ঢাকা, মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
জাতীয় নির্বাচনে ১০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক পাঠাবে আইআরআই
নিজস্ব প্রতিবেদক: যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) আসন্ন ফেব্রুয়ারির বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে কমপক্ষে ১০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক পাঠাবে।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আইআরআই-এর একটি প্রতিনিধি দলের বৈঠকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ খবর জানানো হয়েছে।
আইআরআই-এর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ক্রিস্টোফার জে ফুসনার বলেন, "ফেব্রুয়ারিতে আমরা শক্তিশালী নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ করবো। নির্বাচনী পর্যবেক্ষক মোতায়েন ভোটের সময় সহিংসতার সম্ভাবনা হ্রাস করতে সহায়তা করবে।"
বৈঠকে সেন্টার ফর এ নিউ আমেরিকান সিকিউরিটির (সিএনএএস) সিনিয়র ফেলো লিসা কার্টিস, আইআরআই-এর প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞ জেসিকা কিগান, আইআরআই-এর আবাসিক প্রোগ্রাম ডিরেক্টর স্টিভ সিমা এবং ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক ইনস্টিটিউটের (এনডিআই) প্রোগ্রাম ডিরেক্টর জেমি স্পাইকারম্যান উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচন-পূর্ব পরিবেশ মূল্যায়নের জন্য আইআরআই প্রতিনিধি দলটি বর্তমানে বাংলাদেশ সফর করছে এবং তারা সব প্রধান রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে। প্রতিনিধি দলটি তাদের পূর্ববর্তী নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ সম্পর্কে ধারণা ভাগ করে নেন এবং নির্বাচনী সংস্কার সম্পর্কিত প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তারা বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ফুসনার বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনের পরিবেশের প্রশংসা করে বলেন, "সব দলই নির্বাচন চায়। আগের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা একটি ইতিবাচক পরিবেশ দেখতে পাচ্ছি, যা সত্যিই ভালো লাগছে। আমরা আগের নির্বাচন এবং এই নির্বাচনের মধ্যে পার্থক্য বলতে পারি।"
প্রতিনিধি দলটি নির্বাচনকে আরও স্বচ্ছ করতে ছাত্র সংগঠনসহ সুশীল সমাজের স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করার গুরুত্ব তুলে ধরে। এছাড়া, নির্বাচনের সময় ভুয়া তথ্যের বিপদ নিয়েও আলোচনা করা হয়।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস ভুল তথ্যের গুরুতর সমস্যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, "গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হচ্ছে ভুল তথ্য। এটি সুপরিকল্পিত, সু-অর্থায়ন এবং তাত্ক্ষণিকভাবে উত্তেজনা তৈরি করে।" তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের পথে রয়েছে। দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা ২৭ বছরের কম বয়সী, যারা জীবনে প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন। আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে তারা সন্তুষ্ট।"
জুলাই সনদকে দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি অনন্য মাইলফলক উল্লেখ করে প্রফেসর ইউনূস বলেন, "সব রাজনৈতিক দল সংস্কারের প্রতি তাদের অঙ্গীকার দেখিয়েছে। এটি আমাদের নির্বাচনের আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, অন্যান্য দলও শিগগিরই সনদে সই করবে।
আইআরআই প্রতিনিধিরা অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন।
এসপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- পর্নো তারকা থেকে কলম্বিয়ার সিনেটর দেইসি
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রো-ভিসি হলেন অধ্যাপক ড. সালমা বেগম
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির সুযোগ, আবেদন ২০ আগস্ট পর্যন্ত
- ঢাবিতে ৩ শিক্ষক বরখাস্ত, ৪ জনের দায়িত্ব স্থগিত
- সিন্ডিকেট সভা ঘেরাও করলেন ডাকসু নেতারা
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৮ জুলাই)
- সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন দুই কর্মকর্তা
- চেয়ারম্যান-মেম্বার পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে যা জানা গেল
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২ আগস্ট)
- আজই নিষিদ্ধ হতে পারে ঢাবির নীল দল
- বিনামূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, মিলবে দৈনিক ২০০ টাকা ভাতা
- ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপে অস্ট্রেলিয়ার মারডক বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ
- ঢাবির সূর্যসেন হলে সমকামিতার অভিযোগে দুইজন আটক
- বিকাশে মিলবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া ভাতা
- জুলাই আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগ ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে: ঢাবি প্রো-ভিসি