ঢাকা, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
ডিবি হারুনের বিরুদ্ধে দুই মামলায় চার্জশিট অনুমোদন
নিজস্ব প্রতিবেদক: জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ও ডিবির সাবেক প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে করা পৃথক দুই মামলায় অভিযোগপত্র (চার্জশিট) অনুমোদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
একটি মামলায় হারুন অর রশীদকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। অপর মামলায় তাঁর ছোট ভাই চিকিৎসক ডা. এ বি এম শাহরিয়ারকে প্রধান আসামি এবং হারুন অর রশীদকে সহযোগী আসামি করা হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে পৃথক দুই মামলার অভিযোগপত্র অনুমোদন করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক সচিব সাইদুর রহমান খান।
দুদক জানায়, একটি মামলায় হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে ১৯ কোটি ৯৮ লাখ ৯৪ হাজার ৫৯৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাঁর নামে পাওয়া স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মোট মূল্য ২১ কোটি ২৮ লাখ ৯ হাজার ৬০৫ টাকা। এর বিপরীতে তাঁর বৈধ আয় ৩ কোটি ৫১ লাখ ১৯ হাজার ৭৬৮ টাকা। বিভিন্ন ব্যয় বাদ দিয়ে সম্পদ অর্জনের জন্য বৈধ উৎস হিসেবে পাওয়া গেছে ১ কোটি ২৯ লাখ ১৫ হাজার ৬ টাকা।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, হারুন অর রশীদ ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধানসহ পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। তাঁর নামে পাওয়া সম্পদের মূল্য বৈধ আয়ের উৎসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
এভাবে তিনি ১৯ কোটি ৯৮ লাখ ৯৪ হাজার ৫৯৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রেখেছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন শিগগির অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করবেন।
অপর মামলায় হারুন অর রশীদের ছোট ভাই ডা. এ বি এম শাহরিয়ারকে প্রধান আসামি এবং হারুন অর রশীদকে সহযোগী আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় তাঁদের বিরুদ্ধে মোট ১৮ কোটি ৭৬ লাখ ৯৭ হাজার ১৮৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুদক।
দুদক সূত্র জানায়, ডা. এ বি এম শাহরিয়ার ২০১৯ সালে হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। বর্তমানে তিনি প্রেসিডেন্ট রিসোর্টসহ তিনটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মালিক হিসেবে রয়েছেন। এ মামলারও তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন।
দুই মামলায় হারুন অর রশীদ ও তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে মোট ৩৮ কোটি ৭৫ লাখ ৯১ হাজার ৭৮৪ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর হারুন অর রশীদ, তাঁর স্ত্রী শিরিন আক্তার ও ছোট ভাই ডা. এ বি এম শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা করে দুদক। এসব মামলায় অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ তদন্ত করে দুদক।
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৩ সেপ্টেম্বর)
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৪ সেপ্টেম্বর)
- ১১-২০ গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষায় নতুন মানবণ্টন
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৬ সেপ্টেম্বর)
- মেসির দুই সহায়তাতেও আটলান্টার সঙ্গে ড্র ইন্টার মিয়ামির
- শিক্ষক নিয়োগ দেবে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
- মাসে ২৫০০ টাকা বৃত্তি দেবে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, জানুন আবেদন পদ্ধতি
- নতুন পে স্কেলের প্রজ্ঞাপনের তারিখ চূড়ান্ত, জানালেন অর্থসচিব
- ‘সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিলটি কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক’
- ‘ছয় মাসে জুলাই সনদের একটি অক্ষরও বাস্তবায়ন করেনি বিএনপি’
- ফেল বিরোধীদলের ওয়াকআউট
- নতুন করে এমপিওভুক্ত হচ্ছেন ৬৪১ শিক্ষক-কর্মচারী
- মেসির ১০ নম্বর জার্সি কি অবসর নিতে পারবে?
- শুক্রবার ঢাকার যেসব মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ