ঢাকা, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিকে আর সুযোগ দেবে না জনগণ: রিজভী
নিজস্ব প্রতিবেদক: মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কোনো শক্তিকে জনগণ আর সুযোগ দেবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানিদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ছিলেন শেখ হাসিনা। সে কারণেই তিনি স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের পরিবার নিয়ে নানামুখী ষড়যন্ত্র করেছেন।
বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে বনানীতে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন রিজভী।
রিজভী বলেন, ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশে মারা যান আরাফাত রহমান কোকো। একটি পরিবারকে নানাভাবে বিপর্যস্ত করার জন্য কোনো কিছু বাদ রাখেননি পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার বলেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উত্তরসূরিদের পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছিল ফ্যাসিবাদী সরকার। হাসিনা কোনোভাবেই জিয়া পরিবারের দেশপ্রেম বরদাশত করেননি। এখন তিনি জনগণের ধাওয়া খেয়ে পালিয়েছেন।
জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধে তাঁর ভূমিকার কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। জিয়াউর রহমান এ দেশের বরেণ্য মুক্তিযোদ্ধা। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর সন্তানসহ বন্দি ছিলেন। সেই সময় তিনিও একজন মহান মুক্তিযোদ্ধা। এই মুক্তিযুদ্ধের এই পরিবারকে ধ্বংস করার জন্য শেখ হাসিনা এমন কোনো কাজ নেই যা তিনি করেননি।’
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে শেখ হাসিনার পরিবারের অবদান নেই। তাঁর পিতা বা তিনি নিজে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে ঢাকায় অবস্থান করেছেন। এ কারণেই প্রতিহিংসা—জিয়াউর রহমান কেন স্বাধীনতার ঘোষণা করলেন, কেন তাঁর স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে তাঁর পরিবার, তাঁর স্ত্রী ও দুই পুত্র বন্দি অবস্থায় রইলেন।
রিজভীর ভাষ্য, জনগণের মধ্যে জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম ও জনপ্রিয়তা শেখ হাসিনা কখনো বরদাশত করতে পারেননি। তাই একের পর এক যন্ত্রণা দিয়েছেন। তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শারীরিকভাবে তাঁকে অত্যাচার করেছেন। তিনি চিকিৎসার জন্য লন্ডনে চলে গিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, ‘আজকে কী হয়েছে? জনগণের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে শেখ হাসিনাকে। আজকে সেই তারেক রহমান, শহীদ জিয়া এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র আজ প্রধানমন্ত্রী। অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, জনকল্যাণের সব কাজ তিনি ক্ষমতা নেওয়ার দুই-তিন দিনের মধ্যে বা শুরু থেকেই একের পর এক বাস্তবায়ন করছেন।
আরাফাত রহমান কোকোর ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে ভূমিকার কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, ‘এই যে আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন ক্রীড়া সংগঠক। ক্রীড়ার জন্য তিনি যে কাজগুলো করেছেন, সেটা হচ্ছে যারা ক্রীড়াবিদ হবে, এটাই তার পেশা হবে, এটা দিয়েই তার জীবন-জীবিকা হবে—এই ধরনের ব্যবস্থা রাষ্ট্র করবে, সরকার করবে।’
তিনি বলেন, ‘আজকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এখানে আছেন। আজকে আমি মনে করি যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার একজন একান্ত সহকর্মী হিসেবে, সতীর্থ হিসেবে অত্যন্ত যোগ্য ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এখানে তাঁর যে কাজগুলো, সেই কাজগুলো সুসম্পন্ন করবেন। সময়ের মধ্যেই করতে পারবেন। এটা সুসম্পন্ন হলেই আরাফাত রহমান কোকোর আত্মা শান্তি পাবে।
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স শেষপর্বের ফল প্রকাশ
- মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের জুলাইয়ের বেতন ফাইল চূড়ান্ত
- এসএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণে আবেদন করবেন যেভাবে
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৯ আগস্ট)
- মালয়েশিয়াকে ৮৯ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে বাংলাদেশ
- দাখিল ও কারিগরি বোর্ডের ফল দেখবেন যেভাবে
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১০ আগস্ট)
- পরীক্ষায় ফেল বা খারাপ করার পর শিক্ষার্থীদের করণীয় কী
- একাদশে ভর্তি: আবেদন ও প্রক্রিয়া জানুন
- পাঁচ দপ্তরে নতুন সচিব নিয়োগ দিল সরকার
- পিএসসিতে আরও চার সদস্য নিয়োগ
- ১৯তম নিবন্ধন থেকে শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশ করবে না এনটিআরসিএ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৬ আগস্ট)
- যেভাবে সহজে অনলাইনে দেখবেন এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল
- রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড: ঢাবির কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা