ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২
আদালতে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত শুনানি আজ
পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হওয়া আদালত অবমাননা মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি। একই মামলায় আর এক আসামি হলেন গোবিন্দগঞ্জের ছাত্রলীগ নেতা শাকিল আকন্দ বুলবুল ওরফে মো. শাকিল আলম (৪০)। ২২৭ জনকে হত্যার লাইসেন্স পেয়েছি বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ মামলার চূড়ান্ত শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এর আগে গত ৩ জুন শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল আজকের দিনটি ধার্য করেন। ওইদিন পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরও অভিযুক্তরা আদালতে হাজির না হওয়ায় শুনানিতে অসন্তোষ প্রকাশ করেন ট্রাইব্যুনাল।
চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে শুনানি করেন। পরে সাংবাদিকদের তিনি জানান, আদালতের নির্দেশে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরও অভিযুক্তদের কেউ হাজির হননি বা আইনজীবীর মাধ্যমে কোনো ব্যাখ্যাও দেননি।
আইন অনুযায়ী, আদালত অবমাননার অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ এক বছর কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় ৩০ এপ্রিল। সেদিন জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে একটি মন্তব্যের জেরে শেখ হাসিনা ও শাকিল আলম বুলবুলের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ দাখিল করেন প্রধান প্রসিকিউটর। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, শেখ হাসিনার একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়, যেখানে তাকে বলতে শোনা যায়, আমার বিরুদ্ধে ২২৭টি মামলা হয়েছে, তাই ২২৭ জনকে হত্যার লাইসেন্স পেয়ে গেছি।
এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হয় এবং তদন্তে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ফরেনসিক পরীক্ষায় অডিওটির সত্যতা নিশ্চিত করে।
৩০ এপ্রিল অভিযোগ গ্রহণের পর ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের আগামী ১৫ মে’র মধ্যে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কোনো জবাব না আসায় তাদের ২৫ মে ট্রাইব্যুনালে সশরীরে হাজির হতে বলা হয়। সে তারিখেও হাজির না হওয়ায় আদালত ৩ জুনের মধ্যে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেয়। সেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলেও ৩ জুন আবারও তারা অনুপস্থিত থাকেন। ফলে সেদিন শুনানি শেষে আদালত আজ ১৯ জুন চূড়ান্ত শুনানির দিন নির্ধারণ করে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- কী আছে এপস্টেইন ফাইলে? কেন এত হইচই বিশ্বজুড়ে?
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বিডি থাই ফুড
- ইপিএস প্রকাশ করেছে কনফিডেন্স সিমেন্ট
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সোনালী পেপার
- ইপিএস প্রকাশ করেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সিলকো ফার্মা
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সাফকো স্পিনিং
- শব-ই-বরাতের গুরুত্ব ও আমল
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইন্দো-বাংলা ফার্মা
- নতুন জাতীয় দৈনিকে ক্যারিয়ার গড়ার বড় সুযোগ
- ইপিএস প্রকাশ করেছে এসিআই
- এক লাফে ভরিতে ১৪ হাজার টাকা কমলো সোনার দাম
- ইপিএস প্রকাশ করেছে গোল্ডেন সন
- ইপিএস প্রকাশ করেছে জেনেক্স ইনফোসিস
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ঢাকা ডায়িং