ঢাকা, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
ভালো কোম্পানি শেয়ারবাজারে আনতে বিএসইসির অব্যাহত উদ্যোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারে নতুন ও ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানি তালিকাভুক্তি বাড়াতে উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। তিনি বলেন, পাবলিক ইন্টারেস্ট কোম্পানিগুলোকে করপোরেট গভর্নেন্স কাঠামোর আওতায় আনা এবং শক্তিশালী মৌলভিত্তির প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাজারে অন্তর্ভুক্ত করার কাজ চলমান রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসির মাল্টিপারপাস হলে ‘ইস্যুয়ার কোম্পানির আইপিও তহবিলের মাধ্যমে ঋণ পরিশোধ বা বিনিয়োগের ব্যবহার’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বিএসইসি কমিশনারসহ বাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আইপিও তহবিল ব্যবহারের নীতি, ঋণ পরিশোধ ও বিনিয়োগসহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিএসইসির মুখপাত্র মো. আবুল কালাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কমিশন শেয়ারবাজারকে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই ও গতিশীল করতে কাজ করছে। নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তি বাড়ানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও চেয়ারম্যান উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, আইপিও তহবিল ব্যবহারের বিষয়ে অংশীজনদের মতামত ও প্রস্তাব গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করা হবে। তবে মূল লক্ষ্য হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা ও শেয়ারবাজারের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
সভায় শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভালো ও মৌলভিত্তির কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও আলোচনা হয়।
আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ ব্যবহারের নীতি নিয়ে অংশীজনদের মধ্যে বিভিন্ন মতামত উঠে আসে। কেউ কেউ ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে আরও নমনীয়তা দেওয়ার প্রস্তাব দেন। আবার কেউ পুনঃতফসিলকৃত ঋণ পরিশোধের সুযোগ রাখার দাবি জানান।
অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে আইপিও অর্থ ব্যবহারে ঋণ পরিশোধে সীমাবদ্ধতা নেই, তাই গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড বিবেচনায় নীতি হালনাগাদ করা যেতে পারে।
সিডিবিএলের চেয়ারম্যান তপন চৌধুরী বলেন, আইপিও অর্থের ব্যবহার যেন প্রকৃত অর্থে কোম্পানির উন্নয়নে যায়, তা নিশ্চিত করা জরুরি। শুধু বড় প্রতিষ্ঠানের নাম দেখে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ প্রকল্পে অর্থ ব্যবহার করা উচিত নয়।
বিএবির চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার বলেন, শক্তিশালী শেয়ারবাজার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তাই এ খাতের উন্নয়ন জরুরি।
এবিবির চেয়ারম্যান মাশরুর আরেফিন বলেন, উৎপাদন ও সম্প্রসারণমূলক ঋণ পরিশোধে আইপিও অর্থ ব্যবহারের সুযোগ থাকা উচিত, তবে তা নিয়ন্ত্রিত কাঠামোর মধ্যে হতে হবে।
ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, কোম্পানির স্বার্থে আইপিও অর্থ ব্যবহারে ঋণ পরিশোধের সুযোগ থাকা উচিত, তবে কঠোর যাচাই-বাছাই প্রয়োজন।
অন্যান্য বক্তারা বলেন, দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের জন্য শেয়ারবাজারকে আরও কার্যকর করা জরুরি এবং নীতি ও বিধিমালায় সমন্বয় আনা প্রয়োজন।
এএসএম/
শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বিআইডব্লিউটিসির নতুন চেয়ারম্যান এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রো-ভিসি হলেন অধ্যাপক ড. সালমা বেগম
- ইউজিসির তিন সদস্যকে অব্যাহতি দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়
- শেয়ারবাজারে আস্থা ফেরাতে ১১ দফা দাবি বিনিয়োগকারীদের
- অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের ৫০ হাজার টাকা অনুদান, আবেদন যেভাবে
- বাজারের ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক
- বিআইডব্লিউটিসি'র চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করলেন এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী
- ঢাবির লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে ২৪ শিক্ষার্থী পেলেন ডিরেক্টরস অ্যাওয়ার্ড
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৫ জুলাই)
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৪ জুলাই)
- ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান
- সিন্ডিকেট সভা ঘেরাও করলেন ডাকসু নেতারা
- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা জানালেন নবনিযুক্ত ১২ কর্মকর্তা
- গাজী নজরুলকে বিয়েতে অনড় ছিল মেয়েটি
- আজকের খেলার সময়সূচি (২৫ জুলাই)