ঢাকা, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২

স্থানীয় নির্বাচনের পরিকল্পনা জানাল ইসি

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ২১:১৮:২৭

স্থানীয় নির্বাচনের পরিকল্পনা জানাল ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার স্থানীয় সরকার ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত হচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আইনি ও প্রশাসনিক সব প্রস্তুতি শেষ করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তফসিল ঘোষণার পরিকল্পনা করছে কমিশন।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক একান্ত আলাপচারিতায় নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

ইসি আনোয়ারুল জানান, কমিশনের লক্ষ্য হলো “পহেলা বৈশাখের আগেই যেন ধাপে ধাপে সবকিছু সম্পন্ন করা যায়, সেভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।” তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, সংরক্ষিত মহিলা আসন, রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার নির্বাচনের মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য ইতোমধ্যে ইসির কাছে চিঠি এসেছে এবং কমিশনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের পরই পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে।

বর্তমানে কমিশনের কাছে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচন। যেহেতু এটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনেরই অংশ, তাই এর গুরুত্ব বেশি। তবে এই উপ-নির্বাচনের কারণে সিটি করপোরেশন নির্বাচন পিছিয়ে যাবে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “দেরি হবে, এমনটা বলবো না। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন বা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু কাজ থাকে যেমন ডিলিমিটেশনের বিষয় বা আইনগত কোন সমস্যা বা বিদ্যমান আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো বিষয় আছে কিনা- এগুলো সঠিকভাবে ভেবেচিন্তে, দেখে তারপরে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।” তিনি আশ্বস্ত করেন যে, প্রয়োজনীয় কাজগুলো সারতে কমিশন বাড়তি সময় ব্যয় করবে না।

নির্বাচন আয়োজনের চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে তিনি আত্মবিশ্বাসের সাথে বলেন, “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনে শুরু থেকেই বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ছিল। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমরা একে একে সব কয়টা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পেরেছি। সকলের সহযোগিতায় অত্যন্ত সুন্দর একটি নির্বাচন হয়েছে এবং এটা সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে। আমরা সেরকমই সফল একটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ব্যাপারে অত্যন্ত আশাবাদী।”

সংরক্ষিত নারী আসনে সরাসরি নির্বাচনের দাবি নিয়ে সমাজবিজ্ঞানীদের পরামর্শ প্রসঙ্গে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, “নির্বাচন কমিশন কাজ করবে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী। আইন যদি কখনও পরিবর্তন হয় সেভাবে নির্বাচন কমিশন কাজ করবে।” অন্যদিকে, ১৬ বছর বয়সে এনআইডি প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি জানান, এনআইডি এখন পেলেও আইন অনুযায়ী আঠারো বছর পূর্ণ হওয়ার পরই তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার হবেন। ভবিষ্যতে আরও কম বয়সে এনআইডি দেওয়ার পরিকল্পনাও কমিশনের রয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

এসপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত