ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

ফাইনালে লাল কার্ডের অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়ল আর্জেন্টিনা

২০২৬ জুলাই ২১ ১২:৫২:০২

ফাইনালে লাল কার্ডের অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়ল আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক: স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপের শিরোপা হাতছাড়া করার পাশাপাশি নতুন এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডও গড়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের শেষদিকে মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড দেখায় বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি লাল কার্ড দেখা দলের তালিকায় এককভাবে শীর্ষে উঠে এসেছে আলবিসেলেস্তেরা।

ক্রীড়াবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘স্পোর্টস মোল’-এর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে কোনো একটি দেশের খেলোয়াড়দের মোট তিনটি লাল কার্ড দেখার ঘটনা এবারই প্রথম। এই রেকর্ডের মালিক এখন আর্জেন্টিনা।

ফাইনালে রেফারি স্ল্যাভকো ভিনচিচের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শনের দায়ে প্রথমে হলুদ কার্ড দেখেন চেলসির মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। পরে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে অতিরিক্ত সময়ের তৃতীয় মিনিটে স্পেনের ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সির ওপর অপ্রয়োজনীয় ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন তিনি। ফলে লাল কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

সেই সময় ম্যাচকে টাইব্রেকারে নেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছিল লিওনেল স্কালোনির দল। তবে এনজোর বিদায়ে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা।

এরপর ১০৬তম মিনিটে নিকো উইলিয়ামসের দারুণ নকডাউন থেকে সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেস। সেই গোলেই দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে ভাসে স্পেন।

ম্যাচে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগও ছিল নিষ্প্রভ। পুরো ৯০ মিনিটে প্রতিপক্ষের পোস্ট লক্ষ্য করে একটি শটও রাখতে পারেনি দলটি।

বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড দেখা আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের তালিকায় এনজো ফার্নান্দেজ যোগ দিলেন পেদ্রো মনজোন ও গুস্তাভো দেজোত্তির সঙ্গে। তারা দুজনই ১৯৯০ সালের ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে ১-০ গোলে হারের ম্যাচে লাল কার্ড দেখেছিলেন। এতদিন বিশ্বকাপ ফাইনালে কোনো একটি দলের খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ দুটি লাল কার্ডের রেকর্ড ছিল আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের যৌথ দখলে।

ফ্রান্সের হয়ে ১৯৯৮ সালের ফাইনালে মার্সেল দেসাই এবং ২০০৬ সালের ফাইনালে মার্কো মাতেরাজ্জিকে মাথা দিয়ে আঘাত করার ঘটনায় জিনেদিন জিদান লাল কার্ড দেখেছিলেন। তবে রোববারের (১৯ জুলাই) ঘটনার পর সেই তালিকায় এককভাবে শীর্ষে উঠে এসেছে আর্জেন্টিনা।

এই পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার হতাশার ইতিহাসও আরও দীর্ঘ হয়েছে। ১৯৩০, ১৯৯০ ও ২০১৪ সালের পর এবারও ফাইনালে হেরে দলটির রানার্সআপ হওয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চারটিতে। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটি জার্মানির সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ফাইনাল হারার রেকর্ড। অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার ঝুলিতে রয়েছে তিনটি বিশ্বকাপ শিরোপা-১৯৭৮, ১৯৮৬ ও ২০২২ সালে অর্জিত।

ইমামুল

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

ফের বিশ্ববাজারে কমল স্বর্ণের দাম

ফের বিশ্ববাজারে কমল স্বর্ণের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলার ছাড়িয়েছে। এর ফলে... বিস্তারিত