ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩
‘ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা অপরাধের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থানের প্রমাণ’
নিজস্ব প্রতিবেদক: আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় আদালতের দেওয়া রায়ের পর সরকারের পক্ষ থেকে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, এমন মর্মান্তিক ঘটনার বিচার দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করতে রাষ্ট্র সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে এবং মাত্র ছয় কার্যদিবসে বিচারকাজ শেষ হওয়া দেশের বিচারব্যবস্থার ইতিহাসে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা।
রোববার (৭ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইনমন্ত্রী বলেন, রামিসার ওপর যে নির্মমতা চালানো হয়েছে, তা পুরো জাতিকে ব্যথিত করেছে। কোনো বিচারই একটি হারিয়ে যাওয়া জীবন ফিরিয়ে দিতে পারে না, তবে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা অপরাধের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থানের প্রমাণ।
তিনি জানান, সরকার শুরু থেকেই মামলাটিকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখেছে। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া দ্রুত বিচার সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করেছে। তদন্ত, অভিযোগ গঠন এবং সাক্ষ্যগ্রহণের প্রতিটি ধাপ দ্রুত সম্পন্ন হওয়ায় অল্প সময়ের মধ্যেই রায় ঘোষণা সম্ভব হয়েছে।
আইনমন্ত্রী বলেন, বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আসামিদের জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছিল। ফলে আত্মপক্ষ সমর্থনের পূর্ণ সুযোগ পেয়েই বিচার কার্যক্রম এগিয়েছে। এতে ন্যায়বিচার নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠার সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, বিচারিক ইতিহাসে এত কম সময়ে এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি মামলার নিষ্পত্তি খুবই বিরল। বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত হলেও আইনি মানদণ্ডের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি বলেও দাবি করেন তিনি।
রায়ের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, নিয়ম অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স দ্রুত হাইকোর্টে পাঠানো হবে। এরপর প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করে উচ্চ আদালতে শুনানির ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি বলেন, আলোচিত ও সংবেদনশীল মামলাগুলোর নিষ্পত্তি দ্রুত করতে বিচার বিভাগও আগ্রহী। রামিসা হত্যা মামলাসহ শিশু নির্যাতন ও হত্যার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মামলার কার্যক্রম অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
আইনমন্ত্রী অভিযোগ করেন, মামলার বিচার বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে আসামিপক্ষ বিভিন্ন কৌশল গ্রহণের চেষ্টা করেছিল। তবে আদালত ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যকর ভূমিকার কারণে বিচারপ্রক্রিয়া নির্ধারিত গতিতেই এগিয়েছে।
সমাজে এ ধরনের অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, শিশু ও নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে সরকার বদ্ধপরিকর।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, উচ্চ আদালতেও মামলাটির শুনানি দ্রুত সম্পন্ন হবে এবং আইনগত প্রক্রিয়া শেষ করে দোষীদের বিরুদ্ধে ঘোষিত শাস্তি কার্যকর করা সম্ভব হবে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা
- চলতি মাসে টানা চার দিনের ছুটির সুযোগ
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপানি ভাষা বিষয়ক `NAT-Test`সেবা চালুর লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১১ সেপ্টেম্বর)
- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে ৫৩৮ জন নিয়োগ, আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর
- মব হেনস্তার প্রতিবাদে ঢাবির ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাখ্যান তাহসিনের
- ছবিতে সাফল্য আর বাস্তবে সংগ্রাম, প্রবাস জীবনের অদেখা গল্প
- নটর ডেম কলেজের একাদশের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
- পে-স্কেলের গেজেট কেন প্রকাশ হচ্ছে না, জানা গেল রহস্যময় তথ্য
- এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল আজ, জানা যাবে ৩ উপায়ে
- দুই মন্ত্রীর দায়িত্ব বাড়াল সরকার
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১২ সেপ্টেম্বর)
- যে কারণে বিলম্ব হচ্ছে পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ