ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
প্রধান উপদেষ্টাকে উকিল নোটিশ পাঠালেন টিউলিপ সিদ্দিক
যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও এমপি টিউলিপ সিদ্দিক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। স্কাইনিউজের বরাতে জানা গেছে, তিনি অভিযোগ করেছেন—একটি পরিকল্পিত প্রচারণার মাধ্যমে তার সুনাম ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি ব্রিটিশ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করা হচ্ছে। টিউলিপের দাবি, এই প্রচারণার পেছনে রয়েছেন ড. ইউনূস ও দুদক।
উকিল নোটিশে তিনি দাবি করেছেন, ‘ড. ইউনূস ও দুদকের মূল উদ্দেশ্য তার সুনাম ক্ষুণ্ণ করা এবং যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করা, বিশেষ করে তার নির্বাচনী এলাকা, রাজনৈতিক দল ও দেশসেবার কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি করা। যা গ্রহণযোগ্য নয়।’
যুক্তরাজ্যভিত্তিক আইনি প্রতিষ্ঠান স্টেফেনসন হারউড এলএলপি মাধ্যমে পাঠানো ওই নোটিশে বলা হয়েছে, টিউলিপ গত ১৮ মার্চ ও ১৫ এপ্রিল দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। এছাড়া ৪ জুন ড. ইউনূসকে একটি চিঠি দেয়া হয়। তবে এখনও তাদের কোনো জবাব পাননি।
নোটিশে আইনি প্রতিষ্ঠান দাবি করেছে, ‘টিউলিপ সিদ্দিক একটি পরিকল্পিত অভিযানের শিকার, যার পেছনে রয়েছে প্রধান উপদেষ্টা ও দুদক। আমরা আগের চিঠিপত্রে প্রমাণ দিয়েছি, টিউলিপের বিরুদ্ধে ওঠা প্রতিটি অভিযোগ মিথ্যা।’
ড. ইউনূসের লন্ডন সফরের সময় টিউলিপ তার সঙ্গে সাক্ষাতের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। নোটিশে বলা হয়েছে, ‘দুঃখজনকভাবে প্রধান উপদেষ্টা টিউলিপের এই প্রস্তাব গ্রহণ করেননি।’
বিবিসির সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস সাক্ষাত না করার কারণ হিসেবে আইনি প্রক্রিয়ার কথা উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে স্টেফেনসন হারউড বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার অবস্থান বিস্ময়ের। তিনি বলেন, এটি একটি আইনি প্রক্রিয়া এবং তিনি এতে হস্তক্ষেপ করতে চান না।’
টিউলিপের সেই নোটিশে আরও বলা হয়েছে, ‘যখন দুদকের পক্ষ থেকে তদন্ত চলছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তখন টিউলিপের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে সমালোচনা করা সমীচীন নয়। আশা করা যেত, প্রধান উপদেষ্টা অভিযোগের আগে সঠিক তথ্য যাচাই করতেন।’
আইনি প্রতিষ্ঠান মনে করছে, প্রধান উপদেষ্টার টিউলিপের সঙ্গে বসার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের দুটি কারণ থাকতে পারে: প্রথমত, টিউলিপের বিরুদ্ধে অভিযোগ মিথ্যা এবং দ্বিতীয়ত, আলোচনায় আসতে না চাওয়া।
নোটিশে দুদক চেয়ারম্যানকে পাঠানো চিঠির একটি অনুলিপি প্রধান উপদেষ্টাকেও প্রেরণের কথা উল্লেখ রয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘এখন প্রধান উপদেষ্টা ও দুদকের মিথ্যা প্রচারণা থেকে সরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে।’
স্টেফেনসন হারউড জানাচ্ছে, ‘৩০ জুনের মধ্যে চিঠির যথাযথ জবাব না পেলে, টিউলিপ সিদ্দিক বিষয়টি সমাপ্ত বলে গণ্য করবেন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম ভারতের ফুটবল ম্যাচ: সরাসরি দেখুন (LIVE)
- ঢাবি অ্যালামনাই ইউকে শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
- আজ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে মাদ্রাসা শিক্ষকদের পদযাত্রা
- আজ রাত ৮ টায় ভারত বনাম বাংলাদেশের ফুটবল ম্যাচ, কোথায় ও যেভাবে দেখবেন?
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলেন ববি হাজ্জাজ
- ঢাবি ক্যাম্পাসে ববি হাজ্জাজকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
- ববি হাজ্জাজের বক্তব্যের বিরুদ্ধে মাঠে নামছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা
- ববি হাজ্জাজের বক্তব্যে ক্ষুব্ধ ঢাবি শিক্ষক, বললেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় নয়
- মাসিক ফি দিয়ে ব্যবহার করতে হবে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম
- নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত বাড়তে পারে? আলোচনায় দুটি প্রস্তাব
- টাইমস হায়ার ও কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে ঢাবির জয়জয়কার
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য ববি হাজ্জাজের
- পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই: ড. নিয়াজ আহমদ
- ঈদের চামড়া বিক্রিতে হতাশ বিক্রেতারা
- ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ কবে, জানালেন প্রতিমন্ত্রী