ঢাকা, বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
এবার সাদিক কায়েমকে নিয়ে মুখ খুললেন সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের
কাতারভিত্তিক প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের সম্প্রতি তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেছেন জুলাই আন্দোলনের সাহসী তরুণ নেতা মো. আবু সাদিক কায়েমের নাম।
সায়ের লিখেছেন, জুলাই আন্দোলনে সম্মুখ সারিতে ছিল এবং ৫ই আগস্ট ২০২৪ পর এখনও পর্যন্ত যেই ছেলেটার নামে একটাও অসততার অভিযোগ আসেনি তার নাম মো. আবু সাদিক কায়েম।
আরও সতর্ক করে তিনি লেখেন, স্বাভাবিকভাবেই তাকে ও তার শুভানুধ্যায়ীদের নিয়ে অনেকে মুখরোচক চটকদার আলাপ তৈরি করবে। কিন্তু এসব আলাপ তৈরি করে কি নিজেদের গোপনতম সত্য লুকানো সম্ভব হবে?
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জানান, সাদিক কায়েম কখনও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ছিলেন না। তবে ৫ আগস্ট থেকে তিনি নিজেকে এই পরিচয়ে উপস্থাপন করছেন।
নাহিদ ইসলাম সেই পোস্টে লেখেন, শিবির নেতা সাদিক কায়েম সম্প্রতি একটা টকশোতে বলেছেন ছাত্রশক্তির গঠনপ্রক্রিয়ায় শিবির যুক্ত ছিল, শিবিরের ইনস্ট্রাকশনে আমরা কাজ করতাম। এটা মিথ্যাচার। ‘গুরুবার আড্ডা’ পাঠচক্রের সাথে জড়িত একটা অংশ এবং ঢাবি ছাত্র অধিকার থেকে পদত্যাগ করা একটা অংশ মিলে ছাত্রশক্তি গঠিত হয়। সাথে জাবির একটা স্টাডি সার্কেলও যুক্ত হয়। একটা নতুন ছাত্র সংগঠন প্রতিষ্ঠার জন্য গুরুবার আড্ডা পাঠচক্রে দীর্ঘসময় ধরে কাজ করা হয়েছে।
তিনি লেখেন, আমরা ক্যাম্পাসে আট বছর রাজনীতি করছি। ফলে প্রকাশ্য অপ্রকাশ্য সব সংগঠন ও নেতৃত্বকে আমরা চিনতাম এবং সকল পক্ষের সাথেই আমাদের যোগাযোগ ও সম্পর্ক ছিল। সেই কারণে ঢাবি শিবিরের সাথেও যোগাযোগ ছিল। যোগাযোগ, সম্পর্ক বা কখনো সহোযোগিতা করা মানে এই না যে তারা আমাদের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিল।
নাহিদ লেখেন দ্বিতীয়ত, সাদিক কায়েম বৈষম্যেবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনো সমন্বয়ক ছিলেন না। কিন্তু ৫ই অগাস্ট থেকে এই পরিচয় সে ব্যবহার করেছেন। অভ্যুত্থানে শিবিরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে সাদিক কাইয়ুমকে প্রেস ব্রিফিং এ বসার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু সাদিক কাইয়ুমরা অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ঢালাও প্রচারণা করেছে এই অভ্যুত্থান ঢাবি শিবিরই নেতৃত্ব দিসে, আমরা সামনে শুধু পোস্টার ছিলাম।
তিনি আরও লেখেন, অভ্যুত্থানে শিবিরের ভূমিকা কেউ অস্বীকার করে নাই। কিন্তু এই অভ্যুত্থান শিবিরের একক নয়, শিবিরের ইনস্ট্রাকশন বা ডিরেকশনও হয় নাই। আমরা সব পক্ষের সাথে যোগাযোগ করেই সিদ্ধান্ত নিতাম। আর কারা ক্ষমতার ভাগ বাঁটোয়ারা করতে চাইছে, গোষ্ঠী স্বার্থ রক্ষা করতে চাইছে সে বিষয়ে অন্যদিন বলবো।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- পর্নো তারকা থেকে কলম্বিয়ার সিনেটর দেইসি
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির সুযোগ, আবেদন ২০ আগস্ট পর্যন্ত
- ঢাবিতে ৩ শিক্ষক বরখাস্ত, ৪ জনের দায়িত্ব স্থগিত
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২ আগস্ট)
- চেয়ারম্যান-মেম্বার পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে যা জানা গেল
- বিনামূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, মিলবে দৈনিক ২০০ টাকা ভাতা
- ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপে অস্ট্রেলিয়ার মারডক বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ
- ঢাবির সূর্যসেন হলে সমকামিতার অভিযোগে দুইজন আটক
- দেশের বাজারে ফের বেড়েছে সোনার দাম
- ‘গুলশানের চামেলি’ তে যৌনকর্মীর দালাল অ্যাডলফ খান
- আজ শুক্রবার রাজধানীর যেসব মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ
- নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন চূড়ান্ত পর্যায়ে, যা জানালেন অর্থমন্ত্রী
- জাপানে সম্পূর্ণ ফ্রি স্কলারশিপে মাস্টার্স ও পিএইচডি করার সুযোগ
- বিজ্ঞান কারখানায় জব কার্ড অটোমেশন চালু করল ঢাবি
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ২৩ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হলো