ঢাকা, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২
জাকির নায়েকের বাংলাদেশ সফর ঘিরে দিল্লি–ঢাকা টানাপোড়েন
নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বখ্যাত ইসলামিক ব্যক্তিত্ব ডা. জাকির নায়েক আগামী ২৮ নভেম্বর ঢাকায় আসতে পারেন বলে খবর বেরিয়েছে। জানা গেছে, তিনি বাংলাদেশে দুই দিনের সফরে এসে একটি দাতব্য অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
তবে তার এ সফরকে ঘিরে ইতোমধ্যেই কূটনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল আহ্বান জানিয়েছেন, জাকির নায়েক ঢাকায় এলে বাংলাদেশ যেন তাকে গ্রেপ্তার করে দিল্লির হাতে তুলে দেয়।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মন্তব্য বাংলাদেশের কূটনৈতিক অঙ্গনেও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এস এম মাহবুবুল আলম।
তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, “ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র একজন বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার বা ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের সম্ভাব্য বাংলাদেশ সফর প্রসঙ্গে যে মন্তব্য করেছেন, তা আমাদের নজরে এসেছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরাও বিশ্বাস করি যে, কোনো দেশের অন্য দেশের অভিযুক্ত বা পলাতক ব্যক্তিকে আশ্রয় দেওয়া উচিত নয়।”
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ভারত আশা করে, জাকির নায়েক ঢাকা সফরে এলে বাংলাদেশ সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নেবে এবং ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগ দূর করবে।
তার ভাষায়, “জাকির নায়েক একজন পলাতক আসামি। ভারতে তার খোঁজ চলছে। তাই আমরা আশা করি, সে যেখানেই যাক, সেখানকার সরকার তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে এবং আমাদের নিরাপত্তা উদ্বেগগুলো পূরণ করবে।”
অন্যদিকে, গত ২৮ অক্টোবর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন জানান, জাকির নায়েকের সফরের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবগত নয়। তিনি বলেন, “জাকির নায়েক রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণে বাংলাদেশে আসছেন এমন কোনো তথ্য আমার জানা নেই।”
এদিকে, স্পার্ক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কর্ণধার রাজ গত ১২ অক্টোবর জানান, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৮ নভেম্বর ঢাকায় আসবেন ডা. জাকির নায়েক। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগারগাঁওয়ে তার প্রথম প্রোগ্রামটি অনুষ্ঠিত হবে, পরবর্তীতে ঢাকার বাইরেও কর্মসূচি আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের রোষানলে পড়ে ২০১৬ সালে দেশ ছাড়েন জাকির নায়েক। এরপর তিনি মালয়েশিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পান। ওই বছর তার পিস টিভির সম্প্রচারও বন্ধ করে দেওয়া হয়।
ভারত সরকার তার বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো ও অর্থপাচারের অভিযোগ আনে। একই বছর ঢাকার হলি আর্টিজান হামলার পর বাংলাদেশের তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকারও তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তবে গত বছর সেই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয় বলে জানা গেছে।
এএসএম/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বিডি থাই ফুড
- ইপিএস প্রকাশ করেছে কনফিডেন্স সিমেন্ট
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সোনালী পেপার
- কী আছে এপস্টেইন ফাইলে? কেন এত হইচই বিশ্বজুড়ে?
- ইপিএস প্রকাশ করেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইজেনারেশন
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সিলকো ফার্মা
- ইপিএস প্রকাশ করেছে আনোয়ার গ্যালভানাইজিং
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সাফকো স্পিনিং
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইন্দো-বাংলা ফার্মা
- নতুন জাতীয় দৈনিকে ক্যারিয়ার গড়ার বড় সুযোগ
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইনটেক
- এক লাফে ভরিতে ১৪ হাজার টাকা কমলো সোনার দাম
- ইপিএস প্রকাশ করেছে এসিআই