ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
৬৬ কোটি ৯০ লাখ টাকা পেল সাড়ে ৪ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও প্রয়োজনীয় মেরামত কাজের জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত পরিচালন বাজেট থেকে ৪ হাজার ৪৬০টি বিদ্যালয়ের অনুকূলে ৬৬ কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বুধবার (১৭ জুন) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের জন্য নির্ধারিত কোড ৩২৫৮১০৮ (অন্যান্য ভবন ও স্থাপনা) খাতে বরাদ্দকৃত ২০৪ কোটি টাকা থেকে সংযুক্ত তালিকা অনুযায়ী ৪ হাজার ৪৬০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য শর্তসাপেক্ষে ৬৬ কোটি ৯০ লাখ টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আয়ন-বায়ন কর্মকর্তা, অর্থাৎ উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের ওই অর্থ উত্তোলন ও ব্যয়ের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
বরাদ্দপ্রাপ্ত অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারের বিদ্যমান সব আর্থিক বিধি-বিধান ও নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের ২০ মে ২০১৩ এবং ২২ মে ২০১৯ তারিখে জারি করা নীতিমালার আলোকে অর্থ ব্যয় করতে হবে এবং কোনো ধরনের বিভাজন অনুসরণ না করে ব্যয় করা যাবে না।
এতে আরও বলা হয়, বরাদ্দকৃত অর্থ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত পরিচালন বাজেটের আওতায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের অন্যান্য ভবন ও স্থাপনা খাতের ২০৪ কোটি টাকা থেকে সমন্বয় করা হবে। ভ্যাট পরিশোধের প্রমাণপত্র সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক এবং এ বিষয়ে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়ভার বহন করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ৩০ জুন ২০২৬ সালের মধ্যে বিদ্যালয়গুলোর মেরামত ও সংস্কারকাজ সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে অর্থ বরাদ্দ, ব্যয় এবং অব্যয়িত অর্থের বিস্তারিত হিসাব প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা নিশ্চিত করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়-দায়িত্ব বহন করতে হবে।
এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের ২০ মে ২০১৩ তারিখের নীতিমালার ১(৭) শর্ত প্রযোজ্য হবে। কাজের মান ও সময়সীমা নিশ্চিত করতে উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রধান শিক্ষক এবং স্কুল ম্যানেজিং কমিটিকে (এসএমসি) নিবিড় তদারকি করতে হবে।
কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে থাকবেন সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় উপপরিচালক (প্রাথমিক শিক্ষা), জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি)। পাশাপাশি অডিটের স্বার্থে সব বিল-ভাউচার সংরক্ষণ করতে হবে এবং অব্যয়িত অর্থ আগামী ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
- ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা
- চলতি মাসে টানা চার দিনের ছুটির সুযোগ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১১ সেপ্টেম্বর)
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপানি ভাষা বিষয়ক `NAT-Test`সেবা চালুর লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে ৫৩৮ জন নিয়োগ, আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর
- মব হেনস্তার প্রতিবাদে ঢাবির ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাখ্যান তাহসিনের
- ছবিতে সাফল্য আর বাস্তবে সংগ্রাম, প্রবাস জীবনের অদেখা গল্প
- নটর ডেম কলেজের একাদশের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
- যে কারণে বিলম্ব হচ্ছে পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ
- পে-স্কেলের গেজেট কেন প্রকাশ হচ্ছে না, জানা গেল রহস্যময় তথ্য
- দুই মন্ত্রীর দায়িত্ব বাড়াল সরকার
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১২ সেপ্টেম্বর)
- একাদশে ভর্তি আবেদনের সময়সীমা শেষ হচ্ছে কখন
- রোববার বিদ্যুৎ থাকবে না অর্ধশতাধিক এলাকায়