ঢাকা, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
তিস্তা প্রকল্পে অন্য দেশের ‘কনসার্ন’ থাকার সুযোগ নেই: তথ্য উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক: তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে জনগণের স্বার্থ ও নিজস্ব প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। এ বিষয়ে অন্য কোনো দেশের ‘কনসার্ন’ থাকার সুযোগ নেই।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, তিস্তা অববাহিকার মানুষের সংকট অত্যন্ত গভীর ও মানবিক। বর্ষাকালে নদীভাঙন এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির তীব্র সংকটে উত্তরাঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনার মূল লক্ষ্য নদী শাসন, ড্রেজিং এবং পানি সংরক্ষণ। তিনি জানান, এ ধরনের কাজে চীনের প্রয়োজনীয় দক্ষতা (এক্সপার্টিজ) ও অর্থায়নের সক্ষমতা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রকল্পটির কাজ দ্রুততম সময়ে শুরু করার নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রকল্পটি নিয়ে কোনো ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে জনগণের স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তিনি বলেন, রাষ্ট্র হিসেবে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রকাশ ঘটানোর পূর্ণ অধিকার বাংলাদেশের রয়েছে। উন্নয়নমূলক এ উদ্যোগে অন্য কোনো দেশের উদ্বেগের কারণ দেখেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ভারত বা অন্য যে কোনো দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবেই সম্পর্ক বজায় রাখবে। কারও যদি নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনো উদ্বেগ থেকেও থাকে, বাংলাদেশ তা বিবেচনায় নেবে। তবে সংবেদনশীল এসব বিষয়ে কোনো আপস না করেই সরকার কাজ করবে বলে জানান তিনি।
বিগত সরকারের সমালোচনা করে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, অতীতে জনগণের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে শুধু একটি নয়, একাধিক দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষার চেষ্টা করা হয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই অবস্থান থেকে পুরোপুরি সরে এসেছে। এখন থেকে যে কোনো দেশের সঙ্গে পারস্পরিক ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখেই সম্পর্ক পরিচালনা করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, তিস্তা প্রকল্প বা ব্যারাজ নির্মাণের অর্থ এই নয় যে বাংলাদেশ নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা দাবি থেকে সরে আসছে। তিস্তা ও গঙ্গাসহ অভিন্ন ৫৩টি নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি নদী শাসন ও সুরক্ষার স্বার্থে দেশের অভ্যন্তরে ডাউনস্ট্রিম ব্যারাজ নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার-প্রচারণায় গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা, দুর্নীতি প্রতিরোধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) স্বাধীন কার্যক্রম এবং দ্রুত নতুন তথ্য কমিশন গঠনের অগ্রগতি নিয়েও সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন তথ্য উপদেষ্টা।
ব্রিফিংয়ে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ এবং মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব রিয়াসাত আল ওয়াসিফ উপস্থিত ছিলেন।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া ম্যাচ কখন, কোথায় দেখবেন সরাসরি
- বাংলাদেশ বনাম মালয়েশিয়া ম্যাচ: Live দেখুন এখানে
- না ফেরার দেশে চলে গেলেন জেমস
- আকিজ গ্রুপে চাকরি, আবেদন ৯ অক্টোবর পর্যন্ত
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন উপাচার্যকে প্রত্যাখ্যান শিক্ষার্থীদের
- ঢাবির শহীদুল্লাহ্ হলের শিক্ষার্থী মুরাদের আকস্মিক মৃ/ত্যু
- আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক লুৎফর রহমান
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৪ সেপ্টেম্বর)
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৫ সেপ্টেম্বর)
- বাস ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি
- ইবনে সিনা ট্রাস্টে মেডিকেল অফিসার নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৭ সেপ্টেম্বর)
- ডিসেম্বরে দেশে ফেরা নিয়ে নতুন ঘোষণা হাসিনার
- প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে দ্বিতীয় দফায় নিয়োগপত্র