ঢাকা, সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ভবিষ্যতের এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ: প্রধান উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের এক ‘ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। এই নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর করতে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সেনাসদরে সশস্ত্র বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন এবং নির্বাচনকালীন দায়িত্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “দীর্ঘদিন ভোটাধিকার বঞ্চিত একটি জাতি চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নতুন আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছে। এই নির্বাচনে তরুণদের একটি বিশাল অংশ প্রথমবারের মতো ভোট দেবে। কোনো প্রকার ভয়ভীতি বা প্রভাব ছাড়াই প্রত্যেক নাগরিক যেন ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের ঐতিহাসিক দায়িত্ব। প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে এ কাজে সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সহায়তা দিতে হবে।”
মাঠপর্যায়ে নিয়োজিত সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনাদের প্রতিটি সিদ্ধান্ত হতে হবে আইনসম্মত, সংযত ও দায়িত্বশীল। সামান্য বিচ্যুতিও যেন জনগণের আস্থাকে ক্ষুণ্ন না করে—সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।”
বিগত ফ্যাসিস্ট শাসনামলে সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা উপেক্ষিত ছিল উল্লেখ করে প্রফেসর ইউনূস জানান, বর্তমান সরকার একে যুগোপযোগী করে গড়ে তোলাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি বলেন, “সশস্ত্র বাহিনীর স্বনির্ভরতা বাড়াতে আমরা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সামরিক অস্ত্র ও সরঞ্জাম তৈরির কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু করেছি।”
তিনি আরও জানান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষে ইতোমধ্যে নেদারল্যান্ডস ও মালয়েশিয়ার সাথে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়া ইতালি, জাপান ও থাইল্যান্ডসহ আরও কয়েকটি দেশের সাথে এ ধরনের চুক্তি স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, যা বাহিনীর আভিযানিক দক্ষতা বহুলাংশে বৃদ্ধি করবে।
বক্তব্যের শুরুতে প্রধান উপদেষ্টা মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই–আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। সেনাসদরের হেলমেট অডিটোরিয়ামে পৌঁছালে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার প্রধান উপদেষ্টাকে অভ্যর্থনা জানান।
প্রফেসর ইউনূস আশা প্রকাশ করেন, জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে সশস্ত্র বাহিনী অতীতের মতো এবারও তাদের ওপর অর্পিত গুরুদায়িত্ব সাফল্যের সাথে পালন করবে।
এসপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ম্যারিকোর বিরুদ্ধে ১৮২৩ কোটি টাকার মামলা
- বিপিএল কোয়ালিফায়ার ১: চট্টগ্রাম বনাম রাজশাহী-দেখুন সরাসরি (LIVE)
- বিপিএল ২০২৬ ফাইনাল: রাজশাহী বনাম চট্টগ্রাম-খেলাটি সরাসরি দেখুন
- ঢাবিতে পার্সিয়ান ডিবেটিং ক্লাবের উদ্যোগে ‘ফিউশন ফেস্ট’ অনুষ্ঠিত
- প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, তালিকা দেখুন এখানে
- ইপিএস প্রকাশ করেছে তিন কোম্পানি
- ঢাবি 'বি' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, যেভাবে দেখবেন
- রংপুর রাইডার্স বনাম সিলেট টাইটান্সের জমজমাট খেলাটি শেষ-দেখুন ফলাফল
- ইপিএস প্রকাশ করবে ১৮ কোম্পানি
- সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের শীতবস্ত্র বিতরণ
- ইপিএস প্রকাশ করেছে এপেক্স ট্যানারি
- ইপিএস প্রকাশ করেছে শাহজীবাজার পাওয়ার
- ইপিএস-ডিভিডেন্ড প্রকাশ করবে ১৮ কোম্পানি
- শেয়ারবাজারে সূচক হ্রাস, বিনিয়োগকারীদের মনোবল অক্ষুণ্ণ
- ইপিএস প্রকাশ করবে ৫৮ কোম্পানি