ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে আরও বাড়ল সরকারি অপেক্ষা
নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রত্যাশিত নবম জাতীয় পে-স্কেলের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন আরও পিছিয়ে যাচ্ছে। পে-স্কেল বাস্তবায়নসংক্রান্ত সুপারিশমালা এখনো চূড়ান্ত করতে পারেনি মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন উচ্চপর্যায়ের সচিব কমিটি। বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত রুদ্ধদ্বার বৈঠকেও এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। যদিও নতুন পে-স্কেল ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।
অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে মূল বেতন বৃদ্ধি এবং আগামী অর্থবছরে দুই ধাপে অন্যান্য ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা কার্যকরের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের আর্থিক সক্ষমতা, ধাপভিত্তিক বাস্তবায়ন পদ্ধতি, সম্ভাব্য প্রশাসনিক জটিলতা এবং সফটওয়্যার কাঠামোর প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। তবে বুধবারও সুপারিশমালা চূড়ান্ত না হওয়ায় আগামী সপ্তাহে সচিব কমিটি আবার বৈঠকে বসবে।
অর্থ বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, বাস্তবতা বিবেচনায় এমন একটি কাঠামো প্রণয়নের চেষ্টা চলছে, যাতে একদিকে সরকারি চাকরিজীবীরা বেতন বৃদ্ধির সুবিধা পান, অন্যদিকে সরকারের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি না হয়।
এদিকে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। ১২ জুলাই থেকে ঢাকা সফররত আইএমএফ প্রতিনিধি দল অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠকে চলমান আর্থিক সংকটের মধ্যে বড় পরিসরে বেতন বৃদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
সংস্থাটির মতে, অর্থনীতিতে অতিরিক্ত অর্থের প্রবাহ সৃষ্টি হলে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়তে পারে এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হতে পারে। পর্যাপ্ত অর্থের উৎস নিশ্চিত না করে পুরো পে-স্কেল একযোগে বাস্তবায়ন করলে সামষ্টিক অর্থনীতিতে নতুন চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কাও তারা তুলে ধরে।
বুধবারের বৈঠকে প্রস্তাবিত ২০টি গ্রেড নিয়েও আলোচনা হয়েছে। গ্রেডের সংখ্যা বা কাঠামোয় পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়েও মতামত উঠে আসে। অন্তর্বর্তী সরকার নতুন পে-স্কেলের ভিত্তি তৈরি করে গেলেও বিএনপি সরকার এটি বাস্তবায়নে নীতিগতভাবে আগ্রহী। এ লক্ষ্যে চলতি বাজেটে বেতন-ভাতা বাবদ ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন জাতীয় বেতন কমিশন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সুপারিশ করেছিল।
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- শেয়ারবাজারে মার্জিন ঋণের নতুন বিধিমালা চূড়ান্ত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক মহাসচিব রঞ্জন কর্মকার আর নেই
- বিমান বাহিনীতে ৪৫ ক্যাটাগরিতে ৩৪২ শূন্যপদে চাকরির সুযোগ
- শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক দেবে এসএসসি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি, আবেদন করবেন যেভাবে
- ঢাবির ৯২ শিক্ষকের বিরুদ্ধে গোপন তৎপরতার অভিযোগ, ৫৮ জন শনাক্ত
- বসুন্ধরায় অভিনেত্রী রিধিকা রিধির মরদেহ উদ্ধার
- পরীক্ষা ছাড়া একাদশে ভর্তি শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৪৭ পদে নিয়োগ
- বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট কাটাতে অন্তত দুই বছর সময় লাগবে: অর্থমন্ত্রী
- এ টি এম আবদুল বারী ড্যানীকে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের অভিনন্দন
- বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টে চাকরির সুযোগ, আবেদন অনলাইনে
- রঞ্জন কর্মকারের মৃ'ত্যুতে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের শোক প্রকাশ
- সমকামিতার অভিযোগে ঢাবির দুই শিক্ষার্থী বহিষ্কার
- প্রথম দিনেই বাজিমাত জিতের নতুন সিনেমার
- যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ফেরেননি, ঢাবি অধ্যাপককে অব্যাহতি