডেন্স সিমেন্ট
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সোনালী পেপার
- ইপিএস প্রকাশ করেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সিলকো ফার্মা
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সাফকো স্পিনিং
- শব-ই-বরাতের গুরুত্ব ও আমল
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইন্দো-বাংলা ফার্মা
- নতুন জাতীয় দৈনিকে ক্যারিয়ার গড়ার বড় সুযোগ
- ইপিএস প্রকাশ করেছে এসিআই
- এক লাফে ভরিতে ১৪ হাজার টাকা কমলো সোনার দাম
- ইপিএস প্রকাশ করেছে গোল্ডেন সন
- ইপিএস প্রকাশ করেছে জেনেক্স ইনফোসিস
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ঢাকা ডায়িং