ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সৌদির ৬০০ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি; যা আছে চুক্তিতে
ডুয়া ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ৬০০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সৌদি আরব। আজ মঙ্গলবার (১৩ মে) সৌদির রাজধানী রিয়াদে এসব চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সৌদির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, চুক্তির প্রাথমিক পর্যায়ে জ্বালানি, নিরাপত্তা, প্রযুক্তি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
যা আছে চুক্তিতে:যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ১৪২ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র ক্রয় করবে সৌদি আরব, যা প্রতিরক্ষা খাতে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই চুক্তির আওতায় ওয়াশিংটন সৌদি আরবকে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র ও বিভিন্ন সামরিক সেবা প্রদান করবে। এর মধ্যে রয়েছে বিমানবাহিনীর আধুনিকীকরণ, মহাকাশ সক্ষমতা বৃদ্ধি, আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, সামুদ্রিক ও উপকূলীয় নিরাপত্তা জোরদার, সীমান্ত নিরাপত্তা উন্নয়ন, স্থল বাহিনীর আধুনিকীকরণ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবস্থার উন্নয়ন।
এই চুক্তির আওতায় সৌদি সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র আধুনিক প্রশিক্ষণ ও সহায়তা প্রদান করবে। এর মাধ্যমে সৌদি সামরিক একাডেমি এবং সামরিক চিকিৎসা সেবার সক্ষমতা আরও উন্নত করা হবে। সামগ্রিকভাবে সৌদির নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিনির্ভর কাঠামোর ভিত্তিতে গড়ে তোলা হবে।
এছাড়াও, সৌদি কোম্পানি ডেটাভোল্ট যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রতিষ্ঠান এবং জ্বালানি অবকাঠামো খাতে ২০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে। পাশাপাশি গুগল, ডেটাভোল্ট, ওরাকল, সেলসফোর্স, এএমডি এবং উবার—এই প্রযুক্তি জায়ান্টগুলো দুই দেশের মধ্যে উদীয়মান প্রযুক্তিখাতে যৌথভাবে ৮০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি কোম্পানি সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিমানবন্দর, বাদশাহ সালমান পার্ক, কিদিয়া সিটিসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে কাজ করবে। এসব চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজ দেশে আনুমানিক দুই বিলিয়ন ডলার নিয়ে যেতে পারবে।
চুক্তির অংশ হিসেবে, যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবে গ্যাস টারবাইন ও বোয়িং ৭৩৭-৮ যাত্রীবাহী বিমান রপ্তানি করবে। গ্যাস টারবাইনের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪.২ বিলিয়ন ডলার, আর বিমানগুলোর দাম ধরা হয়েছে ৪.৮ বিলিয়ন ডলার।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগের অংশ হিসেবে সৌদি কোম্পানি মিশিগান অঙ্গরাজ্যে স্যালাইন উৎপাদনের একটি কারখানা স্থাপনে ৫.৮ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে।
চুক্তির আওতায় আরও কয়েকটি বিশেষ বিনিয়োগ তহবিল গঠন করা হয়েছে, যেগুলোকে অংশীদারিত্বভিত্তিক তহবিল হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যে জ্বালানি খাতে ৫ বিলিয়ন ডলার, মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা শিল্পে ৫ বিলিয়ন ডলার এবং ক্রীড়া খাতে উন্নয়নের জন্য ৪ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: দ্য হোয়াইট হাউজ
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ১১-২০ গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষায় নতুন মানবণ্টন
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৪ সেপ্টেম্বর)
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৬ সেপ্টেম্বর)
- মেসির দুই সহায়তাতেও আটলান্টার সঙ্গে ড্র ইন্টার মিয়ামির
- ‘সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিলটি কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক’
- ফেল বিরোধীদলের ওয়াকআউট
- পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
- ‘ছয় মাসে জুলাই সনদের একটি অক্ষরও বাস্তবায়ন করেনি বিএনপি’
- ফের বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ল
- ঢাবিতে গ্রিন নেক্সাস কর্মসূচি সমাপ্ত
- মেসির ১০ নম্বর জার্সি কি অবসর নিতে পারবে?
- ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর ৩০ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ
- শুক্রবার ঢাকার যেসব মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ