ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
ন্যাটো রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করলেই নিষেধাজ্ঞা দেবে ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ন্যাটোর সঙ্গে রাশিয়ার উত্তেজনা যখন আরও বাড়ছে, সেই সময় রাশিয়ার জ্বালানি কেনা বন্ধে পশ্চিমা দেশগুলোকে কঠোর অবস্থান নিতে আহ্বান জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, ন্যাটো সদস্যরা রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করলে তিনি মস্কোর বিরুদ্ধে বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে প্রস্তুত।
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ট্রাম্প নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ পোস্ট দিয়ে প্রস্তাব দিয়েছেন, চীনের ওপরও ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ শুল্ক বসানো উচিত। এতে রাশিয়ার ওপর বেইজিংয়ের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হবে বলে মনে করছেন তিনি।
ট্রাম্প লেখেন, ন্যাটো দেশগুলো সম্মত হলে তিনি “রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ” নিতে প্রস্তুত। তাঁর ভাষায়, “রাশিয়ার তেল কেনা অবিশ্বাস্য, বিশেষ করে কিছু দেশের ক্ষেত্রে। এতে মস্কোর সঙ্গে আপনাদের দর-কষাকষির অবস্থান দুর্বল হয়ে যাচ্ছে।”
এর আগে ট্রাম্প একাধিকবার রাশিয়ার বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিলেও বাস্তবে কঠোর পদক্ষেপ নেননি। এবার তিনি বলছেন, রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করা এবং চীনের ওপর ভারী শুল্ক আরোপ করা যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে সহায়ক হবে।
রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসনের পর থেকেই ইউরোপ ধীরে ধীরে রুশ জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়েছে। ২০২২ সালে ইইউ দেশগুলো যেখানে ৪৫ শতাংশ গ্যাস আনত রাশিয়া থেকে, ২০২৫ সালে তা নামবে প্রায় ১৩ শতাংশে। তবে ট্রাম্প এই হারকেও যথেষ্ট মনে করছেন না।
সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তাঁর এই মন্তব্য এসেছে। গত সপ্তাহে রুশ ড্রোন পোল্যান্ডের আকাশসীমায় ঢুকে পড়ে। ওয়াশ বলেছে, এটি ইচ্ছাকৃত; যদিও মস্কো দাবি করেছে, পোল্যান্ডের স্থাপনায় হামলার কোনো পরিকল্পনা ছিল না।
এদিকে ফ্রান্স, জার্মানি ও ডেনমার্ক ন্যাটোর নতুন মিশনে যোগ দিয়েছে এবং পূর্ব সীমান্তে সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নিচ্ছে। একই সময়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও ইউরোপীয় দেশগুলোকে রাশিয়ার তেল-গ্যাস কেনা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ার বলছে, ২০২২ সাল থেকে ইউরোপীয় দেশগুলো রাশিয়ার জ্বালানি কিনতে প্রায় ২১০ বিলিয়ন ইউরো ব্যয় করেছে। এই অর্থই মস্কোর যুদ্ধযন্ত্র চালানোর মূল জোগান দিয়েছে।
ইইউ ইতোমধ্যেই ঘোষণা দিয়েছে, ২০২৮ সালের মধ্যে রাশিয়ার জ্বালানি কেনা সম্পূর্ণ বন্ধ করা হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র চাইছে এ প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হোক।
ট্রাম্পের বার্তা ছিল সরাসরি ন্যাটোর প্রতি, যার মধ্যে তুরস্কও রয়েছে। আঙ্কারা রাশিয়ার অন্যতম বড় জ্বালানি ক্রেতা এবং মস্কোর ঘনিষ্ঠ মিত্র। ফলে তুরস্ককে রাজি করানো সবচেয়ে কঠিন হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
এমজে
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ১ম টি-টোয়েন্টি-দেখুন সরাসরি (LIVE)
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা: দেখুন সবগুলো প্রশ্নের সঠিক সমাধান
- স্কুলছাত্রী থেকে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধার সাথে অন্তরঙ্গের পর ভিডিও কুয়েট ছাত্রের
- বিকালে আসছে ১৯ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- বুলগেরিয়ার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হলো ঢাবি শিক্ষার্থীর প্রামাণ্যচিত্র
- বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের সিনেট সদস্য হলেন ৫ সংসদ সদস্য
- বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১০০ ধাপ এগিয়েছে ঢাবি, যৌথভাবে দেশসেরা
- এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে যা জানাল শিক্ষাবোর্ড
- বদলে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম
- ঢাবি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
- নবনিযুক্ত সিন্ডিকেট সদস্য মোর্শেদ হাসান খানকে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের শুভেচ্ছা
- ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ বাসা থেকে উদ্ধার
- স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন
- প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগে ভাইভার সময়সূচি নিয়ে যা জানা গেল
- বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ভিসা স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রে