ঢাকা, শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফেরার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক: চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ঘিরে বৃষ্টি ও বন্যাজনিত পরিস্থিতির মধ্যে শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, কোথাও প্রকৃতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সকলেই উদ্বিগ্ন-এই বৃষ্টির সিজনের পরীক্ষা নিয়ে। আমরা কন্সট্যান্ট মনিটরিংয়ে ছিলাম, এখনও আছি। সারা দিনই আমরা এই কাজটি করে থাকি।’
তিনি জানান, কোনো পরীক্ষাকেন্দ্রে পানি উঠলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ দায়িত্ব স্থানীয় প্রশাসনকে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সেখানে দেখা গিয়েছে, যদি পরীক্ষার কোনও কেন্দ্রে পানি উঠে থাকে, তাৎক্ষণিকভাবে আমরা কেন্দ্র সরিয়ে দেই। লোকাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এযাবৎ শুধু একটি কলেজ, কুমিল্লা সরকারি কলেজের বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেই কলেজের মাঠটা ভরে গিয়েছিল। তাছাড়া অন্যান্য জায়গায় যখনই পানি উঠেছে, তবে সেটা তেমন বেশি নয়, গুটিকয়েক এবং সাথে সাথেই কেন্দ্র পাল্টানো হয়েছে।’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার শুরু থেকেই পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের যে সুবিধা দেওয়া, সেই সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে আমরা সবসময় উদ্বিগ্ন ছিলাম, আমরা কন্টিনিউয়াস মনিটরিং করে এই কাজগুলো করছি। সেই ক্ষেত্রে আমরা মনে করি, যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের শুধরে দেওয়া আমাদের জন্য কোনও বিরাট কাজ নয়। কারণ আমরা অনেক জায়গায় পরীক্ষা বন্ধ করেছি এবং আবার আমাদের কোশ্চেন সেট রয়েছে, আমরা আবার তাদের পরীক্ষা নেবো।’
তিনি আরও বলেন, কোথাও প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ওঠায় শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে না পারলে, সে বিষয়ে জরিপ শেষে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আবারও পর্যালোচনা করছি-যদি কোথাও আমাদের প্রশাসনের দুর্বলতার কারণে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি ওঠার পর যদি পরীক্ষা না দিতে পেরে থাকে-এই জরিপটা আমাদের কাছে আসার পরে সেভাবে প্রয়োজনে পুনরায় পরীক্ষাও নিতে পারি। আমরা চিটাগাং বোর্ডে এই ব্যবস্থাটি করেছি এবং সেই অবস্থান আমাদের রয়েছে। সেজন্য আবারও অনুরোধ করবো, শিক্ষার্থীরা যার যার পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, তাদের চেয়ে আমরাই উদ্বিগ্ন। তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন যে কীভাবে-তাদের আমরা পরীক্ষা সঠিকভাবে নেবো। এই দুর্যোগ মোকাবিলা করবো।’
সংসদে তিনি আরও বলেন, ‘আমি আবারও আশ্বাস দিচ্ছি যেসব পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ধরনের ভুল-ত্রুটি হয়েছে, সেখানে রি-এক্সামিন নেওয়ার প্রভিশনও আমাদের রয়েছে। এরা আমাদের ভবিষ্যৎ। এদের আমরা কোনও অবস্থায় ডিপ্রাইভ করতে পারি না, করবো না। সেটাই আমি মহান সংসদের মাধ্যমে জাতিকে জানাতে চাচ্ছি।’
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৩ আগস্ট)
- খণ্ডকালীন শিক্ষক নেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, জানুন আবেদনপদ্ধতি
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৫ আগস্ট) r
- শুক্রবার ঢাকার যেসব মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ
- মেয়েরা বাস কেন চালাতে পারবে না: বর্ষা
- জাপানের MEXT স্কলারশিপ পেলেন ১৬৬ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২১ আগস্ট)
- ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি ডার্ক ওয়েবে বিক্রির দাবি
- এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ নিয়ে যা জানা গেল
- রোববার ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- জামায়াতের ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠন, প্রধানমন্ত্রী ডা. শফিকুর রহমান
- চার পদে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে নিয়োগ
- স্বাস্থ্য খাতে এক লাখ কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
- বাংলাদেশ স্কাউটসে নবম গ্রেডে চাকরির সুযোগ
- মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ