ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
২০২৬ হজের জন্য ছয়টি কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে সৌদি সরকার
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় আগামী বছরের হজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে। বাংলাদেশি হজযাত্রীদের জন্য এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় বুধবার (১৪ অক্টোবর) দেশের অনুমোদিত হজ এজেন্সিগুলোর কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ২৬ মে অনুষ্ঠিত হবে পবিত্র হজ। চলতি বছর বাংলাদেশের হজ কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের জন্য। প্রাথমিক নিবন্ধন শেষ হবে বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর)। ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সুষ্ঠু ও নিরাপদ হজের জন্য এ নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন অপরিহার্য।
সৌদি সরকারের ছয়টি নির্দেশনা নিম্নরূপ:
১. হজ চুক্তি ও তথ্য সরবরাহ:
সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমে হজযাত্রীর সংখ্যা, জেদ্দা ও মদিনা বিমানবন্দর দিয়ে গমনাগমনকারী হজযাত্রীর তথ্য জরুরি ভিত্তিতে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। এ তথ্যের মধ্যে হজযাত্রীর নাম, সংখ্যা, বিমানের ফ্লাইট নম্বর এবং আগমনের সময় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
২. হজযাত্রী শিফটিং বা অনুমোদনবিহীন আবাসন নিষিদ্ধ:
এক ভবনে প্রবেশের পর অন্য ভবনে হজযাত্রীর স্থানান্তর, মাসার সিস্টেমে ভুল তথ্য ব্যবহার করে হজযাত্রীকে অন্য ভবনে রাখা বা অনুমোদিত চুক্তিবিহীন ভবনে হজযাত্রীর আবাসন প্রদান করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। এ ধরনের কোনো কার্যক্রম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট এজেন্সি ও এজেন্সি প্রধানকে কালো তালিকাভুক্ত করে সৌদি আরবে স্থায়ীভাবে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।
৩. কালো তালিকাভুক্ত এজেন্সির নিষেধাজ্ঞা:
গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের হজ মৌসুমে কালো তালিকাভুক্ত কোনো এজেন্সি ২০২৬ সালের হজ পরিচালনায় অংশ নিতে পারবে না।
৪. ফলপ্রসূ যোগাযোগ:
বাংলাদেশি হজ এজেন্সিগুলোর জন্য একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করা হচ্ছে। এতে যোগ্য এজেন্সির নাম, বিবরণ, হজযাত্রীর সংখ্যা, লিড এজেন্সি ও ওয়ালেটের মাধ্যমে অর্থ আনয়ন সংক্রান্ত তথ্যসহ সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরাসরি সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। এতে হজ ব্যবস্থাপনা আরও সুষ্ঠু ও দ্রুত হবে।
৫. হজযাত্রীর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নির্দেশনা:
সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক চিহ্নিত ৯ ধরনের জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা হজে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। প্রত্যেক হজযাত্রীকে হজ অ্যাফেয়ার্স সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে। সার্টিফিকেট ছাড়া হজ ভিসা দেওয়া হবে না। সার্টিফিকেট প্রদানের প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রুটি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল টিমের প্রধান ও হজ অ্যাফেয়ার্স অফিসের প্রধানকে নিষিদ্ধ করা হবে এবং পরবর্তী বছরের হজযাত্রী কোটায় প্রভাব পড়বে।
৬. নুসুক কার্ড এবং হজযাত্রীর হোটেল তথ্য:
২০২৬ হজ মৌসুমে নুসুক কার্ড হজযাত্রীদের বিমানবন্দর থেকে হোটেলে পরিবহণে ব্যবহৃত হবে। এজন্য প্রতিটি হজ কার্যক্রম পরিচালনাকারী সংস্থাকে আগেভাগে হজযাত্রীর মক্কা ও মদিনার হোটেল, কক্ষ এবং বেডের সঠিক তথ্য সৌদি কর্তৃপক্ষকে সরবরাহ করতে হবে। নুসুক কার্ডে এই তথ্য সন্নিবেশিত হবে, যা হজযাত্রীর স্থানান্তরকে সহজ ও সুষ্ঠু করবে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, সব এজেন্সিকে সময়মতো তথ্য প্রদান করতে হবে এবং নিয়ম মেনে চলতে হবে। এতে বাংলাদেশের হজযাত্রীদের সুষ্ঠু ও নিরাপদ হজ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
এমজে
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- মাস্টারদা সূর্য সেন হল অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক পলাশ
- ৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৬ অক্টোবর)
- নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ৭০ শতাংশের ভিসা প্রত্যাখ্যান, বাড়ছে উদ্বেগ
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে ভর্তির আবেদন শুরু আজ
- ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস
- বিআইডব্লিউটিসি ও মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই
- সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃ/ত্যুদণ্ড কার্যকর
- বাংলাদেশকে ৩০৫ রানের লক্ষ্য দিল আফগানিস্তান, জবাবে ১৬৯ রান
- এসএসসি-এইচএসসিতে ফেল করলে ফের পরীক্ষা, এরপর কারিগরি শিক্ষা
- সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- খুলনায় ৩০ কেজি ধানে তৈরি দুর্গাপ্রতিমা দেখতে ভিড়
- শনিবার ঢাকায় বন্ধ যেসব মার্কেট ও দোকানপাট
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৩ অক্টোবর)
- হরমুজে জাহাজডুবি, সাগরে ভাসছে আইফোন