ঢাকা, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
উৎপাদন বন্ধ কোম্পানির শেয়ারদর বাড়ল ৪৭%
নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ থাকা সত্ত্বেও দেশের শেয়ারবাজারে রহস্যজনকভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ারের দাম। শুধু উৎপাদনই নয়, গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে কোম্পানিটির সব ধরনের আর্থিক হিসাব প্রকাশও বন্ধ রয়েছে। এমন চরম অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মাঝেও কোম্পানিটির শেয়ারদরে এই অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি খতিয়ে দেখতে তদন্তে নেমেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। তবে এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা গেছে, এই তদন্ত প্রক্রিয়ায় এমারেল্ড অয়েল কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের সহযোগিতা করছে না।
ডিএসইর বাজার চিত্র অনুযায়ী, চলতি বছরের গত ৪ মে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ছিল মাত্র ১৪ টাকা ১০ পয়সা। কিন্তু মাত্র এক মাসের ব্যবধানে, অর্থাৎ ২ জুন লেনদেন শেষে তা এক লাফে বেড়ে দাঁড়ায় ২০ টাকা ৭০ পয়সায়। এই স্বল্প সময়ে শেয়ারপ্রতি দর বেড়েছে ৬ টাকা ৬০ পয়সা বা প্রায় ৪৭ শতাংশ।
মন্দা কোম্পানির শেয়ারের এমন দর বৃদ্ধি চরম অস্বাভাবিক মনে করছে ডিএসই। এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা জানতে চেয়ে এমারেল্ড অয়েল কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা তলব করেছিল ডিএসই। কিন্তু রহস্যজনকভাবে কোম্পানিটির পক্ষ থেকে ডিএসইর সেই নোটিশের কোনো জবাব বা সাড়া দেওয়া হয়নি।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, গত কয়েক বছর ধরেই এমারেল্ড অয়েলের কারখানায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এর ওপর ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পর থেকে কোম্পানিটি তাদের কোনো ত্রৈমাসিক বা বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি। দীর্ঘ সময় ধরে আর্থিক হিসাব ধামাচাপা দিয়ে রাখায় কোম্পানির প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা সম্পূর্ণ অন্ধকারে রয়েছেন।
নিয়মিত আর্থিক হিসাব প্রকাশ না করার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে ডিভিডেন্ডেও। ২০২৩ সালের পর থেকে সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা এই কোম্পানি থেকে কোনো ধরনের ডিভিডেন্ড পাননি। কোম্পানিটি সর্বশেষ ২০২২-২৩ অর্থবছরের ব্যবসায় বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ (শেয়ারপ্রতি ১ টাকা) ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজের বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ৯১ কোটি ২৭ লাখ টাকা। বহুল আলোচিত এই কোম্পানির সিংহভাগ মালিকানাই রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে, যার পরিমাণ ৪৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। বাকি শেয়ারের মালিকানায় রয়েছেন কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকেরা।
এমজে/
শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম ভারতের ফুটবল ম্যাচ: সরাসরি দেখুন (LIVE)
- ঢাবি অ্যালামনাই ইউকে শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
- আজ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে মাদ্রাসা শিক্ষকদের পদযাত্রা
- আজ রাত ৮ টায় ভারত বনাম বাংলাদেশের ফুটবল ম্যাচ, কোথায় ও যেভাবে দেখবেন?
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলেন ববি হাজ্জাজ
- ঢাবি ক্যাম্পাসে ববি হাজ্জাজকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
- ববি হাজ্জাজের বক্তব্যের বিরুদ্ধে মাঠে নামছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা
- ববি হাজ্জাজের বক্তব্যে ক্ষুব্ধ ঢাবি শিক্ষক, বললেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় নয়
- ফ্রান্সের উদ্দেশ্য দেশ ছাড়লেন ড. ইউনূস
- বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীসহ দেশবাসীকে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের ঈদের শুভেচ্ছা
- বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
- মাসিক ফি দিয়ে ব্যবহার করতে হবে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য ববি হাজ্জাজের
- টাইমস হায়ার ও কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে ঢাবির জয়জয়কার
- নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত বাড়তে পারে? আলোচনায় দুটি প্রস্তাব