ঢাকা, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
জাকাতের টাকা এনে ডাকসুর উন্নয়ন হয়েছে কি না, প্রশ্ন ছাত্রদল নেতার
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এতিম-মিসকিন সাজিয়ে বহির্বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে জাকাতের টাকা এনে ডাকসুর উন্নয়নকাজে ব্যয় করা হয়েছে কি না, এমন প্রশ্ন তুলেছেন ঢাবি ছাত্রদল নেতা শেখ তানভীর বারী হামীম।
সম্প্রতি জাতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ছাত্রদলের এই নেতা।
তানভীর বারী হামীম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও ডাকসু ৩৫ কোটি টাকার কাজ করেছে বলে দাবি করছে।’
ডাকসুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘বহির্বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মিসকিন-এতিম সাজিয়ে জাকাতের টাকা এনে এখানে উন্নয়ন করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে আমার ঘোরতর সন্দেহ হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘তাদের মাদার অর্গানাইজেশন জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনের আগে বলেছিল, তারা নির্বাচিত হলে বহির্বিশ্বের যাকাতের টাকা এনে দেশের মানুষকে সহযোগিতা করবে। আমার মনে হচ্ছে, ডাকসুতে যারা শিবিরের নেতৃবৃন্দ, তারা বহির্বিশ্বের বিভিন্ন আরব দেশের কাছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মিসকিন-এতিম সাজিয়ে সেই জায়গা থেকে টাকা এনে এখানে উন্নয়ন করেছে কি না।’
ডাকসুর বিভিন্ন উন্নয়নকাজের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ঐতিহ্যবাহী মসজিদে উন্নয়ন করা হয়েছে। ডাকসু ভবনে যেখানে ফ্যান ছিল, সেখানে এসি লাগানো হয়েছে। পাশাপাশি পাঠাগারেও উন্নয়নকাজ করা হয়েছে। এসব কাজে বিভিন্ন কোম্পানির সিএসআর ফান্ড অথবা বহির্বিশ্বের বিভিন্ন দেশের যাকাতের অর্থ আনা হয়েছে কি না, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
ঢাবি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তানভীর বারী হামীম বলেন, ‘আপনারা ডাকসুর নেতৃবৃন্দের কাছে প্রশ্ন করবেন, ৩৫ লাখ টাকা বরাদ্দ নিয়ে ৩৫ কোটি টাকা কোথা থেকে পেলেন। তার একটি সোজা হিসাব-নিকাশ আপনাদের দেওয়া উচিত। কারণ এই ফান্ডিং কোথা থেকে আসল, কী সাজিয়ে আমাদেরকে আনল তা জানতে হবে।’
গত রমজানে ইফতার দেওয়ার সময় একজন তুর্কি নাগরিককে এনে নগদ টাকা দেওয়ার প্রসঙ্গেও অভিযোগ তোলেন তিনি। তানভীর বলেন, ‘আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে, গত রোজার মাসে তারা ইফতারি দেওয়ার সময় এক তুর্কি লোককে এনে নগদ টাকা দিয়েছিল, জাকাতের টাকা।’
তিনি বলেন, ‘ঠিক একইভাবে আজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের, আমরা যারা মেরুদণ্ডওয়ালা শিক্ষার্থী, যারা বাংলাদেশের বিবেক সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এতিম-মিসকিন বানানো হলো কি না, এই প্রশ্ন আমার মনে এসেছে।’
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- ১১-২০ গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষায় নতুন মানবণ্টন
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৬ সেপ্টেম্বর)
- মেসির দুই সহায়তাতেও আটলান্টার সঙ্গে ড্র ইন্টার মিয়ামির
- ‘সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিলটি কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক’
- পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
- ফেল বিরোধীদলের ওয়াকআউট
- ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর ৩০ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ
- বক্তৃতায় দায় সারছে কমিশন, ধসের মুখে পড়েছে বাজার
- মেঘনা গ্রুপে বিভিন্ন পদে চাকরির সুযোগ
- সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা ডিজিটাল ঋণ চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক
- ছাদখোলা গাড়িতে লংমার্চে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, গাড়িটি কার?
- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের ভাইভার তারিখ প্রকাশ