ঢাকা, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায় শরীরের যেসব সমস্যা
ডুয়া ডেস্ক: হৃদরোগ এখনও বিশ্বের অন্যতম প্রধান মৃত্যুর কারণ হিসেবে রয়ে গেছে, তবে সুসংবাদ হলো—এটি প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। করোনারি হৃদরোগ সাধারণত ঘটে যখন হৃদপিণ্ডে রক্ত বহনকারী ধমনীগুলো সংকুচিত বা বন্ধ হয়ে যায়। প্রায়শই ধমনীতে প্লাক বা চর্বির জমার কারণে এ ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এই প্রক্রিয়াটিকে এথেরোস্ক্লেরোসিস বলা হয়, যা ধীরে ধীরে হৃদপিণ্ডে রক্ত প্রবাহ কমিয়ে দেয়। এর ফলে ধীরে ধীরে বুকে ব্যথা, হার্ট অ্যাটাক, এমনকি হার্ট ফেইলিওরও হতে পারে।
হৃদরোগের প্রধান ঝুঁকির কারণগুলো:
উচ্চ কোলেস্টেরল:LDL বা ‘খারাপ কোলেস্টেরল’ ধমনীর অভ্যন্তরীণ প্রাচীরে জমে প্লাক তৈরি করে, যা ধমনীকে শক্ত এবং সংকীর্ণ করে তোলে। ফল, শাক-সবজি এবং গোটা শস্যের পরিমাণ বৃদ্ধি করলে শরীরে খারাপ চর্বির পরিমাণ কমানো সম্ভব। গবেষণায় দেখা গেছে, উচ্চ কোলেস্টেরল করোনারি হার্ট ডিজিজের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি।
উচ্চ রক্তচাপ:উচ্চ রক্তচাপ হৃদপিণ্ড এবং ধমনীর ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। এটি ধমনীর দেয়াল দুর্বল করে এবং চর্বি জমার ঝুঁকি বাড়ায়। নিয়মিত রক্তচাপ ফলো-আপ, ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখার মাধ্যমে হৃদপিণ্ডকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব। গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ রক্তচাপ চিকিৎসা না করলে হৃদরোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।
ডায়াবেটিস:রক্তে শর্করার মাত্রা দীর্ঘ সময় ধরে বেশি থাকলে তা রক্তনালী ও স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত করে, যা হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলে। খাদ্য, ব্যায়াম এবং ওষুধের মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। গবেষণা দেখায়, করোনারি আর্টারি ডিজিজের দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাস ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
ধূমপান:ধূমপান ধমনীর অভ্যন্তরীণ আস্তরণকে ধ্বংস করে এবং রক্ত প্রবাহ ও অক্সিজেন সরবরাহ হ্রাস করে। ফলে হৃদপিণ্ডের ওপর চাপ বাড়ে এবং করোনারি ধমনী রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা:নিয়মিত ব্যায়ামের অভাবও স্থূলতা এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো ঝুঁকি বাড়ায়। দিনে মাত্র ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা হৃদযন্ত্রকে শক্তিশালী করে এবং রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি করে। তাই অলস শুয়ে-বসে না থেকে শারীরিক পরিশ্রমমূলক কাজ করা গুরুত্বপূর্ণ।
স্থূলতা:পেটের চারপাশে অতিরিক্ত ওজন বহন করলে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি বেড়ে যায়। সঠিক ব্যায়াম এবং খাদ্য সচেতনতার মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণ করে হৃদযন্ত্রের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা যায়।
কেএমএ
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
- ১১-২০ গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষায় নতুন মানবণ্টন
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৬ সেপ্টেম্বর)
- মেসির দুই সহায়তাতেও আটলান্টার সঙ্গে ড্র ইন্টার মিয়ামির
- ‘সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিলটি কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক’
- পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
- ফেল বিরোধীদলের ওয়াকআউট
- ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর ৩০ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ
- বক্তৃতায় দায় সারছে কমিশন, ধসের মুখে পড়েছে বাজার
- মেঘনা গ্রুপে বিভিন্ন পদে চাকরির সুযোগ
- সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা ডিজিটাল ঋণ চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক
- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের ভাইভার তারিখ প্রকাশ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৭ সেপ্টেম্বর)