ঢাকা, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
মুহসীন স্মারক আন্তঃ ক্লাব জাতীয় বিতর্কে চ্যাম্পিয়ন বঙ্গমাতা হল ডিবেটিং ক্লাব
ঢাবি প্রতিনিধি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ডিবেটিং ক্লাব আয়োজিত ‘৪র্থ হাজী মুহম্মদ মুহসীন স্মারক আন্ত:ক্লাব ক্লাব জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২৪’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩২টি বিতর্ক ক্লাব অংশ নেন। চূড়ান্ত বিতর্কে ফজলুল হক মুসলিম হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে (সরকারি দল) ৬-৩ ব্যালটে হারায় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা ডিবেটিং ক্লাব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (বিরোধী দল)। শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক নির্বাচিত হন বিরোধী দলের উপনেতা উম্মে সুহালা। বিতর্কের বিষয় ছিল 'এই সংসদ, জুলাই বিপ্লবীদের বিপ্লব পরবর্তী সময়ে পতিত ক্ষমতাসীন দল ও তার দোসরদের প্রতি উদার মানসিকতাকে সমর্থন করে'
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। মুহসীন হল ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ছাদিক হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
এছাড়া হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, রূপায়ণ গ্রুপের কো-চেয়ারম্যান মাহির আলী খাঁন রাতুল, হল বিতর্ক ক্লাবের মডারেটর আইনুল ইসলাম, ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি অর্পিতা গোলদার এবং সাধারণ সম্পাদক আদনান মুস্তারি বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, শিক্ষা, যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন, শৃঙ্খলাবোধ ও মূল্যবোধ বিকাশের ক্ষেত্রে বিতর্ক চর্চার গুরুত্ব অপরিসীম। বিতর্ক চর্চার মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সত্য উদ্ঘাটনসহ নানান প্রাসঙ্গিক বিষয় উঠে আসে। বিতর্ক মানেই জনমত সৃষ্টি করা। আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে যে সংস্কার কমিশন গঠন করেছি। ১৫ তারিখের মধ্যে সে রিপোর্ট আসবে। রিপোর্টগুলোকে নিয়েও আমরা বিতর্ক করব। এই বিতর্কের উদ্দেশ্য হবে যেন সবার মাঝে ঐক্যমত্য সৃষ্টি করতে পারি এবং জাতি হিসেবে এগিয়ে যেতে পারি।
প্রধান আলোচক কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, সহপাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে বিতর্কের গুরুত্ব অপরিসীম এবং এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই বিতর্কের মাধ্যমেই মানবিক মানুষ হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। কারণ, বিতর্কের মাধ্যমে যুক্তির চর্চা হয় এবং বিভিন্ন মতামতের গ্রহণযোগ্যতা এখানে থাকে। যার ফলে, বিতর্ক করে যে সকল বিজ্ঞ মানুষ তৈরি হয় তারা মানবিক পৃথিবী তৈরিতে ভূমিকা পালন করতে পারে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
- ১১-২০ গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষায় নতুন মানবণ্টন
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৬ সেপ্টেম্বর)
- মেসির দুই সহায়তাতেও আটলান্টার সঙ্গে ড্র ইন্টার মিয়ামির
- ‘সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিলটি কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক’
- ফেল বিরোধীদলের ওয়াকআউট
- পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
- ‘ছয় মাসে জুলাই সনদের একটি অক্ষরও বাস্তবায়ন করেনি বিএনপি’
- ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর ৩০ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ
- বক্তৃতায় দায় সারছে কমিশন, ধসের মুখে পড়েছে বাজার
- মেঘনা গ্রুপে বিভিন্ন পদে চাকরির সুযোগ
- সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা ডিজিটাল ঋণ চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক
- ছাদখোলা গাড়িতে লংমার্চে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, গাড়িটি কার?