ঢাকা, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপণ জারি
নিজস্ব প্রতিবেদক:দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নতুন বেতন কাঠামোর এই প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ বিভাগ।
গত সোমবার (৩১ আগস্ট) নতুন বেতন কাঠামোর খসড়ার একটি অংশ ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিল অর্থ বিভাগ। পরে খসড়ার বাকি অংশও পাঠানো হয়। আইন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পর প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়। এক দশকের বেশি সময় পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হতে যাচ্ছে। এতে গ্রেড অনুযায়ী মূল বেতন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। প্রথম থেকে ১১তম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ বেড়েছে। অর্থাৎ এসব গ্রেডে আগের তুলনায় মূল বেতন দ্বিগুণ হয়েছে।
নতুন কাঠামোয় সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এ গ্রেডে ৮ হাজার ২৫০ টাকা মূল বেতন বেড়ে হয়েছে ২০ হাজার টাকা। আর প্রথম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন পে-স্কেল একবারে বাস্তবায়িত হবে না; মোট তিন ধাপে তা কার্যকর করা হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন বেতন কাঠামো চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে গণ্য হবে। অর্থাৎ জুলাই মাসকে কার্যকারিতার তারিখ ধরে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলের সুবিধা পাবেন। এই কাঠামো বাস্তবায়নে প্রায় ২৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য সরকারের বছরে অতিরিক্ত ব্যয় হবে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা।
নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০২৫ সালে। সে সময় সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার ‘জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫’ গঠন করেছিল। কমিশন গত ২২ জানুয়ারি সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। এতে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়।
কমিশনের সুপারিশে বিদ্যমান সর্বনিম্ন বেতন স্কেল ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সর্বোচ্চ ধাপ ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার কথাও বলা হয়। পাশাপাশি বৈশাখী ভাতা বর্তমানের ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ ছিল। যাতায়াত ভাতা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ১০ম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত ব্যাপক সংস্কারের প্রস্তাব করা হয়েছিল।
এরপর বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর চলতি বছরের ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির সুপারিশ বিবেচনায় নিয়ে নতুন বেতন কাঠামোর অনুমোদন দেওয়া হয়। গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী বিদ্যমান ২০টি গ্রেডই বহাল রাখা হয়েছে। নতুন কাঠামোয় নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন তুলনামূলক বেশি হারে বাড়ানো হয়েছে।
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা
- চলতি মাসে টানা চার দিনের ছুটির সুযোগ
- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে ৫৩৮ জন নিয়োগ, আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর
- ছবিতে সাফল্য আর বাস্তবে সংগ্রাম, প্রবাস জীবনের অদেখা গল্প
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপানি ভাষা বিষয়ক `NAT-Test`সেবা চালুর লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
- একাদশ শ্রেণির ভর্তির ফল প্রকাশ আজ, যেভাবে দেখবেন
- মব হেনস্তার প্রতিবাদে ঢাবির ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাখ্যান তাহসিনের
- নটর ডেম কলেজের একাদশের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
- পাভেলকে ঘিরে ফের ভাইরাল পাঁচ মিনিটের ভিডিও
- যে কারণে বিলম্ব হচ্ছে পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ
- মিছিলের প্রস্তুতিকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৮ কর্মী আটক
- একাদশে ভর্তি আবেদনের সময়সীমা শেষ হচ্ছে কখন
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৫ সেপ্টেম্বর)
- আরও ৯০ দিন মেয়াদ বাড়ল ডাকসুর
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ, আবেদন ১২ অক্টোবর পর্যন্ত