ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারত-চীন সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন মোদি
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাপান সফরে গিয়ে চীনের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, ভারত ও চীনের স্থিতিশীল ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আঞ্চলিক শান্তি ও সমৃদ্ধির ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লি-টোকিও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করতে মোদি দুই দিনের সফরে জাপানে রয়েছেন, যেখানে তিনি চারটি কারখানা পরিদর্শন করবেন এবং প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও ব্যবসাসংক্রান্ত বেশ কিছু সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কথা রয়েছে। এরপর তিনি সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে চীনে যাবেন।
জাপানের একটি সংবাদমাধ্যমকে মোদি জানান, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের আমন্ত্রণে তিনি তিয়ানজিনে গিয়ে এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন। গত বছর কাজানে প্রেসিডেন্ট সির সঙ্গে বৈঠকের পর থেকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে স্থিতিশীল ও ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। মোদি আরও বলেন, পৃথিবীর দুটি বৃহত্তম দেশ হিসেবে ভারত ও চীনের মধ্যে স্থিতিশীল সম্পর্ক বহুমেরুকেন্দ্রিক এশিয়া ও বিশ্বের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রাশিয়া-ইউক্রেন এবং ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এই শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিশেষ করে, ভারতীয় পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কারণে দুই এশীয় শক্তি তাদের সম্পর্ক নতুন করে মূল্যায়ন করছে। মার্কিন শুল্কের ফলে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ভারতীয় রপ্তানি প্রভাবিত হতে পারে বলে ভারত সরকারের একটি সূত্র এনডিটিভিকে জানিয়েছে। তাই সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে উভয় দেশই তাদের রপ্তানি বাজারকে বহুমুখী করার চেষ্টা করছে।
এই ঘনিষ্ঠতার প্রমাণ পাওয়া যায় গত মার্চে, যখন চীনের পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক আরোপের পর ভারত বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান জানায়। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই দিল্লি ও বেইজিংকে ‘আধিপত্যবাদ ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির বিরোধিতা করার নেতৃত্ব দিতে’ বলেন।
মোদির বক্তব্যে ইভি (বৈদ্যুতিক গাড়ি) শিল্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাত অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, কারণ এই শিল্পে ব্যবহৃত বিরল খনিজ পদার্থ উৎপাদনে চীন শীর্ষে রয়েছে। ওয়াং ই তাঁর দিল্লি সফরে ইতিমধ্যে এ বিষয়ে ভারতকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। দুই দেশের বিশাল বাজার একে অপরের অর্থনীতিকে চাঙা করতে পারে। বাণিজ্য বৃদ্ধি ও সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর বিষয়ে চুক্তি এবং ২০২০ সাল থেকে সামরিক উত্তেজনার পর লাদাখে সামরিক বাহিনীকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তকেও একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- মাস্টারদা সূর্য সেন হল অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক পলাশ
- আফগান যুবাদের কাছে হারল বাংলাদেশের যুবারা
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মাহমুদ আলমের মৃত্যু, উপাচার্যের শোক
- যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারিতে বাংলাদেশিরা কি অংশ নিতে পারবে? জানুন বিস্তারিত
- জেনে নিন আজকের বাজারে ২২,২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার দাম
- আজ ২২,২১ ও ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম কত? জেনে নিন
- বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ
- নভেম্বরে টানা তিন দিনের ছুটির সুযোগ, যারা পাবেন
- ১৫ দিনের ব্যবধান দুইবার হবে শারদীয় দুর্গাপূজা
- ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা: ঢাবির সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার
- নতুন পে-স্কেলে শিক্ষকদের বেতন কবে, জানাল অর্থ মন্ত্রণালয়
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২১ অক্টোবর)
- আজ ২২,২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার দাম কত? জেনে নিন
- এসএসসির টেস্ট পরীক্ষা ২৮ অক্টোবর থেকে, ফল প্রকাশ ১৫ নভেম্বর
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৪ অক্টোবর)