ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
ঈদে বাসা-বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তায় ডিএমপির যেসব নির্দেশনা
ডুয়া নিউজ : পবিত্র ঈদুল ফিতরে বাসা-বাড়ি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিপণি-বিতানের সার্বিক নিরাপত্তায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। পুলিশকে সহায়তা করার জন্য ইতোমধ্যে অক্সিলারি পুলিশ নিয়োগ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তারাও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
আজ বুধবার (১৯ মার্চ) বিকালে ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
ডিএমপির গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি ঈদে বাসা-বাড়ি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং বিপণি-বিতানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নগরবাসীকে কিছু নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া জরুরি প্রয়োজনে পুলিশি সহায়তা নিতে ডিএমপি কন্ট্রোল রুমের নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করার জন্য বলা হয়েছে: ০১৩২০-০৩৭৮৪৫, ০১৩২০-০৩৭৮৪৬, ২২৩৩৮১১৮৮, ০২৪৭১১৯৯৮৮, ০২৯৬১৯৯৯৯। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরেও সহায়তা পাওয়া যাবে।
ঈদে নিরাপত্তায় ডিএমপির নির্দেশনাগুলো হলো:
১. বাসা-বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, ব্যাংক-বীমাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিপণি-বিতানের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত নিরাপত্তা রক্ষীদের ডিউটি জোরদার করতে হবে এবং যেকোনো অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা নজরদারির ব্যবস্থা রাখতে হবে। সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারক করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে একসঙ্গে ছুটি না দিয়ে কিছু অংশকে নিরাপত্তার দায়িত্বে রেখে সার্বিক তদারকি নিশ্চিত করতে হবে।
২. বাসা-বাড়ি ও প্রতিষ্ঠান ত্যাগের পূর্বে দরজা-জানালা সঠিকভাবে তালাবদ্ধ করে যেতে হবে। প্রয়োজন হলে একাধিক তালা ব্যবহার করা যেতে পারে এবং দরজা-জানালা দুর্বল হলে তা মেরামত করে সুরক্ষিত করতে হবে।
৩. বাসা-বাড়ি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিপণি-বিতানে পর্যাপ্ত সংখ্যক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে এবং তা সচল রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।
৪. বাসা-বাড়ির মূল দরজায় অটোলক ও নিরাপত্তা অ্যালার্মযুক্ত তালা ব্যবহার করা যেতে পারে।
৫. রাতে বাসা ও প্রতিষ্ঠানের চারপাশ পর্যাপ্ত আলোকিত রাখতে হবে।
৬. অর্থ, মূল্যবান সামগ্রী ও দলিল নিরাপদ স্থানে বা নিকট আত্মীয়ের হেফাজতে রেখে যেতে হবে। প্রয়োজনে ব্যাংক লকারের সহায়তা নেওয়া যেতে পারে।
৭. বাসা-বাড়ি ত্যাগের পূর্বে প্রতিবেশী বা পাশের ফ্ল্যাটের অধিবাসীদের সতর্ক করে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে।
৮. ভাড়াটিয়াদের ঈদ উপলক্ষে বাসা ত্যাগের বিষয়টি আগে থেকে বাসার মালিককে জানাতে হবে।
৯. অনুমতি ব্যতীত কেউ যেন বাসা বা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করতে না পারে, নিরাপত্তাকর্মীকে সতর্ক করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে হবে।
১০. বাসা বা প্রতিষ্ঠানের সব ইলেকট্রিক লাইনের সুইচ, পানির ট্যাপ, গ্যাসের চুলা ইত্যাদি বন্ধ করা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে।
১১. বাসা বা প্রতিষ্ঠানের গাড়ির গ্যারেজ সুরক্ষিত রাখতে হবে।
১২. বাসার জানালা বা দরজার পাশে গাছ থাকলে অপরাধী যাতে শাখা-প্রশাখা ব্যবহার করে প্রবেশ না করতে পারে, সেগুলো কেটে ফেলতে হবে।
১৩. মহল্লা বা বাড়ির সামনে সন্দেহজনক কাউকে বা দুষ্কৃতকারীকে ঘোরাফেরা করতে দেখলে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ি বা থানাকে অবহিত করতে হবে।
১৪. ঈদে মহল্লা বা বাসায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তা স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ি বা থানাকে অবহিত করতে হবে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- না ফেরার দেশে চলে গেলেন জেমস
- স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বাংলাদেশ পোস্ট বেসিক গ্রাজুয়েট নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি স্টুডেন্ট কাউন্সিলের স্মারকলিপি
- শুধু আইফোনের জন্য নয়, অপ্রতীম হ/ত্যার পেছনে ছিল বিরোধও
- পাভেলকে ঘিরে ফের ভাইরাল পাঁচ মিনিটের ভিডিও
- রাস্তার পাশে গাড়ি পার্কিং না করার আহ্বান পরিবহন মালিক সমিতির
- শতবর্ষী ৮০৮ স্কুল-কলেজের তালিকা করল মাউশি
- নতুন পে স্কেলে কোন গ্রেডে কত বেতন, দেখুন এখানে
- সিগারেট নিয়ে নতুন বিধান জারি
- মিছিলের প্রস্তুতিকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৮ কর্মী আটক
- অপ্রতিম হ/ত্যার রহস্যময় তথ্য উন্মোচন করেছে পুলিশ
- আত্মহ/ত্যার আগে যা লিখেছিলেন এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী
- ঢাবিতে ৮ম কুইজ ফেস্ট ও ফ্রেশার্স রিসেপশন অনুষ্ঠিত
- নতুন পে স্কেলের বাইরে থাকছেন যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী
- ঢাবির ৬৪ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি
- আবারও লংমার্চের ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের