×

ঢাকা, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

২০২৬ অক্টোবর ০২ ১৫:২২:২২

৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

স্পোর্টস ডেস্ক: আসিয়ান কাপে ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ। বড় ব্যবধানে পরাজয়ের পর জাতীয় ফুটবল দলকে ঘিরে সমালোচনার মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ছবিতে জাতীয় দলের দুই ফুটবলার সাদ উদ্দিন ও সোহেল রানাকে পানশালা বা নৈশক্লাবের পরিবেশে দেখা যায়।

ইন্দোনেশিয়ার এক তরুণী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটি প্রকাশ করার পর তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আসিয়ান কাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে নাকি পরে ছবিটি তোলা হয়েছিল, তা নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে।

সোহেল রানা অবশ্য জানিয়েছেন, ছবিটি ইন্দোনেশিয়ায় তোলা নয়। তাঁর ভাষ্য, ‘মোহামেডানে সাইন করার পর আমরা সম্পূর্ণ ফ্রি ছিলাম। জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরু হওয়ার আগেই নেপালে ঘুরতে গিয়েছিলাম। তখন একটি (লোডা) ক্লাবে তার সঙ্গে দেখা ও পরিচয় হয়েছিল। এটি জাকার্তা বা ইন্দোনেশিয়ায় নয়।’

এলেনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটি পোস্ট করে দাবি করেন, বাংলাদেশের ওই দুই ফুটবলারের সঙ্গে তাঁর একটি ‘এইচ ক্লাবে’ দেখা হয়েছিল। বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া ম্যাচ দেখতে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বলেও জানান তিনি। কৌতুক করে তিনি লেখেন, ‘যদি মাঠে গিয়ে আমাদের নিজস্ব জাতীয় দলের বদলে বাংলাদেশের জন্য চিয়ার করতাম, তবে বিষয়টি বেশ মজার হতো!’

ইন্দোনেশিয়ায় এলেনাকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি সাদ উদ্দিনও স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘নেপালে তার সাথে পরিচয়। জাকার্তা আসার পর তাকে খেলা দেখতে আসতে বলেছিলাম, সে আসেনি।’

নৈশক্লাবের ছবিটি নিয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সোহেল রানা নিজের ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। পেশাদার ফুটবলার হিসেবে এ ধরনের কর্মকাণ্ড শৃঙ্খলার পরিপন্থী হতে পারে—এ বিষয়টিও তিনি মেনে নিয়েছেন।

অন্যদিকে, ছবিটি কখন এবং কোন প্রেক্ষাপটে তোলা হয়েছে, তা না জেনে ভিন্ন ব্যাখ্যা দেওয়া ঠিক নয় বলে দাবি করেছেন সাদ উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘একটা বিষয়কে না জেনে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা ঠিক নয়। আগে-পেছনে তথ্য থাকতে পারে, আমাদের পরিবার রয়েছে, ব্যক্তিগত জীবন আছে। ঐ সময় ক্লাব কিংবা জাতীয় দলের কোনো খেলা কিংবা ক্যাম্প ছিল না।’

এর আগে ম্যাচ কমিশনারকে ধাক্কা দেওয়ার ঘটনায় সাদ উদ্দিনকে ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। পরে জাতীয় দলের স্বার্থ বিবেচনায় ফেডারেশনের ডিসিপ্লিনারি কমিটি ওই শাস্তি কমিয়ে ছয় ম্যাচ করে। এর ফলে জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ পান তিনি।

সাদ উদ্দিন ও সোহেল রানা দুজনই দাবি করেছেন, আসিয়ান কাপ চলাকালে ইন্দোনেশিয়ায় অবস্থানের সময় হোটেল থেকে বের হওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ ছিল।

ইমামুল

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত