ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
পোষ্য কোটা বাতিলসহ ৯ দাবিতে আমরণ অনশনে চবির ৬ শিক্ষার্থী
ডুয়া নিউজ: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ছয়জন শিক্ষার্থী ৯ দফা দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন। আজ বুধবার (৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এই আন্দোলন শুরু করেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে পোষ্য কোটা বাতিল, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হত্যাকারীদের বিচার এবং শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যবিমা চালুসহ অন্যান্য সুবিধা।
অনশনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা হলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে চোখ হারানো মো. শুভ হোসেন, সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফি, রশিদ দিনার, তানিম মুশফিক, রিয়াদ এবং সাইরিব রহমান সুপ্ত।
শুভ হোসেন বলেন, ‘পোষ্য কোটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক একটি কোটা। এই কোটার কারণে মেধাবী শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ছে। এ ছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহতরা এখনও কাতরাচ্ছেন। অথচ হত্যাকারীদের কোনো উল্লেখযোগ্য বিচার হয়নি। ৯ দফা দাবিতে আমরা অনশন করছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা এ কর্মসূচি চালিয়ে যাব।’
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে অভিযুক্ত করে বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যারা হত্যা হামলার সঙ্গে জড়িত, তারা বিভিন্ন বিভাগে পরীক্ষা দিচ্ছেন। এসব হামলাকারীর বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ আমরা দেখতে পাইনি। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যেখানে ৫৭ জনকে বহিষ্কার করেছে, সেখানে চবি প্রশাসনের পক্ষ থেকে তেমন কোনো সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়নি। চবির সকল শিক্ষার্থী পোষ্য কোটার বিরুদ্ধে থাকার পরও পোষ্য কোটা এখনো বহাল রয়েছে। আমরা কোনো ধরনের কোটা আর দেখতে চাই না।
এ বিষয়ে চবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন এবং এক সপ্তাহের মধ্যে বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। অন্যদিকে, উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান বলেন, "যারা আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" তিনি পোষ্য কোটা বাতিলের পক্ষেও সমর্থন জানান।
শিক্ষার্থীদের ৯ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে:
১. ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি ২০০ টাকা নির্ধারণ। ২. পোষ্য কোটাসহ সব ধরনের অযৌক্তিক কোটা বাতিল। ৩. শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যবিমা চালু করা। ৪. শিক্ষার্থীদের আর্থিক অবস্থা, বাড়ির দূরত্ব এবং মেধার ভিত্তিতে হল বরাদ্দ ও নতুন হল নির্মাণ। ৫. এক্সট্রা কারিকুলার সংগঠনগুলোর জন্য অফিস বরাদ্দ। ৬. টিএসসি নির্মাণ। ৭. চাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন দ্রুত আয়োজন। ৮. প্রাতিষ্ঠানিক ই-মেইল প্রদান ও অনলাইনে রেজাল্ট প্রকাশ। ৯. গুপ্ত হামলার সুষ্ঠু বিচার ও ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- পর্নো তারকা থেকে কলম্বিয়ার সিনেটর দেইসি
- বিআইডব্লিউটিসির নতুন চেয়ারম্যান এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রো-ভিসি হলেন অধ্যাপক ড. সালমা বেগম
- ইউজিসির তিন সদস্যকে অব্যাহতি দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়
- শেয়ারবাজারে আস্থা ফেরাতে ১১ দফা দাবি বিনিয়োগকারীদের
- বাজারের ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক
- অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের ৫০ হাজার টাকা অনুদান, আবেদন যেভাবে
- বিআইডব্লিউটিসি'র চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করলেন এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী
- সিন্ডিকেট সভা ঘেরাও করলেন ডাকসু নেতারা
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৪ জুলাই)
- ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৫ জুলাই)
- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা জানালেন নবনিযুক্ত ১২ কর্মকর্তা
- গাজী নজরুলকে বিয়েতে অনড় ছিল মেয়েটি
- আজকের খেলার সময়সূচি (২৫ জুলাই)