×

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢাবিতে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় আহত অন্তত পাঁচ শিক্ষার্থী

২০২৬ অক্টোবর ১৩ ১৫:০২:৩৮

ঢাবিতে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় আহত অন্তত পাঁচ শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ (এফবিএস) ও মলচত্বর-সংলগ্ন গেটের সামনে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় অন্তত পাঁচজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের (৩২তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী। তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

দুর্ঘটনায় জড়িত প্রাইভেট কারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষক ড. মো. শহিদুল ইসলামের। ঘটনার সময় তাঁর ছেলে সাদমান গাড়িটি চালাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. ইসরাফিল রতন জানিয়েছেন, গাড়িচালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, দুর্ঘটনার সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী রিকশায় করে যাচ্ছিলেন। অন্য কয়েকজন ছিলেন গেটের সামনে দাঁড়িয়ে। এ সময় দ্রুতগতিতে আসা প্রাইভেট কারটি তাঁদের সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে পাঁচ থেকে ছয়জন শিক্ষার্থী আহত হন। তাঁদের মধ্যে দুজনের পা কেটে রক্তক্ষরণ হয়। আরও কয়েকজন গুরুতর আঘাত পান। পরে আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

মার্কেটিং বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিম রহমান জানান, বিকট শব্দ শুনে তিনি রাস্তায় এসে দেখেন, একটি গাড়ি রিকশায় জোরে ধাক্কা দিয়েছে। এতে রিকশায় থাকা শিক্ষার্থীরা ছিটকে পড়েন এবং কয়েকজন আহত হন।

দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা গাড়িতে থাকা দুজনকে মারধর করেন এবং প্রাইভেট কারটি ভাঙচুর করেন বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী আহমেদ ইমতিয়াজ বলেন, গণিত বিভাগের শিক্ষক ড. মো. শহিদুল ইসলামের ছেলে সাদমান মার্কেটিং বিভাগের ৩২তম ব্যাচের ছয়জন শিক্ষার্থীকে গাড়িচাপা দিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, আহত সবাই গুরুতর অবস্থায় রয়েছেন এবং তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. ইসরাফিল রতন বলেন, এ ঘটনায় কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন এবং তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার শিকার শিক্ষার্থীরা এ ঘটনায় থানায় মামলা করবেন।

প্রক্টর আরও জানান, গাড়ি চালানোর সময় চালকের আসনে থাকা ছেলেটির ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না। তিনি এখনো প্রক্টর অফিসে আছেন। এ ধরনের ঘটনায় আইন অনুযায়ী যে শাস্তির বিধান রয়েছে, তা নিশ্চিত করা হবে।

ইমামুল

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

বিশ্ববিদ্যালয় এর অন্যান্য সংবাদ