ঢাকা, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলাদেশের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক চায়, সিদ্ধান্ত ভারতের
নিজস্ব প্রতিবেদক: মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান করে বক্তব্য দেওয়ার প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, তাকে বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত ভারতের সরকারকেই নিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে কী ধরনের সম্পর্ক ভারত চায়, সে বিষয়ে দেশটির অবস্থানও স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, সরকারের দেওয়া বিবৃতিতে কূটনৈতিক ভাষায় যতটুকু একটি দেশকে বোঝানো সম্ভব, তা তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ বারবার বলেছে, ভারতের উচিত তাদের অবস্থান পরিষ্কার করা বাংলাদেশের সঙ্গে তারা কেমন সম্পর্ক চায়। শেখ হাসিনাকে বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সেটিও ভারত সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়।
তিনি বলেন, একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ভারতের মাটিতে বসে এ ধরনের বক্তব্য দিলে এবং ভারত সরকার সেটি অনুমোদন করলে, তা বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জনগণের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক কোন দিকে যেতে পারে, সে সম্পর্কেও প্রশ্ন তৈরি হয়।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক উন্নত হোক এটি দুই দেশের সরকার ও জনগণেরই প্রত্যাশা। তবে ভারতের মাটিতে অবস্থান করে স্বৈরাচারী, ফ্যাসিবাদী, সাজাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী এবং দলটির প্রধান যদি ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যান এবং ভারত সরকার তা বন্ধ না করে, তাহলে সেটি বাংলাদেশের জনগণের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বহু দ্বিপাক্ষিক বিষয় রয়েছে, যেগুলোর সমাধান সংলাপ, আলোচনা ও বৈঠকের মাধ্যমে করতে হবে। বাংলাদেশ আলোচনায় বসতে চায় বলেও উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে বলেন, সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ভারতে আশ্রয় দেওয়া এবং বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ অব্যাহত রাখা হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত ভারতকেই নিতে হবে।
শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশকে ঘিরে ভারতের পররাষ্ট্রনীতি কী হবে, সেটিও দেশটির নিজস্ব সিদ্ধান্তের বিষয়। তবে বাংলাদেশ চায়, দুই দেশের জনগণের স্বার্থে সম্পর্ক ভালো থাকুক। সেই সম্পর্ক হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্মান বজায় রেখে এবং উভয় দেশের স্বার্থ সংরক্ষণের মাধ্যমে। ভারত বিষয়টি অনুধাবন করতে পারলে তা সবার জন্যই মঙ্গলজনক হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকের প্রসঙ্গেও কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, দুটি দেশের সম্পর্কের নানা মাত্রা থাকে। শেখ হাসিনা বা তার সহযোগীরা চাইতে পারেন বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক একটি নির্দিষ্ট ইস্যুতেই আটকে থাকুক, কিন্তু বাংলাদেশ তা চায় না।
তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা, পানি বণ্টন, সীমান্তসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে, যেগুলো আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করতে হবে। এসব সংলাপ ও আলোচনা চলমান থাকবে এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার তারিখ জেনে নিন
- বাংলাদেশের জলবায়ু অগ্রাধিকার তুলে ধরতে তুরস্ক যাচ্ছে YFB-এর প্রতিনিধিদল
- মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেবে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (০৩ নভেম্বর)
- বিশ্ববিদ্যালয়-মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা কি পেছাচ্ছে?
- পুলিশের ৭৮ পরিদর্শক পদোন্নতি পেয়ে হলেন এএসপি
- ঢাবির ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
- সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার্থীদের ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়ে যা জানা গেল
- যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণীর সঙ্গে যৌন বিকৃতির অভিযোগে সাবেক শিবির নেতা গ্রেপ্তার
- প্রবাসীর সন্তানেরা পাবে শিক্ষাবৃত্তি, জানুন আবেদন পদ্ধতি
- কিউএসের এশিয়া র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের শীর্ষ ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ
- ফের স্বর্ণের দাম বেড়েছে, ভরিতে কত?
- জাতীয়করণের তালিকায় ৫ বেসরকারি কলেজ
- সরাসরি সাক্ষাৎকারে ১৩০ পদে নিয়োগ দেবে মেঘনা গ্রুপ
- ২০২৭ সালে সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ