ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
ন্যাটো রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করলেই নিষেধাজ্ঞা দেবে ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ন্যাটোর সঙ্গে রাশিয়ার উত্তেজনা যখন আরও বাড়ছে, সেই সময় রাশিয়ার জ্বালানি কেনা বন্ধে পশ্চিমা দেশগুলোকে কঠোর অবস্থান নিতে আহ্বান জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, ন্যাটো সদস্যরা রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করলে তিনি মস্কোর বিরুদ্ধে বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে প্রস্তুত।
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ট্রাম্প নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ পোস্ট দিয়ে প্রস্তাব দিয়েছেন, চীনের ওপরও ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ শুল্ক বসানো উচিত। এতে রাশিয়ার ওপর বেইজিংয়ের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হবে বলে মনে করছেন তিনি।
ট্রাম্প লেখেন, ন্যাটো দেশগুলো সম্মত হলে তিনি “রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ” নিতে প্রস্তুত। তাঁর ভাষায়, “রাশিয়ার তেল কেনা অবিশ্বাস্য, বিশেষ করে কিছু দেশের ক্ষেত্রে। এতে মস্কোর সঙ্গে আপনাদের দর-কষাকষির অবস্থান দুর্বল হয়ে যাচ্ছে।”
এর আগে ট্রাম্প একাধিকবার রাশিয়ার বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিলেও বাস্তবে কঠোর পদক্ষেপ নেননি। এবার তিনি বলছেন, রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করা এবং চীনের ওপর ভারী শুল্ক আরোপ করা যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে সহায়ক হবে।
রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসনের পর থেকেই ইউরোপ ধীরে ধীরে রুশ জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়েছে। ২০২২ সালে ইইউ দেশগুলো যেখানে ৪৫ শতাংশ গ্যাস আনত রাশিয়া থেকে, ২০২৫ সালে তা নামবে প্রায় ১৩ শতাংশে। তবে ট্রাম্প এই হারকেও যথেষ্ট মনে করছেন না।
সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তাঁর এই মন্তব্য এসেছে। গত সপ্তাহে রুশ ড্রোন পোল্যান্ডের আকাশসীমায় ঢুকে পড়ে। ওয়াশ বলেছে, এটি ইচ্ছাকৃত; যদিও মস্কো দাবি করেছে, পোল্যান্ডের স্থাপনায় হামলার কোনো পরিকল্পনা ছিল না।
এদিকে ফ্রান্স, জার্মানি ও ডেনমার্ক ন্যাটোর নতুন মিশনে যোগ দিয়েছে এবং পূর্ব সীমান্তে সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নিচ্ছে। একই সময়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও ইউরোপীয় দেশগুলোকে রাশিয়ার তেল-গ্যাস কেনা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ার বলছে, ২০২২ সাল থেকে ইউরোপীয় দেশগুলো রাশিয়ার জ্বালানি কিনতে প্রায় ২১০ বিলিয়ন ইউরো ব্যয় করেছে। এই অর্থই মস্কোর যুদ্ধযন্ত্র চালানোর মূল জোগান দিয়েছে।
ইইউ ইতোমধ্যেই ঘোষণা দিয়েছে, ২০২৮ সালের মধ্যে রাশিয়ার জ্বালানি কেনা সম্পূর্ণ বন্ধ করা হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র চাইছে এ প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হোক।
ট্রাম্পের বার্তা ছিল সরাসরি ন্যাটোর প্রতি, যার মধ্যে তুরস্কও রয়েছে। আঙ্কারা রাশিয়ার অন্যতম বড় জ্বালানি ক্রেতা এবং মস্কোর ঘনিষ্ঠ মিত্র। ফলে তুরস্ককে রাজি করানো সবচেয়ে কঠিন হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
এমজে
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- মাস্টারদা সূর্য সেন হল অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক পলাশ
- আফগান যুবাদের কাছে হারল বাংলাদেশের যুবারা
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মাহমুদ আলমের মৃত্যু, উপাচার্যের শোক
- যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারিতে বাংলাদেশিরা কি অংশ নিতে পারবে? জানুন বিস্তারিত
- জেনে নিন আজকের বাজারে ২২,২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার দাম
- আজ ২২,২১ ও ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম কত? জেনে নিন
- বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ
- নভেম্বরে টানা তিন দিনের ছুটির সুযোগ, যারা পাবেন
- ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা: ঢাবির সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার
- ১৫ দিনের ব্যবধান দুইবার হবে শারদীয় দুর্গাপূজা
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২১ অক্টোবর)
- নতুন পে-স্কেলে শিক্ষকদের বেতন কবে, জানাল অর্থ মন্ত্রণালয়
- আজ ২২,২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার দাম কত? জেনে নিন
- এসএসসির টেস্ট পরীক্ষা ২৮ অক্টোবর থেকে, ফল প্রকাশ ১৫ নভেম্বর
- বুধবার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ