ঢাকা, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে যা বললেন ডা. জাকির নায়েক
নিজস্ব প্রতিবেদক: ফুটবল খেলার শরিয়াহভিত্তিক বিধান ও পেশা হিসেবে এর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে একটি বিস্তারিত আলোচনা উপস্থাপন করা হয়েছে। আলোচনায় প্রথমে সাধারণভাবে ফুটবল খেলার অনুমোদন এবং পরে পেশা হিসেবে এর বৈধতা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোকপাত করা হয়।
সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো খেলা যদি শরীর সুস্থ ও ফিট রাখতে সহায়তা করে এবং কোরআন-সুন্নাহর শিক্ষার পরিপন্থী কোনো কাজে না জড়ায়, তবে তা অনুমোদিত হিসেবে বিবেচিত। এ দৃষ্টিকোণ থেকে ফুটবল খেলা শরীয়াহবিরোধী নয় বলে উল্লেখ করা হয়।
তবে ফুটবলকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করা যাবে কি না-এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। আলোচনায় উল্লেখ করা হয়, কিছু আলেম পেশাদার ফুটবলকে বৈধ মনে করেন না এবং একে হারাম বলে মত দিয়েছেন। তাদের মধ্যে শায়খ মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিমের নাম উল্লেখ করা হয়। তিনি তাঁর ফতোয়া গ্রন্থের ৮ম খণ্ডের ১১৬ থেকে ১১৯ পৃষ্ঠায় পেশাদার ফুটবলকে হারাম বলার বিভিন্ন কারণ উল্লেখ করেছেন।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, পেশাদার ফুটবলে সতর উন্মুক্ত হওয়ার ঝুঁকি, নামাজ ছুটে যাওয়ার আশঙ্কা, দলাদলি বা বিরোধ সৃষ্টি, আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা এবং আন্তর্জাতিক সফরে গিয়ে হারাম কাজে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি-এসব কারণে তিনি এটিকে বৈধ মনে করেননি।
আলোচনায় এ বিষয়ে ভিন্নমতও উপস্থাপন করা হয়। বলা হয়, পেশাদার ফুটবলের সব স্তর একই ধরনের নয়। স্থানীয় বা করপোরেট পর্যায়ের ফুটবল অনেক ক্ষেত্রেই চাকরি বা পেশার অংশ হিসেবে দেখা যায়, যেখানে খেলোয়াড়রা নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার হয়ে খেলেন। এসব ক্ষেত্রে ইসলামী বিধান মানা তুলনামূলকভাবে সহজ বলে মত দেওয়া হয়।
এছাড়া নামাজ আদায়, সতর রক্ষা এবং হারাম কার্যক্রম এড়িয়ে চলার মাধ্যমে অনেক খেলোয়াড়ই পেশাদার জীবনের সঙ্গে ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম-এমন অভিজ্ঞতার কথাও আলোচনায় উল্লেখ করা হয়।
উচ্চ পর্যায়ের পেশাদার ফুটবল, যেমন জাতীয় বা আন্তর্জাতিক লিগে খেলা প্রসঙ্গে বলা হয়, এখানে আর্থিক চাপ, স্পনসরশিপ, বিদেশ সফর এবং বিভিন্ন প্রলোভনের কারণে শরীয়াহর বিধান পুরোপুরি মানা কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণে কিছু আলেম একে মাকরূহ পর্যায়ের বলে উল্লেখ করেন।
আলোচনায় আরও বলা হয়, খেলাধুলার সময় নামাজ আদায়, হারাম স্পনসরশিপ এড়িয়ে চলা এবং নৈতিক সীমারেখা রক্ষা করা একজন মুসলিম খেলোয়াড়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এসব শর্ত যথাযথভাবে মানা গেলে কিছু ক্ষেত্রে ফুটবল পেশা হিসেবে গ্রহণযোগ্য বলেও মত দেওয়া হয়।
সব মিলিয়ে, ফুটবল পেশা হিসেবে গ্রহণের বিষয়ে ইসলামী ফিকহে সরাসরি একমত কোনো অবস্থান নেই; বরং এটি পরিস্থিতি, স্তর এবং বাস্তবতার ওপর নির্ভরশীল বলে আলোচনায় উঠে এসেছে।
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া ম্যাচ কখন, কোথায় দেখবেন সরাসরি
- বাংলাদেশ বনাম মালয়েশিয়া ম্যাচ: Live দেখুন এখানে
- না ফেরার দেশে চলে গেলেন জেমস
- আকিজ গ্রুপে চাকরি, আবেদন ৯ অক্টোবর পর্যন্ত
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন উপাচার্যকে প্রত্যাখ্যান শিক্ষার্থীদের
- ঢাবির শহীদুল্লাহ্ হলের শিক্ষার্থী মুরাদের আকস্মিক মৃ/ত্যু
- প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষকের নিয়োগপত্র, যোগদান ও পদায়নের সূচি প্রকাশ
- আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৪ সেপ্টেম্বর)
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৫ সেপ্টেম্বর)
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক লুৎফর রহমান
- বাস ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি
- ইবনে সিনা ট্রাস্টে মেডিকেল অফিসার নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে
- ডিসেম্বরে দেশে ফেরা নিয়ে নতুন ঘোষণা হাসিনার
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৭ সেপ্টেম্বর)