ঢাকা, শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
পাবনার দুই আসনের ভোট বন্ধ করে পরিপত্র জারি
নিজস্ব প্রতিবেদক: সীমানা নির্ধারণকে ঘিরে চলমান আইনি জটিলতায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনার দুটি আসনে ভোট অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করে ইসি। এতে স্বাক্ষর করেন কমিশনের উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন। পরিপত্রে জানানো হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই দুই আসনে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
ইসি জানায়, জাতীয় সংসদের নির্বাচনি এলাকা ৬৮ (পাবনা-১) ও ৬৯ (পাবনা-২)-এর সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ গত ৫ জানুয়ারি একটি আদেশ দিয়েছেন। ওই আদেশের আলোকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই দুটি আসনে ভোট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আসন পুনর্বিন্যাস করে গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। ওই গেজেটে সাঁথিয়া উপজেলার পুরো অংশ নিয়ে পাবনা-১ এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলার সমন্বয়ে পাবনা-২ আসন নির্ধারণ করা হয়।
এই গেজেটের বৈধতা নিয়ে বেড়া উপজেলার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম ও সাঁথিয়া উপজেলার বাসিন্দা আবু সাঈদ হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। প্রাথমিক শুনানি শেষে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করেন। পরবর্তী চূড়ান্ত শুনানিতে ১৮ ডিসেম্বর রুল অ্যাবসলিউট ঘোষণা করে রায় দেন আদালত।
রায়ে পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বাদ দিয়ে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করার সিদ্ধান্তকে আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে পাবনার দুটি সংসদীয় আসন আগের অবস্থায় ফিরিয়ে এনে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নতুন গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়।
হাইকোর্টের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৪ ডিসেম্বর সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ইসি। এতে পুরো সাঁথিয়া উপজেলা এবং বেড়া পৌরসভাসহ বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন (হাটুরিয়া নাকালিয়া, নতুন ভারেংগা, চাকলা ও কৈটোলা) নিয়ে পাবনা-১ আসন পুনর্গঠন করা হয়। অপরদিকে পাবনা-২ আসন গঠিত হয় বেড়া উপজেলার অবশিষ্ট পাঁচটি ইউনিয়ন ও পুরো সুজানগর উপজেলা নিয়ে।
তবে এই রায় স্থগিত চেয়ে পাবনা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান (নাজিব মোমেন) এবং নির্বাচন কমিশন পৃথকভাবে আপিল করেন। গত ২৩ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে আবেদন দুটি উপস্থাপন করা হলে নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়।
এরপর ৫ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেন। একই সঙ্গে ইসির ২৪ ডিসেম্বর প্রকাশিত সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির সংশ্লিষ্ট অংশও স্থগিত করা হয়। এর ফলেই শেষ পর্যন্ত এই দুই আসনে ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন।
এমজে/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- BANZI নির্বাচন: জয়-পরাজয়ের বাইরে কমিউনিটির আমানত ও প্রত্যাশা
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৫ আগস্ট) r
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৩ আগস্ট)
- ৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের ডিসিইউতে স্থানান্তরের রোডম্যাপ প্রকাশ
- তেজগাঁও কলেজে মঞ্চে উঠছে ‘পদ্মা নদীর মাঝি’
- ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি ডার্ক ওয়েবে বিক্রির দাবি
- জামায়াতের ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠন, প্রধানমন্ত্রী ডা. শফিকুর রহমান
- মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ
- রোববার ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে দুই পদে চাকরির সুযোগ
- ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার তারিখ জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়
- বাসায় ঢুকে মডেলকে কুপিয়ে হ'ত্যা
- টাকার বিনিময়ে ১২০০ শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন
- আজকের নামাজের সময়সূচি
- বোর্ড সচিব বাবা, টেনেটুনে পাস করা ছেলের ফল জিপিএ-৫