ঢাকা, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
রাবিতে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ স্লোগানের পাশে ছাত্রশিবিরের ফটোসেশন
নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দেয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে পাল্টাপাল্টি অবস্থান সামনে এসেছে। ছাত্রদলের ‘গুপ্ত রাজনীতি নিষিদ্ধ চাই’ স্লোগানের পাশেই ফটোসেশন করেছে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা, যা ক্যাম্পাসে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির পাশের দেয়াল লিখনে ফটোসেশন করতে দেখা যায় শাখা ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের।
এ বিষয়ে শাখা ছাত্রশিবিরের দাওয়াহ সম্পাদক ও মতিহার হল সংসদের ভিপি তাজুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্রশিবির গুপ্ত নয়। আমরা ক্যাম্পাসে ক্যারিয়ার গাইডলাইন, প্রকাশনা উৎসব, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, গোল টেবিল বৈঠক, নববর্ষ প্রদর্শনী উৎসবসহ বিভিন্ন প্রোগ্রাম করেছি। সেখানে আমাদের নেতা-কর্মীরা ওপেনে উপস্থিত ছিলেন। আমাদের নেতা-কর্মীরা রাকসু ও হল সংসদে নির্বাচিত হয়েছে। তারা সবাই তো ক্যাম্পাসে সবার সামনে রাজনীতি করে। তাহলে ছাত্রশিবির গুপ্ত হলো কীভাবে?’
তিনি আরও বলেন, ‘যারা গত ১৭ বছর গুপ্ত রাজনীতি করেছে, তারাই এখন গুপ্ত শব্দটি ব্যবহার করে। ছাত্রশিবির তো কখনো গুপ্ত ছিল না। আমাদের কোনো নেতাকর্মী লন্ডনে পালিয়ে ছিল না। আমরা গত ১৭ বছর দেশের মাটিতেই জেল-জুলুমের শিকার হয়েছি। এখন যারা লন্ডন থেকে এসে রাজনৈতি করছে, তাদের এত নেতাকর্মীরা আগে কোথায় ছিল?’
বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, ‘আমরা এদিক দিয়ে চা খেতে যাচ্ছিলাম। ছাত্রদলের ভাইয়েরা এটা কষ্ট করে লিখেছে, এজন্যই ছবি তোলা। আমরা তাদের দাবির সঙ্গে একমত। এদেশে গুপ্ত রাজনীতি করার কোনো সুযোগ নেই। দেশে থেকে দেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এদেশে রাজনীতি করতে হলে দেশে থেকেই করতে হবে। জেল-জুলুম সহ্য করতে হবে। যারা কোনো বিপদ দেখলে লন্ডনে পালিয়ে যায়। বাংলাদেশের মানুষ আর তাদের গুপ্ত রাজনীতি চায় না। দেশ থেকে পালিয়ে লন্ডন বা ইন্ডিয়া গিয়ে গুপ্ত রাজনীতি করার আর কোনো সুযোগ নেই। আমরা এর অবসান চাই।’
উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম সিটি কলেজে দেয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষের প্রতিবাদে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল করেন শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরবর্তীতে আজ সকালে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতিকে ‘গুপ্ত’ আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধের দাবিতে ক্যাম্পাসে দেয়াল লিখন কর্মসূচি পালন করেন তারা।
ঘটনাটি ঘিরে ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়লেও উভয় পক্ষই নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে এবং বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
- ১১-২০ গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষায় নতুন মানবণ্টন
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৬ সেপ্টেম্বর)
- মেসির দুই সহায়তাতেও আটলান্টার সঙ্গে ড্র ইন্টার মিয়ামির
- ‘সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিলটি কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক’
- পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
- ফেল বিরোধীদলের ওয়াকআউট
- ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর ৩০ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ
- বক্তৃতায় দায় সারছে কমিশন, ধসের মুখে পড়েছে বাজার
- মেঘনা গ্রুপে বিভিন্ন পদে চাকরির সুযোগ
- সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা ডিজিটাল ঋণ চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক
- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের ভাইভার তারিখ প্রকাশ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৭ সেপ্টেম্বর)