ঢাকা, শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় সরকারকে বিশেষ নির্দেশনা
নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। সরকার দেশজুড়ে সকল স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদীর স্বাক্ষরিত এক নির্বাহী আদেশ ২৯ ডিসেম্বর জারি করা হয়েছে। এই আদেশ দেশের সব সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক, চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।
আদেশে বলা হয়েছে, নির্বাচনের সময় অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারি অফিস ও সংস্থার পাশাপাশি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোরও সহযোগিতা অত্যাবশ্যক। শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা নির্বাচন সুষ্ঠু সম্পন্নের পূর্বশর্ত। যদিও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার মূল দায়িত্ব আইন-প্রয়োগকারী সংস্থার, স্থানীয় জনসাধারণ এবং নেতাদের সহযোগিতা অপরিহার্য।
নির্বাচনে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশেষ দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে:
(১) স্ব স্ব এলাকায় আইন-শৃংখলা রক্ষার্থে আইন-প্রয়োগকারী সংস্থাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া।
(২) নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সময়ে সময়ে যে সব আদেশ/নির্দেশ জারি করেছেন কিংবা করবেন তা প্রতিপালন।
(৩) নির্ধারিত সময়ে নির্বাচনী মিছিল, সভা ও প্রচারণা যাতে অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও বিধি অনুযায়ী হয় সেই দিকে লক্ষ্য রাখা।
(৪) কোনো নির্বাচনী অফিস বা প্রতীক নষ্ট করার যে কোনো প্রচেষ্টারোধে সামাজিক প্রতিরোধ গঠনে সহায়তা করা।
(৫) ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ কিংবা উপজেলা পরিষদে এমন কোন উন্নয়ন স্কিম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করবে না যা, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রার্থীর ভোট প্রাপ্তিতে বা প্রচারণার পক্ষে ব্যবহৃত হতে পারে।
(৬) ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ কিংবা সিটি কর্পোরেশনে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে অনুদান বা অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিতে পারবে না যা, কোনো প্রার্থীর ভোট প্রাপ্তি বা প্রচারণার কাজে প্রভাব বিস্তার করবে।
(৭) স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কোনো অফিস, যানবাহন এবং অন্যান্য সম্পত্তি কোনো প্রার্থীর নির্বাচন বা প্রচারণার কাজে কোনোভাবেই ব্যবহার করা যাবে না। মাশুল পরিশোধ করেও ব্যক্তিগত কাজে কোন যানবাহন ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া যাবে না।
(৮) স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারীরা কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী কাজে বা প্রচারণায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
(৯) ভোটকেন্দ্র নির্মাণসহ নির্বাচনী সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সব কাজে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তা প্রয়োজন হলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান তা প্রদান করবে।
(১০) স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা তাদের পদমর্যাদা, সরকারি সুযোগ সুবিধা ইত্যাদি কোন প্রার্থীর নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করিতে পারবে না।
আদেশে আরও বলা হয়েছে, এই নির্দেশনা অমান্য করলে বা শৈথিল্য প্রদর্শন করলে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই নির্দেশনার প্রযোজ্য সময় নির্বাচনের পরবর্তী ১৫ দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
এমজে/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৩ আগস্ট)
- খণ্ডকালীন শিক্ষক নেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, জানুন আবেদনপদ্ধতি
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৫ আগস্ট) r
- শুক্রবার ঢাকার যেসব মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ
- মেয়েরা বাস কেন চালাতে পারবে না: বর্ষা
- জাপানের MEXT স্কলারশিপ পেলেন ১৬৬ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২১ আগস্ট)
- ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি ডার্ক ওয়েবে বিক্রির দাবি
- এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ নিয়ে যা জানা গেল
- রোববার ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- জামায়াতের ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠন, প্রধানমন্ত্রী ডা. শফিকুর রহমান
- চার পদে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে নিয়োগ
- স্বাস্থ্য খাতে এক লাখ কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
- বাংলাদেশ স্কাউটসে নবম গ্রেডে চাকরির সুযোগ
- মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ