ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২

যখন জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছানো যায় তখনই স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষা পায়: স্বাস্থ্যের ডিজি

২০২৬ মার্চ ২৬ ১৯:০১:৩৭

যখন জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছানো যায় তখনই স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষা পায়: স্বাস্থ্যের ডিজি

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে জনগণের স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্বের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। তিনি বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের প্রকৃত মর্যাদা রক্ষায় দেশের প্রতিটি নাগরিকের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া অপরিহার্য।

আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বাণীতে এসব মন্তব্য করেন মহাপরিচালক।

অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, “আজকের দিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছি। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস, ত্যাগ ও দেশপ্রেম আমাদের জাতিসত্তাকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে উদিত স্বাধীনতার সূর্য আমাদের জাতীয় ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন।”

স্বাধীনতার গৌরবগাথায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান অনন্য ও অবিস্মরণীয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তাঁরা শুধু অস্ত্র হাতে লড়াই করেননি; তারা বাঙালির মর্যাদা, স্বাধীনতার অধিকার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মুক্ত জীবন নিশ্চিত করতে সংগ্রাম করেছেন। সংকটের মুহূর্তে স্বাধীনতার ঘোষক এবং পরবর্তীকালে রাষ্ট্রনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব জাতিকে উদ্দীপ্ত করেছিল, জনমনে সাহস ও ঐক্যের শক্তি জাগিয়ে তোলে।”

মহাপরিচালক আরও বলেন, “মহান স্বাধীনতা দিবসের চেতনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বর্তমান সরকার দেশ পুনর্গঠন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। স্বাস্থ্যখাতে ব্যয় বৃদ্ধি, বিনাব্যয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চয়তা এবং বিপুলসংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগও অগ্রাধিকারে রয়েছে। এই উদ্যোগগুলি চলমান, তবে নাগরিকমুখী রাষ্ট্র নির্মাণের লক্ষ্য স্পষ্ট।”

অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, “স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে আমি মনে করি, স্বাধীনতার প্রকৃত মর্যাদা তখনই রক্ষা পায় যখন জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া হয়। তাই শহীদদের রক্তের ঋণ শোধের একটি পথ হলো প্রতিটি নাগরিকের জন্য উন্নত ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। আমাদের অঙ্গীকার হোক, আমরা একটি মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলব এবং জনগণের উন্নয়নের ধারাকে যুগোপযোগী স্বাস্থ্যসেবার মাধ্যমে শক্তিশালী করব।”

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত