ঢাকা, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ফাইনালে লাল কার্ডের অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়ল আর্জেন্টিনা
স্পোর্টস ডেস্ক: স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপের শিরোপা হাতছাড়া করার পাশাপাশি নতুন এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডও গড়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের শেষদিকে মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড দেখায় বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি লাল কার্ড দেখা দলের তালিকায় এককভাবে শীর্ষে উঠে এসেছে আলবিসেলেস্তেরা।
ক্রীড়াবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘স্পোর্টস মোল’-এর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে কোনো একটি দেশের খেলোয়াড়দের মোট তিনটি লাল কার্ড দেখার ঘটনা এবারই প্রথম। এই রেকর্ডের মালিক এখন আর্জেন্টিনা।
ফাইনালে রেফারি স্ল্যাভকো ভিনচিচের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শনের দায়ে প্রথমে হলুদ কার্ড দেখেন চেলসির মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। পরে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে অতিরিক্ত সময়ের তৃতীয় মিনিটে স্পেনের ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সির ওপর অপ্রয়োজনীয় ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন তিনি। ফলে লাল কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।
সেই সময় ম্যাচকে টাইব্রেকারে নেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছিল লিওনেল স্কালোনির দল। তবে এনজোর বিদায়ে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা।
এরপর ১০৬তম মিনিটে নিকো উইলিয়ামসের দারুণ নকডাউন থেকে সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেস। সেই গোলেই দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে ভাসে স্পেন।
ম্যাচে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগও ছিল নিষ্প্রভ। পুরো ৯০ মিনিটে প্রতিপক্ষের পোস্ট লক্ষ্য করে একটি শটও রাখতে পারেনি দলটি।
বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড দেখা আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের তালিকায় এনজো ফার্নান্দেজ যোগ দিলেন পেদ্রো মনজোন ও গুস্তাভো দেজোত্তির সঙ্গে। তারা দুজনই ১৯৯০ সালের ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে ১-০ গোলে হারের ম্যাচে লাল কার্ড দেখেছিলেন। এতদিন বিশ্বকাপ ফাইনালে কোনো একটি দলের খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ দুটি লাল কার্ডের রেকর্ড ছিল আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের যৌথ দখলে।
ফ্রান্সের হয়ে ১৯৯৮ সালের ফাইনালে মার্সেল দেসাই এবং ২০০৬ সালের ফাইনালে মার্কো মাতেরাজ্জিকে মাথা দিয়ে আঘাত করার ঘটনায় জিনেদিন জিদান লাল কার্ড দেখেছিলেন। তবে রোববারের (১৯ জুলাই) ঘটনার পর সেই তালিকায় এককভাবে শীর্ষে উঠে এসেছে আর্জেন্টিনা।
এই পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার হতাশার ইতিহাসও আরও দীর্ঘ হয়েছে। ১৯৩০, ১৯৯০ ও ২০১৪ সালের পর এবারও ফাইনালে হেরে দলটির রানার্সআপ হওয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চারটিতে। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটি জার্মানির সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ফাইনাল হারার রেকর্ড। অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার ঝুলিতে রয়েছে তিনটি বিশ্বকাপ শিরোপা-১৯৭৮, ১৯৮৬ ও ২০২২ সালে অর্জিত।
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- BANZI নির্বাচন: জয়-পরাজয়ের বাইরে কমিউনিটির আমানত ও প্রত্যাশা
- প্রজ্ঞাপনের আগে পে স্কেলের বেতন তালিকা
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফল আজ
- পে স্কেল নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি দিল অর্থ মন্ত্রণালয়
- সাত কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফরম পূরণ স্থগিত
- দুর্নীতিবাজ-সন্ত্রাসীদের দলে জায়গা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ রিলিজ স্লিপের ফল প্রকাশ
- জুলাই থেকেই কার্যকর নতুন পে স্কেল, বকেয়া পাবেন যেভাবে
- জেনে নিন একাদশ-আলিমে ভর্তির আবেদন পদ্ধতি
- হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষে ৪৩ জনের চাকরির সুযোগ
- ফের কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ৭১১৫ টাকা
- ঢাবিসহ ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ
- আজ ঢাকায় সর্বোচ্চ লোডশেডিং, কোন এলাকায় কত
- এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুখবর
- আজকের খেলার সময়সূচি (৩১ আগস্ট)