ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
৬৬ কোটি ৯০ লাখ টাকা পেল সাড়ে ৪ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও প্রয়োজনীয় মেরামত কাজের জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত পরিচালন বাজেট থেকে ৪ হাজার ৪৬০টি বিদ্যালয়ের অনুকূলে ৬৬ কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বুধবার (১৭ জুন) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের জন্য নির্ধারিত কোড ৩২৫৮১০৮ (অন্যান্য ভবন ও স্থাপনা) খাতে বরাদ্দকৃত ২০৪ কোটি টাকা থেকে সংযুক্ত তালিকা অনুযায়ী ৪ হাজার ৪৬০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য শর্তসাপেক্ষে ৬৬ কোটি ৯০ লাখ টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আয়ন-বায়ন কর্মকর্তা, অর্থাৎ উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের ওই অর্থ উত্তোলন ও ব্যয়ের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
বরাদ্দপ্রাপ্ত অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারের বিদ্যমান সব আর্থিক বিধি-বিধান ও নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের ২০ মে ২০১৩ এবং ২২ মে ২০১৯ তারিখে জারি করা নীতিমালার আলোকে অর্থ ব্যয় করতে হবে এবং কোনো ধরনের বিভাজন অনুসরণ না করে ব্যয় করা যাবে না।
এতে আরও বলা হয়, বরাদ্দকৃত অর্থ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত পরিচালন বাজেটের আওতায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের অন্যান্য ভবন ও স্থাপনা খাতের ২০৪ কোটি টাকা থেকে সমন্বয় করা হবে। ভ্যাট পরিশোধের প্রমাণপত্র সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক এবং এ বিষয়ে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়ভার বহন করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ৩০ জুন ২০২৬ সালের মধ্যে বিদ্যালয়গুলোর মেরামত ও সংস্কারকাজ সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে অর্থ বরাদ্দ, ব্যয় এবং অব্যয়িত অর্থের বিস্তারিত হিসাব প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা নিশ্চিত করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়-দায়িত্ব বহন করতে হবে।
এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের ২০ মে ২০১৩ তারিখের নীতিমালার ১(৭) শর্ত প্রযোজ্য হবে। কাজের মান ও সময়সীমা নিশ্চিত করতে উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রধান শিক্ষক এবং স্কুল ম্যানেজিং কমিটিকে (এসএমসি) নিবিড় তদারকি করতে হবে।
কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে থাকবেন সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় উপপরিচালক (প্রাথমিক শিক্ষা), জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি)। পাশাপাশি অডিটের স্বার্থে সব বিল-ভাউচার সংরক্ষণ করতে হবে এবং অব্যয়িত অর্থ আগামী ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৭ অক্টোবর)
- বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগ, আবেদন করবেন যেভাবে
- না ফেরার দেশে চলে গেলেন ‘সিআইডি’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৩১ অক্টোবর)
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৯৫ পদে নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৮ অক্টোবর)
- মালয়েশিয়ায় কাজ করতে ইচ্ছুকদের সুখবর দিল সরকার
- নভেম্বরের শুরুতে টানা তিন দিনের ছুটি পাচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা
- ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ
- ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তনে আবেদন করবেন যেভাবে, জানুন বিস্তারিত
- এইচএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল কবে, জানাল বোর্ড
- ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলায় অভিযুক্ত এমপির ছেলেকে যুবদল থেকে বহিষ্কার
- সরাসরি মৌখিক পরীক্ষায় এনজিওতে চাকরির সু্যোগ, বেতন ২৫-৬০ হাজার
- ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার তারিখ জেনে নিন
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (০১ নভেম্বর)