ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩
জাকাতের টাকা এনে ডাকসুর উন্নয়ন হয়েছে কি না, প্রশ্ন ছাত্রদল নেতার
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এতিম-মিসকিন সাজিয়ে বহির্বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে জাকাতের টাকা এনে ডাকসুর উন্নয়নকাজে ব্যয় করা হয়েছে কি না, এমন প্রশ্ন তুলেছেন ঢাবি ছাত্রদল নেতা শেখ তানভীর বারী হামীম।
সম্প্রতি জাতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ছাত্রদলের এই নেতা।
তানভীর বারী হামীম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও ডাকসু ৩৫ কোটি টাকার কাজ করেছে বলে দাবি করছে।’
ডাকসুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘বহির্বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মিসকিন-এতিম সাজিয়ে জাকাতের টাকা এনে এখানে উন্নয়ন করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে আমার ঘোরতর সন্দেহ হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘তাদের মাদার অর্গানাইজেশন জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনের আগে বলেছিল, তারা নির্বাচিত হলে বহির্বিশ্বের যাকাতের টাকা এনে দেশের মানুষকে সহযোগিতা করবে। আমার মনে হচ্ছে, ডাকসুতে যারা শিবিরের নেতৃবৃন্দ, তারা বহির্বিশ্বের বিভিন্ন আরব দেশের কাছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মিসকিন-এতিম সাজিয়ে সেই জায়গা থেকে টাকা এনে এখানে উন্নয়ন করেছে কি না।’
ডাকসুর বিভিন্ন উন্নয়নকাজের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ঐতিহ্যবাহী মসজিদে উন্নয়ন করা হয়েছে। ডাকসু ভবনে যেখানে ফ্যান ছিল, সেখানে এসি লাগানো হয়েছে। পাশাপাশি পাঠাগারেও উন্নয়নকাজ করা হয়েছে। এসব কাজে বিভিন্ন কোম্পানির সিএসআর ফান্ড অথবা বহির্বিশ্বের বিভিন্ন দেশের যাকাতের অর্থ আনা হয়েছে কি না, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
ঢাবি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তানভীর বারী হামীম বলেন, ‘আপনারা ডাকসুর নেতৃবৃন্দের কাছে প্রশ্ন করবেন, ৩৫ লাখ টাকা বরাদ্দ নিয়ে ৩৫ কোটি টাকা কোথা থেকে পেলেন। তার একটি সোজা হিসাব-নিকাশ আপনাদের দেওয়া উচিত। কারণ এই ফান্ডিং কোথা থেকে আসল, কী সাজিয়ে আমাদেরকে আনল তা জানতে হবে।’
গত রমজানে ইফতার দেওয়ার সময় একজন তুর্কি নাগরিককে এনে নগদ টাকা দেওয়ার প্রসঙ্গেও অভিযোগ তোলেন তিনি। তানভীর বলেন, ‘আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে, গত রোজার মাসে তারা ইফতারি দেওয়ার সময় এক তুর্কি লোককে এনে নগদ টাকা দিয়েছিল, জাকাতের টাকা।’
তিনি বলেন, ‘ঠিক একইভাবে আজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের, আমরা যারা মেরুদণ্ডওয়ালা শিক্ষার্থী, যারা বাংলাদেশের বিবেক সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এতিম-মিসকিন বানানো হলো কি না, এই প্রশ্ন আমার মনে এসেছে।’
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ৬৪ জেলায় পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগ, আবেদন ১৩ অক্টোবর
- আধুনিক প্রযুক্তিতে শিল্প এগিয়ে নিতে হবে: রিজভী
- এস আলমের কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল
- প্রবাসের ঠিকানা বদলায় শিকড়ের পরিচয় নয়
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স তৃতীয় বর্ষের রুটিন প্রকাশ, দেখুন এখানে
- প্রধান শিক্ষক নিয়োগে হাইকোর্টের রায় স্থগিত
- জাবির জঙ্গলে গভীর রাতে তিন নারীসহ পাঁচ বহিরাগত আটক
- ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানা গেল
- ফ্যামিলি কার্ডের আশায় টিপসই দিয়ে ‘বিয়ে হয়ে গেল’ আছিয়ার
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৮ অক্টোবর)
- দৈনন্দিন একাডেমিক কার্যক্রম সহজকরণে 'ক্লাসট্যাবলেট'
- বুয়েটে ২৪ পদে নিয়োগ, আবেদন ১১ নভেম্বর পর্যন্ত
- শেখ হাসিনার ফেরার ঘোষণায় দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযান
- বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাবির ২২ শিক্ষক-গবেষক
- বিআরটিসির নতুন চেয়ারম্যান মীর আহমেদ তারিকুল ওমর