ঢাকা, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
উৎপাদন বন্ধ কোম্পানির শেয়ারদর বাড়ল ৪৭%
নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ থাকা সত্ত্বেও দেশের শেয়ারবাজারে রহস্যজনকভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ারের দাম। শুধু উৎপাদনই নয়, গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে কোম্পানিটির সব ধরনের আর্থিক হিসাব প্রকাশও বন্ধ রয়েছে। এমন চরম অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মাঝেও কোম্পানিটির শেয়ারদরে এই অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি খতিয়ে দেখতে তদন্তে নেমেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। তবে এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা গেছে, এই তদন্ত প্রক্রিয়ায় এমারেল্ড অয়েল কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের সহযোগিতা করছে না।
ডিএসইর বাজার চিত্র অনুযায়ী, চলতি বছরের গত ৪ মে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ছিল মাত্র ১৪ টাকা ১০ পয়সা। কিন্তু মাত্র এক মাসের ব্যবধানে, অর্থাৎ ২ জুন লেনদেন শেষে তা এক লাফে বেড়ে দাঁড়ায় ২০ টাকা ৭০ পয়সায়। এই স্বল্প সময়ে শেয়ারপ্রতি দর বেড়েছে ৬ টাকা ৬০ পয়সা বা প্রায় ৪৭ শতাংশ।
মন্দা কোম্পানির শেয়ারের এমন দর বৃদ্ধি চরম অস্বাভাবিক মনে করছে ডিএসই। এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা জানতে চেয়ে এমারেল্ড অয়েল কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা তলব করেছিল ডিএসই। কিন্তু রহস্যজনকভাবে কোম্পানিটির পক্ষ থেকে ডিএসইর সেই নোটিশের কোনো জবাব বা সাড়া দেওয়া হয়নি।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, গত কয়েক বছর ধরেই এমারেল্ড অয়েলের কারখানায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এর ওপর ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পর থেকে কোম্পানিটি তাদের কোনো ত্রৈমাসিক বা বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি। দীর্ঘ সময় ধরে আর্থিক হিসাব ধামাচাপা দিয়ে রাখায় কোম্পানির প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা সম্পূর্ণ অন্ধকারে রয়েছেন।
নিয়মিত আর্থিক হিসাব প্রকাশ না করার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে ডিভিডেন্ডেও। ২০২৩ সালের পর থেকে সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা এই কোম্পানি থেকে কোনো ধরনের ডিভিডেন্ড পাননি। কোম্পানিটি সর্বশেষ ২০২২-২৩ অর্থবছরের ব্যবসায় বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ (শেয়ারপ্রতি ১ টাকা) ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজের বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ৯১ কোটি ২৭ লাখ টাকা। বহুল আলোচিত এই কোম্পানির সিংহভাগ মালিকানাই রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে, যার পরিমাণ ৪৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। বাকি শেয়ারের মালিকানায় রয়েছেন কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকেরা।
এমজে/
শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
- ১১-২০ গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষায় নতুন মানবণ্টন
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৬ সেপ্টেম্বর)
- মেসির দুই সহায়তাতেও আটলান্টার সঙ্গে ড্র ইন্টার মিয়ামির
- ‘সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিলটি কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক’
- পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
- ফেল বিরোধীদলের ওয়াকআউট
- ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর ৩০ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ
- বক্তৃতায় দায় সারছে কমিশন, ধসের মুখে পড়েছে বাজার
- মেঘনা গ্রুপে বিভিন্ন পদে চাকরির সুযোগ
- সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা ডিজিটাল ঋণ চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক
- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের ভাইভার তারিখ প্রকাশ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৭ সেপ্টেম্বর)