×

ঢাকা, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩

কেন্দ্রে না গিয়েই বাদ ৩৮ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী

২০২৬ আগস্ট ১০ ১৩:৪৫:০৪

কেন্দ্রে না গিয়েই বাদ ৩৮ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক: এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত হননি ৩৮ হাজার ১২৯ জন শিক্ষার্থী। অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে। শুধু এ বোর্ডেই পরীক্ষা দেননি ১০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ১১ শিক্ষা বোর্ডের পরিসংখ্যানে এ চিত্র উঠে এসেছে।

চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৬৭ হাজার ৬১৪ জন শিক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন। ফলে ৩৮ হাজার ১২৯ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৩ লাখ ৬৬ হাজার ৭৮৮ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৩ লাখ ৬৪ হাজার ১৮৪ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ২ হাজার ৬০৪ জন। এ বোর্ডে পাস করেছেন ২ লাখ ৬০ হাজার ৮৬৪ জন এবং ফেল করেছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ২০ জন। পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

রাজশাহী বোর্ডে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৭৮ হাজার ৯৫২ জন। পরীক্ষায় অংশ নেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৪৪ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ২ হাজার ৯০৮ জন। এ বোর্ডে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৮৬ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছেন ৬৩ হাজার ৯৫৮ জন। গড় পাসের হার ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

কুমিল্লা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ২২৫ জন। এর মধ্যে পরীক্ষা দিয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮৩৫ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১ হাজার ৩৯০ জন। এ বোর্ডে পাস করেছেন ৯৫ হাজার ৩৯৯ জন এবং ফেল করেছেন ৫০ হাজার ৪৩৬ জন। পাসের হার ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ।

যশোর বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮০৭ জন। পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৯৪০ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ২ হাজার ৮৬৭ জন। এ বোর্ডে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৮৮ হাজার ৯৭ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৪ হাজার ৮৪৩ জন। পাসের হার ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ।

চট্টগ্রাম বোর্ডে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৮২ জন। এর মধ্যে পরীক্ষা দিয়েছেন ১ লাখ ৩০ হাজার ২১৯ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৪৬৩ জন। এ বোর্ডে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭৭ হাজার ৪৫৩ জন এবং ফেল করেছেন ৫২ হাজার ৭৬৬ জন। পাসের হার ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

বরিশাল বোর্ডে পরীক্ষার্থী ছিলেন ৮২ হাজার ৯০১ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৮০ হাজার ৪৫৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ২ হাজার ৪৪৩ জন। এ বোর্ডে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৮ হাজার ৫৫৫ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছেন ৩১ হাজার ৯০৩ জন। পাসের হার ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

সিলেট বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৮৯ হাজার ৬৮৬ জন। এর মধ্যে ৮৯ হাজার ৭৯ জন পরীক্ষা দিয়েছেন। অনুপস্থিত ছিলেন ৬০৭ জন। এ বোর্ডে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫১ হাজার ৯৫৭ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছেন ৩৭ হাজার ১২২ জন। পাসের হার ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

দিনাজপুর বোর্ডে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৯৪ জন। এর মধ্যে পরীক্ষা দিয়েছেন ১ লাখ ৮০ হাজার ৭৫২ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ২ হাজার ৯৪২ জন। এ বোর্ডে পাস করেছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৯২৫ জন এবং ফেল করেছেন ৭৫ হাজার ৮২৭ জন। পাসের হার ৫৮ দশমিক ৫ শতাংশ।

ময়মনসিংহ বোর্ডে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৯ হাজার ৬১৩ জন। এর মধ্যে পরীক্ষা দিয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ২৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৫৮৫ জন। এ বোর্ডে পাস করেছেন ৬০ হাজার ২৭৪ জন এবং ফেল করেছেন ৪৪ হাজার ৭৫৪ জন। পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৩ লাখ ৭ হাজার ৮৭ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ২ লাখ ৯৬ হাজার ৯৮২ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১০ হাজার ১০৫ জন। এ বোর্ডে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯৯৭ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ১৮৫ জন। পাসের হার ৫৫ দশমিক ১৯ শতাংশ।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৭৯ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৯৬৪ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৭ হাজার ২১৫ জন। এ বোর্ডে পাস করেছেন ৭৪ হাজার ৪৭০ জন এবং ফেল করেছেন ৫৩ হাজার ৪৯৪ জন। পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত