ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২

গণভোট সামনে রেখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ

২০২৬ জানুয়ারি ১৩ ১৭:২১:৪৭

গণভোট সামনে রেখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে সংবিধান সংস্কার নিয়ে গণভোট আয়োজনকে সামনে রেখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরাসরি প্রচারণার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ভোটারদের মধ্যে ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ব্যাপক প্রচার চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন সংবিধান সংস্কার বিষয়ে এই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) এবং মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতর পৃথক নির্দেশনা জারি করে তাদের আওতাধীন সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও দফতরকে নির্দিষ্ট কার্যক্রম বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের সব সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দৃশ্যমান স্থানে গণভোটের লোগো সংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন টানাতে হবে। পাশাপাশি সরকারি যোগাযোগ, দাফতরিক পত্র, আদেশ, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্রে গণভোটের নির্ধারিত লোগো ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

মাউশি ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতর সূত্র জানায়, সোমবার এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক চিঠি দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হয়েছে। এতে নির্বাচনের আগ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানোর নির্দেশ রয়েছে।

গত ১২ জানুয়ারি মাউশির সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মো. খালিদ হোসেন স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, গণভোট বিষয়ে ভোটারদের অবহিত করতে সব ধরনের সরকারি যোগাযোগে নির্ধারিত লোগো ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি অধিদফতরের আওতাধীন প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কার্যালয়ের সামনে অন্তত দুটি করে খাড়া ব্যানার প্রদর্শনের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে, একই দিনে মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ আরিফুর রহমান মজুমদার স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, অভিভাবক সমাবেশ ও শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে এই বার্তা পরিবার পর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের নোটিশ বোর্ড ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও গণভোটের বিষয়ে প্রচারণা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনার আলোকে এই সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে ভোটাররা সংস্কার প্রস্তাবগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পান।

জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর আওতায় প্রস্তাবিত রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয়গুলো নিয়ে জনগণের মতামত জানতে এই গণভোট আয়োজন করা হচ্ছে। প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে—প্রধানমন্ত্রী পদে সর্বোচ্চ ১০ বছরের মেয়াদ নির্ধারণ, জাতীয় সংসদে উচ্চকক্ষ গঠন, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন গঠনে সরকার ও বিরোধী দলের যৌথ ভূমিকা নিশ্চিত করা এবং বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা।

সচেতনতামূলক ব্যানার ও প্রচারসামগ্রীতে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের মাধ্যমে নাগরিকদের সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরে বলা হয়েছে—‘পরিবর্তনের চাবি এবার আপনার হাতে’।

এমজে/

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

আজকের মুদ্রা বিনিময় হার (১৩ জানুয়ারি)

আজকের মুদ্রা বিনিময় হার (১৩ জানুয়ারি)

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমবর্ধমান হচ্ছে এবং এর সঙ্গে সঙ্গে বিদেশি মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার লেনদেনের চাহিদাও বেড়ে চলেছে।... বিস্তারিত