×

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

নভেম্বরে টানা তিন দিনের ছুটির সুযোগ, যারা পাবেন 

২০২৬ অক্টোবর ২২ ১৩:৩৭:৩৬

নভেম্বরে টানা তিন দিনের ছুটির সুযোগ, যারা পাবেন 

নিজস্ব প্রতিবেদক: নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সাপ্তাহিক ছুটি, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস এবং শ্যামাপূজা উপলক্ষে টানা তিন দিনের ছুটি পেতে পারেন স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। তবে এ ছুটি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য হবে না। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ছুটির তালিকা অনুযায়ী ছুটি কার্যকর হবে।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ছুটি ঘোষণা করে বুধবার (২১ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৬ শাখা থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ২০২৬ সালের স্কুল-কলেজের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী ৭ নভেম্বর (শনিবার) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস এবং ৮ নভেম্বর (রোববার) শ্যামাপূজা উপলক্ষে ছুটি থাকবে।

এর আগের দিন ৬ নভেম্বর (শুক্রবার) সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা টানা তিন দিনের ছুটি পেতে পারেন। একই সময়ে দেশের প্রায় ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ও বন্ধ থাকার কথা রয়েছে।

হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্যামাপূজা আগামী ৮ নভেম্বর রোববার অনুষ্ঠিত হবে। বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দে কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের অমাবস্যা তিথিতে এ পূজা পালিত হবে।

সরকারি ও এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের ছুটির তালিকায় শ্যামাপূজার ছুটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সে কারণে সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে এ ধর্মীয় উৎসবের ছুটি মিলিয়ে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তিন দিন ছুটি পেতে পারেন।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ছুটি নির্ধারিত হবে নিজস্ব একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটির তালিকায় শ্যামাপূজার ছুটির উল্লেখ নেই।

অন্যদিকে, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ছুটির তালিকায়ও শ্যামাপূজার ছুটি উল্লেখ করা হয়নি। ফলে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা এ উপলক্ষে ছুটি পাবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

শ্যামাপূজা বা কালীপূজা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। দেবী কালীর উদ্দেশে নিবেদিত এ পূজা সাধারণত হিন্দু পঞ্জিকার কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে অনুষ্ঠিত হয়।

শ্যামাপূজার দিন দীপাবলি উৎসবও পালিত হয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, আসাম ও ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে এ উৎসব জনপ্রিয়। বাংলাদেশেও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করেন।

দীপাবলি দীপান্বিতা, দীপালিকা, সুখরাত্রি, সুখসুপ্তিকা ও যক্ষরাত্রি নামেও পরিচিত। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে এ দিনে লক্ষ্মীপূজা অনুষ্ঠিত হলেও বাঙালি, অসমিয়া ও ওড়িয়ারা সাধারণত কালীপূজা করেন। এ ছাড়া মাঘ মাসের কৃষ্ণা চতুর্দশীতে রটন্তী কালীপূজা এবং জ্যৈষ্ঠ মাসের অমাবস্যায় ফলহারিণী কালীপূজাও পালিত হয়।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত