ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
প্রাথমিকের নিয়োগপত্র না পেয়ে শাহবাগে প্রার্থীদের অবস্থান
নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল সচিবালয়ে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কারও সাক্ষাৎ পায়নি। পরে বেলা ৩টার পর তারা শাহবাগে আন্দোলনস্থলে ফিরে আসে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে রাজধানীর শাহবাগে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন নিয়োগপত্র বঞ্চিত প্রার্থীরা।
সকালে আন্দোলনকারীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে সমবেত হন। এরপর বেলা ১১টার দিকে মিছিল নিয়ে শাহবাগ থানার সামনে অবস্থান নেন তারা। সেখান থেকে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সচিবালয়ের উদ্দেশে যায়। তবে শিক্ষামন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের কারও সাক্ষাৎ না পেয়ে বেলা ৩টার পরে সচিবালয় ছাড়েন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রতিনিধি দলের সদস্য তানভীর রহমান বাপপা।
চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও যারা এখনো নিয়োগপত্র পাননি, তাদের দ্রুত নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবি আন্দোলনকারীদের। এ দাবিতেই তারা শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। ‘চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক-২০২৫’ নামের একটি প্ল্যাটফর্মের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ভেরিফিকেশনে সর্বশেষ পাওয়া তথ্যমতে প্রায় ১৫ শতাধিক প্রার্থীর নিয়োগপত্র ইস্যু হয়নি।
বিভিন্ন জেলায় নিয়োগপত্র না পাওয়ায় প্রার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের বিষয়ে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সভায় নিয়োগপত্র পাওয়া নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জানানো হয়। বলা হয়, ১ অক্টোবর পর্যন্ত উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কেউ নিয়োগপত্র না পেলে যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তী সময়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র পাঠানো হবে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভেরিফিকেশন বা ভেটিং একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া বলেও সভায় উল্লেখ করা হয়।
গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পার্বত্য তিন জেলা বাদে ওই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়।
এরপর ৮ ফেব্রুয়ারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়। একই সঙ্গে জেলা অনুযায়ী উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হয়। তবে বিভিন্ন জেলায় শত শত প্রার্থী নিয়োগপত্র না পাওয়ায় তাদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে দ্রুত নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবিতে তারা শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ
- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে ৫৩৮ পদে নিয়োগ, আবেদনের শেষ সময় ৬ অক্টোবর
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৫ অক্টোবর)
- মেসির শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ, বাংলাদেশে দেখবেন যেভাবে
- পে স্কেল বাস্তবায়নে মাউশির নতুন নির্দেশনা
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ১০ দিনের ছুটির সুযোগ
- বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষকদের সেপ্টেম্বরের বেতন-ভাতার চেক ছাড়
- ব্রাজিল বনাম ভারত: সরাসরি দেখুন এখানে
- আজকের নামাজের সময়সূচি (২ অক্টোবর)
- ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল
- শিশুশ্রম বন্ধে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের
- যে কারণে স্থগিত বাংলাদেশ-পাকিস্তান চ্যাম্পিয়ন্স ম্যাচ
- এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে স্কেল নিয়ে যা জানা গেল
- ১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়ল
- বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার