ঢাকা, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ট্রাম্পের ঘোষণায় নতুন বিতর্ক, আপত্তি ইরানের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সম্ভাব্য যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হলেও চুক্তির শর্ত নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে দেখা দিয়েছে স্পষ্ট বিরোধ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্ভাব্য চুক্তির কয়েকটি বিষয় প্রকাশ্যে তুলে ধরার পর তা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান।
শুক্রবার (২৯ মে) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতার আওতায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানকে স্থায়ীভাবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ থেকে সরে আসার নিশ্চয়তা দিতে হবে। পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিকে উভয় দিক থেকে সব ধরনের আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে এবং সেখানে কোনো ধরনের টোল আরোপ করা যাবে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, প্রণালিতে যদি কোনো মাইন পেতে রাখা হয়ে থাকে, সেগুলো দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তার মতে, মার্কিন বাহিনী ইতোমধ্যে বিস্ফোরণের মাধ্যমে বেশ কিছু মাইন নিষ্ক্রিয় করেছে।
ট্রাম্প জানান, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত মার্কিন নৌ অবরোধও শিগগির প্রত্যাহার করা হতে পারে। এতে বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে আটকে থাকা জাহাজগুলো আবারও স্বাভাবিকভাবে তাদের গন্তব্যে যাত্রা করতে পারবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এছাড়া তিনি দাবি করেন, প্রায় ১১ মাস আগে মার্কিন বি-২ বোমারু বিমানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের ভূগর্ভস্থ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-এর সহযোগিতায় উদ্ধার করে ধ্বংস করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে ট্রাম্পের এসব বক্তব্য প্রকাশের পরপরই আপত্তি তোলে ইরান। দেশটির সংবাদ সংস্থা ফার্স, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, সম্ভাব্য চুক্তির বিভিন্ন বিষয় ট্রাম্প বিকৃতভাবে উপস্থাপন করেছেন।
ইরানি সূত্রগুলোর দাবি, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ধ্বংসের বিষয়টি চুক্তির অংশ নয় এবং এ বিষয়ে ট্রাম্পের বক্তব্যের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। একইভাবে হরমুজ প্রণালিতে টোলমুক্ত চলাচলের প্রসঙ্গও আলোচ্য খসড়ায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি বলে তারা দাবি করেছে।
তেহরানের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ট্রাম্প সম্ভাব্য সমঝোতার কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে গেছেন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে আটকে থাকা ইরানের বিপুল পরিমাণ সম্পদ ছাড়ের বিষয় এবং লেবাননে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার মতো ইস্যুগুলোর কোনো উল্লেখ তিনি করেননি।
ফলে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের অবস্থানের মধ্যে এখনও উল্লেখযোগ্য দূরত্ব রয়েছে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।
এমজে/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- তিন ছাত্রদল নেতাকে ষষ্ঠ গ্রেডে নিয়োগ দিল সরকার
- জাবিতে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে কারাদণ্ড
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভর্তি আবেদনের সময়সূচি প্রকাশ
- আজ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে মাদ্রাসা শিক্ষকদের পদযাত্রা
- শাবিপ্রবির নতুন ভিসি ড. খায়রুল ইসলাম
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলেন ববি হাজ্জাজ
- দেশে কমলো সোনার দাম, ভরি কত?
- রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প
- আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ঢাবি শিক্ষার্থীদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন
- সোমবার টানা ৯ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- রাজস্ব সংকটে জিপিএইচ ইস্পাত, ৯ মাসে লোকসান ১৩৫ শতাংশ
- ঢাবিতে মাদারীপুর সদর ছাত্র কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা
- শোলাকিয়া থেকে জাতীয় ঈদগাহ কোথায় কখন ঈদের জামাত, জেনে নিন বিস্তারিত
- ৭ কোটি মানুষ চরম সংকটের মুখে রয়েছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী
- কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিশ্ব সুসংবাদ শুনতে পারে: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী