ঢাকা, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া কিনবে ডেনমার্ক!
ডুয়া ডেস্ক : দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর ডেনমার্ক কেনার কথা জানিয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি ডেনমার্ক দখলের হুমকিও দিয়েছিলেন তিনি। এবার ডেনমার্কের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্য কেনার বিষয়ে একটি ব্যঙ্গাত্মক আবেদন প্রচার করা হচ্ছে। এই আবেদনে ইতিমধ্যে ২ লাখের বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছেন। আবেদনটিতে বলা হয়েছে, ‘আপনি কি কখনো মানচিত্রের দিকে তাকিয়ে ভেবেছেন, ডেনমার্কের আরও রোদ, তালগাছ আর রোলার স্কেটিং প্রয়োজন? আমাদের সামনে একবারের জন্য পাওয়া এক বিরল সুযোগ এসেছে—ক্যালিফোর্নিয়া কিনে নেওয়ার!’
আবেদনকারীরাও কৌতুক করে বলছেন, ‘চলুন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে ক্যালিফোর্নিয়া কিনে নিই! হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। ক্যালিফোর্নিয়া আমাদের হতে পারে, শুধু আপনাদের সহায়তা প্রয়োজন।’
আজ বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ডেনিশদের ব্যঙ্গাত্মক এই উদ্যোগ এসেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখল করে নেওয়ার ইচ্ছার প্রতিক্রিয়ায়। গ্রিনল্যান্ড একটি স্বায়ত্তশাসিত ডেনিশ অঞ্চল। ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলে নেওয়ার দাবিকে ডেনমার্কের পক্ষ থেকে বেশ জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল।
প্রতিক্রিয়ায় ক্যালিফোর্নিয়া কিনে নেওয়ার ব্যঙ্গাত্মক ডেনিশ আবেদনে বেশ কিছু লাভের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন, উন্নত আবহাওয়া, অ্যাভোকাডোর নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ এবং প্রযুক্তি খাতে আধিপত্য বিস্তার। এতে বলা হয়েছে, ‘অতিরিক্ত কিছু টেক ব্রো পাওয়া? সত্যিই চমৎকার! প্রতিটি গণতন্ত্রেরই তো এটি প্রয়োজন!’
ওই আবেদনে আরও বলা হয়েছে, ডেনমার্ক ক্যালিফোর্নিয়া কিনলে সেখানে কিছু নতুন সংস্কারও আনতে পারবে, যেমন: ডিজনিল্যান্ডের নাম পরিবর্তন করে রাখা হবে ‘হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসনল্যান্ড’ এবং মিকি মাউসের মাথায় থাকবে ভাইকিং হেলমেট।
জানানো হয়, ক্যালিফোর্নিয়া কেনার জন্য এখন প্রয়োজন শুধু এক ট্রিলিয়ন ডলার। কয়েক বিলিয়ন ডলার কম-বেশিও হতে পারে। তবে দাম নিয়ে মুলামুলি করতে হবে। এ জন্য দর-কষাকষিতে সেরা একদল বিশেষজ্ঞ পাঠানো হবে। এদের মধ্যে থাকবেন, লেগো কোম্পানির নির্বাহীরা এবং জনপ্রিয় ডেনিশ টিভি সিরিজ বরগেন-এর অভিনয়শিল্পীরা!
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে—ক্যালিফোর্নিয়াকে নতুন ডেনমার্ক হিসেবে গড়ে তোলা হবে। লস অ্যাঞ্জেলেসের নাম পরিবর্তন করে রাখা হবে ‘লুস আংহেলেস’। হলিউডে ডেনিশ ‘হুগ্গে’ সংস্কৃতির প্রবর্তন করা হবে। বেভারলি হিলসে সাইকেল লেন চালু করা হবে। এছাড়াও প্রতিটি রাস্তার কোণে থাকবে ডেনমার্কের ঐতিহ্যবাহী খাবার।
এছাড়া, এতে আরও বলা হয়েছে, ‘আইনের শাসন, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা এবং তথ্যভিত্তিক রাজনীতি চালু করা হতে পারে।’
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি ‘অপরিহার্য অঞ্চল’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যদিও গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের কর্মকর্তারা এই দাবিকে শক্তভাবে অস্বীকার করেছেন।
তবে, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিতর্ক ক্রমশ জোরদার হচ্ছে। বিশেষ করে দ্বীপটির স্বাধীনতা আন্দোলন ঘিরে। নতুন বছরের ভাষণে গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দ্বীপটি উপনিবেশবাদ থেকে মুক্তি পেতে চায়।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ১১-২০ গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষায় নতুন মানবণ্টন
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৪ সেপ্টেম্বর)
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৬ সেপ্টেম্বর)
- মেসির দুই সহায়তাতেও আটলান্টার সঙ্গে ড্র ইন্টার মিয়ামির
- ‘সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিলটি কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক’
- ফেল বিরোধীদলের ওয়াকআউট
- পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
- ‘ছয় মাসে জুলাই সনদের একটি অক্ষরও বাস্তবায়ন করেনি বিএনপি’
- ফের বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ল
- ঢাবিতে গ্রিন নেক্সাস কর্মসূচি সমাপ্ত
- মেসির ১০ নম্বর জার্সি কি অবসর নিতে পারবে?
- শুক্রবার ঢাকার যেসব মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ
- ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর ৩০ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ