ঢাকা, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ভবিষ্যতের এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ: প্রধান উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের এক ‘ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। এই নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর করতে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সেনাসদরে সশস্ত্র বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন এবং নির্বাচনকালীন দায়িত্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “দীর্ঘদিন ভোটাধিকার বঞ্চিত একটি জাতি চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নতুন আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছে। এই নির্বাচনে তরুণদের একটি বিশাল অংশ প্রথমবারের মতো ভোট দেবে। কোনো প্রকার ভয়ভীতি বা প্রভাব ছাড়াই প্রত্যেক নাগরিক যেন ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের ঐতিহাসিক দায়িত্ব। প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে এ কাজে সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সহায়তা দিতে হবে।”
মাঠপর্যায়ে নিয়োজিত সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনাদের প্রতিটি সিদ্ধান্ত হতে হবে আইনসম্মত, সংযত ও দায়িত্বশীল। সামান্য বিচ্যুতিও যেন জনগণের আস্থাকে ক্ষুণ্ন না করে—সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।”
বিগত ফ্যাসিস্ট শাসনামলে সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা উপেক্ষিত ছিল উল্লেখ করে প্রফেসর ইউনূস জানান, বর্তমান সরকার একে যুগোপযোগী করে গড়ে তোলাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি বলেন, “সশস্ত্র বাহিনীর স্বনির্ভরতা বাড়াতে আমরা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সামরিক অস্ত্র ও সরঞ্জাম তৈরির কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু করেছি।”
তিনি আরও জানান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষে ইতোমধ্যে নেদারল্যান্ডস ও মালয়েশিয়ার সাথে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়া ইতালি, জাপান ও থাইল্যান্ডসহ আরও কয়েকটি দেশের সাথে এ ধরনের চুক্তি স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, যা বাহিনীর আভিযানিক দক্ষতা বহুলাংশে বৃদ্ধি করবে।
বক্তব্যের শুরুতে প্রধান উপদেষ্টা মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই–আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। সেনাসদরের হেলমেট অডিটোরিয়ামে পৌঁছালে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার প্রধান উপদেষ্টাকে অভ্যর্থনা জানান।
প্রফেসর ইউনূস আশা প্রকাশ করেন, জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে সশস্ত্র বাহিনী অতীতের মতো এবারও তাদের ওপর অর্পিত গুরুদায়িত্ব সাফল্যের সাথে পালন করবে।
এসপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার তারিখ জেনে নিন
- বাংলাদেশের জলবায়ু অগ্রাধিকার তুলে ধরতে তুরস্ক যাচ্ছে YFB-এর প্রতিনিধিদল
- মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেবে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (০৩ নভেম্বর)
- বিশ্ববিদ্যালয়-মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা কি পেছাচ্ছে?
- পুলিশের ৭৮ পরিদর্শক পদোন্নতি পেয়ে হলেন এএসপি
- ঢাবির ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
- সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার্থীদের ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়ে যা জানা গেল
- যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণীর সঙ্গে যৌন বিকৃতির অভিযোগে সাবেক শিবির নেতা গ্রেপ্তার
- প্রবাসীর সন্তানেরা পাবে শিক্ষাবৃত্তি, জানুন আবেদন পদ্ধতি
- কিউএসের এশিয়া র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের শীর্ষ ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ
- ফের স্বর্ণের দাম বেড়েছে, ভরিতে কত?
- জাতীয়করণের তালিকায় ৫ বেসরকারি কলেজ
- সরাসরি সাক্ষাৎকারে ১৩০ পদে নিয়োগ দেবে মেঘনা গ্রুপ
- ২০২৭ সালে সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ