ঢাকা, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ভালো কোম্পানি শেয়ারবাজারে আনতে বিএসইসির অব্যাহত উদ্যোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারে নতুন ও ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানি তালিকাভুক্তি বাড়াতে উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। তিনি বলেন, পাবলিক ইন্টারেস্ট কোম্পানিগুলোকে করপোরেট গভর্নেন্স কাঠামোর আওতায় আনা এবং শক্তিশালী মৌলভিত্তির প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাজারে অন্তর্ভুক্ত করার কাজ চলমান রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসির মাল্টিপারপাস হলে ‘ইস্যুয়ার কোম্পানির আইপিও তহবিলের মাধ্যমে ঋণ পরিশোধ বা বিনিয়োগের ব্যবহার’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বিএসইসি কমিশনারসহ বাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আইপিও তহবিল ব্যবহারের নীতি, ঋণ পরিশোধ ও বিনিয়োগসহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিএসইসির মুখপাত্র মো. আবুল কালাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কমিশন শেয়ারবাজারকে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই ও গতিশীল করতে কাজ করছে। নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তি বাড়ানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও চেয়ারম্যান উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, আইপিও তহবিল ব্যবহারের বিষয়ে অংশীজনদের মতামত ও প্রস্তাব গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করা হবে। তবে মূল লক্ষ্য হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা ও শেয়ারবাজারের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
সভায় শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভালো ও মৌলভিত্তির কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও আলোচনা হয়।
আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ ব্যবহারের নীতি নিয়ে অংশীজনদের মধ্যে বিভিন্ন মতামত উঠে আসে। কেউ কেউ ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে আরও নমনীয়তা দেওয়ার প্রস্তাব দেন। আবার কেউ পুনঃতফসিলকৃত ঋণ পরিশোধের সুযোগ রাখার দাবি জানান।
অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে আইপিও অর্থ ব্যবহারে ঋণ পরিশোধে সীমাবদ্ধতা নেই, তাই গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড বিবেচনায় নীতি হালনাগাদ করা যেতে পারে।
সিডিবিএলের চেয়ারম্যান তপন চৌধুরী বলেন, আইপিও অর্থের ব্যবহার যেন প্রকৃত অর্থে কোম্পানির উন্নয়নে যায়, তা নিশ্চিত করা জরুরি। শুধু বড় প্রতিষ্ঠানের নাম দেখে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ প্রকল্পে অর্থ ব্যবহার করা উচিত নয়।
বিএবির চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার বলেন, শক্তিশালী শেয়ারবাজার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তাই এ খাতের উন্নয়ন জরুরি।
এবিবির চেয়ারম্যান মাশরুর আরেফিন বলেন, উৎপাদন ও সম্প্রসারণমূলক ঋণ পরিশোধে আইপিও অর্থ ব্যবহারের সুযোগ থাকা উচিত, তবে তা নিয়ন্ত্রিত কাঠামোর মধ্যে হতে হবে।
ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, কোম্পানির স্বার্থে আইপিও অর্থ ব্যবহারে ঋণ পরিশোধের সুযোগ থাকা উচিত, তবে কঠোর যাচাই-বাছাই প্রয়োজন।
অন্যান্য বক্তারা বলেন, দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের জন্য শেয়ারবাজারকে আরও কার্যকর করা জরুরি এবং নীতি ও বিধিমালায় সমন্বয় আনা প্রয়োজন।
এএসএম/
শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- চলছে বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তানের ম্যাচ: খেলাটি সরাসরি দেখুন (LIVE)
- প্রথমবারের মতো নিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য পেলো কুবি
- শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের ভিডিও ধারণ ও আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ
- ৫৪ জেলায় টিসিবির ডিলার নিয়োগ, আবেদন শুরু ১০ মে
- পে স্কেলের প্রস্তাবিত গ্রেডভিত্তিক বেতন কাঠামো প্রকাশ
- ঢাবিতে প্রথমবারের মতো আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফি কর্মশালা
- পে স্কেল নিয়ে ৭ দাবি সরকারি কর্মচারীদের
- ঢাবির নতুন প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল
- রবির মুনাফায় আকাশচুম্বী প্রবৃদ্ধি, ব্যাকফুটে শিপিং কর্পোরেশন
- ঈদকে সামনে রেখে মুনাফা তুলছেন বিনিয়োগকারীরা
- বাংলাদেশিদের স্কলারশিপ দেবে যুক্তরাষ্ট্রের সিমন্স ইউনিভার্সিটি, আবেদন শুরু
- পদত্যাগ করলেন ঢাবি শিক্ষক মোনামি
- আজ সন্ধ্যায় সাদিক কায়েমের বিয়ে
- এমপিও শিক্ষকদের ঈদ বোনাস কবে, যা জানা গেল
- লাইফ সাপোর্টে অভিনেত্রী কারিনা কায়সার