ঢাকা, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে রোমাঞ্চ ছড়াল বাংলাদেশ

২০২৫ অক্টোবর ০৪ ০০:২১:৪২

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে রোমাঞ্চ ছড়াল বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক: দুবাইয়ের শারজাহ আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও নাটকীয়তার জন্ম দিল বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচের রুদ্ধশ্বাস জয়ের পর, এই ম্যাচেও রান তাড়া করতে নেমে মাঝপথে দল কিছুটা এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত চরম ধৈর্য ও সাহসিকতা দেখিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিলেন নুরুল হাসান সোহান। প্রথম ম্যাচে তাঁর সঙ্গী ছিলেন রিশাদ হোসেন, আর এই ম্যাচে জয়ের নায়ক হিসেবে তিনি পাশে পেলেন শরিফুল ইসলাম-কে। এই জয়ে, কোচ ফিল সিমন্সের শিষ্যরা আফগানিস্তানের বিপক্ষে এক ম্যাচ হাতে রেখেই টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিশ্চিত করে ফেলল। বাংলাদেশ ২ উইকেটে এই শ্বাসরুদ্ধকর জয় লাভ করে।

শুক্রবার (০৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হওয়া এই ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক জাকের আলী টসে জিতে প্রথমে আফগানিস্তানকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান। ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রান সংগ্রহ করে। ফলে সিরিজ জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৪৮ রান।

১৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল হতাশাজনক। দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও পারভেজ হোসেন ইমন দুজনেই ব্যক্তিগত এক অঙ্কের রান করে দ্রুত প্যাভিলিয়নে ফেরেন। দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলেই ফিরে যান তানজিদ। আগের ম্যাচের অর্ধ-শতরানকারী এই ব্যাটসম্যানকে ফেরান আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ওমরজাইয়ের পঞ্চম স্টাম্প তাক করা শর্ট লেংথের বলে মিড অফে ডাইভ দিয়ে দারুণ ক্যাচ ধরেন রশিদ খান। সাত বলে মাত্র দুই রান করে আউট হন তানজিদ।

চতুর্থ ওভারের প্রথম বলেই আবারো উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ওমরজাইয়ের দারুণ এক গুড লেংথের বলে লেগ বিফোর উইকেটের শিকার হন ইমন, যার ব্যাট থেকে আসে পাঁচ বলে তিন রান। এরপর পঞ্চম ওভারে দলের ইনফর্ম ব্যাটার সাইফ হাসানও বিদায় নেন। মুজিবের বলে এক্সট্রা কাভারে উড়িয়ে মারতে গিয়ে সেদিকউল্লাহ আতালের মুঠোয় ধরা পড়েন তিনি। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ১৪ বলে ১৮ রান। পাওয়ার প্লে'তে (৬ ওভার) ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ মাত্র ৩৭ রান সংগ্রহ করে, যা দলকে চরম চাপে ফেলে দেয়।

দ্রুত ৩ উইকেট হারালেও, অধিনায়ক জাকের আলী অনিক এবং শামীম পাটোয়ারি জুটি বেঁধে বাংলাদেশের জয়ের স্বপ্ন জিইয়ে রাখেন। এই দুজনের ব্যাটে ভর করে দশ ওভার শেষে তিন উইকেটে দলটি ৭৪ রান করে। তবে এই জুটির ইনিংস দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ৮০ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় বাংলাদেশ, যখন দলের নির্ভরতার প্রতীক জাকের আলী রশিদ খান-এর বলে লেগ বিফোর উইকেটের শিকার হন। তাঁর বিদায়ের পরই ম্যাচটি রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির দিকে মোড় নেয়।

এএসএম/

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত