ঢাকা, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
বলিউড এখনও সংগঠিত নয়: দীপিকা
বিনোদন ডেস্ক: মাতৃত্বকালীন সময়েও নিজের কর্মজীবনের ভারসাম্য রাখতে চাওয়ায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। কাজের সময়সীমা আট ঘণ্টায় সীমিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ‘স্পিরিট’ ও ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ (সিকুয়েল) ছবির প্রজেক্ট থেকে তাকে বাদ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই তাকে ‘অপেশাদার’ বলে কটাক্ষ করা হয়। তবে এতদিন নীরব থাকা দীপিকা এবার মুখ খুলেছেন এবং সরাসরি বলিউডের দ্বিচারিতা ও পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ‘পদ্মাবত’ খ্যাত এই অভিনেত্রী বলেন, একজন নারী হিসেবে কাজের সময় নির্ধারণ করলেই তাকে অপেশাদার বলা হয়। কিন্তু আমি আমার সিদ্ধান্ত থেকে একচুলও সরব না। আমি আট ঘণ্টাই কাজ করব—যে যা বলুক।
দীপিকার দাবি, বলিউডে পুরুষ অভিনেতাদের জন্য আলাদা মানদণ্ড তৈরি করা আছে। “অনেক পুরুষ তারকা আছেন যারা কখনও আট ঘণ্টার বেশি শুটিং করেন না, এমনকি সপ্তাহান্তেও কাজ করেন না। কিন্তু তাদের ক্ষেত্রে কেউ কিছু বলে না। অথচ একজন নারী একটু নিজের সময় চাইলে সেটাই সমালোচনার বিষয় হয়ে যায়, বলেন দীপিকা।
তিনি আরও বলেন, ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতকে আমরা ইন্ডাস্ট্রি বলি ঠিকই, কিন্তু বাস্তবে তা এখনো পুরোপুরি সংগঠিত নয়। আমি আগে কখনও এ নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলিনি, কারণ আমি নীরব থেকে লড়াই করতে পছন্দ করি।
কেএমএ
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ১ম টি-টোয়েন্টি-দেখুন সরাসরি (LIVE)
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা: দেখুন সবগুলো প্রশ্নের সঠিক সমাধান
- স্কুলছাত্রী থেকে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধার সাথে অন্তরঙ্গের পর ভিডিও কুয়েট ছাত্রের
- বিকালে আসছে ১৯ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- বুলগেরিয়ার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হলো ঢাবি শিক্ষার্থীর প্রামাণ্যচিত্র
- বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের সিনেট সদস্য হলেন ৫ সংসদ সদস্য
- বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১০০ ধাপ এগিয়েছে ঢাবি, যৌথভাবে দেশসেরা
- বদলে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম
- স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন
- এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে যা জানাল শিক্ষাবোর্ড
- ঢাবি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
- ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ বাসা থেকে উদ্ধার
- বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ভিসা স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রে
- মিমোর মৃ'ত্যু ঘিরে সর্বশেষ যা জানা গেল
- ‘সিলটি’ ভাষাকে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা করার দাবি