ঢাকা, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩
আদানির কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ
ডুয়া ডেস্ক: ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যের গোড্ডায় নির্মিত আদানি গ্রুপের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়েছে এই সরবরাহ। বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট আছে।
প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়েছে ৮ এপ্রিল। আর দ্বিতীয় ইউনিটটি বন্ধ হয়েছে শুক্রবার গভীর রাত ১টার দিকে। ফলে, বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতির সৃষ্টি হয়েছে।
পিডিবি ও পিজিসিবি সূত্র বলছে, ‘আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সরবরাহ শুরু না হলে আগামীকাল রোববার লোডশেডিং আরও বাড়তে পারে। ঘাটতি মেটাতে পেট্রোবাংলার কাছে বাড়তি গ্যাস সরবরাহ চেয়েছে পিডিবি।’
বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাওয়ার গ্রিড পিএলসি বাংলাদেশ (পিজিসিবি) এবং বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তিনজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তাঁরা জানান, কেন্দ্রটি থেকে সর্বোচ্চ ১,৪০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছিল। ৮ এপ্রিলের পরও প্রতিদিন ৭৫০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছিল। তবে বর্তমানে কোনো বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে না। আজ শনিবার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় একটি ইউনিট পুনরায় চালু করার কথা রয়েছে।
আদানির এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত কয়লার মূল্য নিয়ে পিডিবি ও আদানির মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। এ নিয়ে আলোচনা চলছে দুই পক্ষের মধ্যে। আদানি আগেও বকেয়া পরিশোধের বিষয়ে পিডিবিকে একাধিকবার তাগিদ দিয়েছে। এমনকি একবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধও করে দেয় প্রতিষ্ঠানটি। পরে চলতি বিল নিয়মিত পরিশোধ করায় একটি ইউনিট আবার চালু করা হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে পিডিবি সম্পূর্ণ সরবরাহ চালু রাখার অনুরোধ জানায় এবং গত মার্চের শুরু থেকে কেন্দ্রটির দুটি ইউনিট থেকেই বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়।
পিডিবি ও পিজিসিবি সূত্র বলছে, ‘শনিবার ছুটির দিন থাকায় বিদ্যুতের চাহিদা অন্য দিনের চেয়ে কিছুটা কম আছে। আজ বেলা একটা পর্যন্ত সর্বোচ্চ চাহিদা উঠেছে ১৩ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। এ সময় ৩০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করা হয়েছে। আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সরবরাহ শুরু না হলে আগামীকাল লোডশেডিং আরও বাড়তে পারে। ঘাটতি মেটাতে পেট্রোবাংলার কাছে বাড়তি গ্যাস সরবরাহ চেয়েছে পিডিবি।’
আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মোট উৎপাদনক্ষমতা ১,৬০০ মেগাওয়াট। এতে দুটি ইউনিট রয়েছে, প্রতিটি ইউনিটের উৎপাদনক্ষমতা ৮০০ মেগাওয়াট। এই কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশ ২৫ বছরের জন্য কিনবে।
প্রথম ইউনিট থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয় ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে, আর দ্বিতীয় ইউনিটটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসে একই বছরের জুনে। ২০১৭ সালে আদানি গ্রুপের সঙ্গে এই বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। বর্তমানে এই চুক্তির শর্তাদি পর্যালোচনায় একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারি কমিটি কাজ করছে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি ম্যাচ শেষ-জেনে নিন ফলাফল
- গান-কবিতায় প্রাণবন্ত ডুপডা’র বৈশাখ উৎসব
- শিক্ষাবৃত্তি দেবে ইবনে সিনা ট্রাস্ট, আবেদন শুরু
- ঢাবি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের সিনেট সদস্য হলেন ৫ সংসদ সদস্য
- স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন
- ১২৩তম প্রাইজবন্ড ড্র: দেখে নিন কোন নম্বরগুলো জিতল
- ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামলো আরও ১০ ব্যাংক
- নতুন ট্রেন্ড: ক্রেয়ন স্টাইলে প্রোফাইল ছবি বানাবেন যেভাবে
- ১:৮ অনুপাতে নতুন পে স্কেল, বরাদ্দ ৩৫ হাজার কোটি টাকা
- জাপানের মেক্সট স্কলারশিপে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে আবেদন শুরু
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
- আর্থিক প্রতিবেদনে নয়ছয়: ৩ অডিট ফার্ম ও ৪ অডিটর নিষিদ্ধ
- এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের এপ্রিলের বেতন নিয়ে যা জানাল মাউশি
- বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন পরিচালক নজরুল ইসলাম