ঢাকা, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
আমেরিকা-ইউরোপের বাইরে এশিয়ার সেরা ৫ বিশ্ববিদ্যালয়
ডুয়া নিউজ: বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইউরোপের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সাধারণভাবে পছন্দের শীর্ষে রয়েছে। তবে এশিয়ার কিছু বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, যেগুলো বিশ্বজুড়ে শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করে।
সর্বশেষ কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং অনুযায়ী, এশিয়ার শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শক্তিশালী অবস্থান বজায় রাখে। বিশ্বমানের শিক্ষা, আধুনিক গবেষণার সুযোগ এবং বৈচিত্র্যময় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কারণে এশিয়ার শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার পরিবেশ চমৎকার। চলুন দেখে নেওয়া যাক এশিয়ার শীর্ষ পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়।
১. পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় (চীন)
পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়টি ১৮৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত, যা চীনের অন্যতম প্রাচীন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ার শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে উঠে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির ৩০টি কলেজ এবং ১২টি বিভাগ বিস্তৃত প্রোগ্রাম অফার করে, যার মধ্যে ৯৩টি বিষয়ে স্নাতক এবং ১৯৯টি বিষয়ে স্নাতকোত্তরের পড়ার সুযোগ রয়েছে।
২. হংকং বিশ্ববিদ্যালয় (হংকং)
১৯১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হংকং বিশ্ববিদ্যালয় হংকংয়ের প্রথম ও প্রাচীনতম একটি বিশ্ববিদ্যালয়। একাডেমিক কারণে এটি এশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। এখানে ৯৪টি দেশের ৩৯ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেন, এবং এর অনুষদ সদস্যদের মধ্যে ৭১ শতাংশ বিদেশি।
৩. সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় (সিঙ্গাপুর)
এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় গবেষণা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর বিশ্বের ১০০টির বেশি দেশের ৩৮ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী নিয়ে একটি মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
৪. নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি (সিঙ্গাপুর)
গবেষণাভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি বিভিন্ন প্রোগ্রাম অফার করে, যেমন বিজনেস, ডেটা সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং, মানবিকতা, শিল্প, সামাজিক বিজ্ঞান এবং চিকিৎসাবিদ্যা। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ক্যাম্পাসটি বিশ্বের অন্যতম সুন্দর ক্যাম্পাসগুলোর একটি।
৫. ফুদান বিশ্ববিদ্যালয় (চীন)
১৯০৫ সালে ফুদান পাবলিক স্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া এই বিশ্ববিদ্যালয়টি পরে ২০০০ সালে সাংহাই মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে একীভূত হয়ে ফুদান বিশ্ববিদ্যালয় গঠন করে। বর্তমানে এখানে চারটি ক্যাম্পাস রয়েছে এবং ৩৫টি স্কুল ও বিভিন্ন বিভাগে ৪ হাজারের বেশি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন।
এশিয়ার এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অতিথি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বমানের শিক্ষা প্রদান করে এবং গবেষণার সুযোগ তৈরি করে, যা তাদের আকর্ষণ বৃদ্ধি করছে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
- ১১-২০ গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষায় নতুন মানবণ্টন
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৬ সেপ্টেম্বর)
- মেসির দুই সহায়তাতেও আটলান্টার সঙ্গে ড্র ইন্টার মিয়ামির
- ‘সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিলটি কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক’
- ফেল বিরোধীদলের ওয়াকআউট
- পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
- ‘ছয় মাসে জুলাই সনদের একটি অক্ষরও বাস্তবায়ন করেনি বিএনপি’
- ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর ৩০ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ
- বক্তৃতায় দায় সারছে কমিশন, ধসের মুখে পড়েছে বাজার
- মেঘনা গ্রুপে বিভিন্ন পদে চাকরির সুযোগ
- সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা ডিজিটাল ঋণ চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক
- ছাদখোলা গাড়িতে লংমার্চে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, গাড়িটি কার?