ঢাকা, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২
আসন্ন নির্বাচনে আইনের শাসন দেখাতে চান সিইসি
নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, “এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা দেখাতে চাই আইনের শাসন কী। আমাদের লক্ষ্য একটি স্বচ্ছ, সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করা। তাই প্রতিটি নির্বাচন কর্মকর্তা, বিশেষ করে প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার ও রিটার্নিং অফিসারকে সম্পূর্ণ ক্ষমতা দিয়ে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।”
শনিবার (১১ অক্টোবর) চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী কর্মশালায় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি ও কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সিইসি বলেন, “নির্বাচন প্রক্রিয়া জটিল, আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। কিন্তু আমরা অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা এবং তাদের অভিজ্ঞতা থেকে শিখে ঘাটতিগুলো পূরণ করার চেষ্টা করছি। আমাদের এখানে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয় এবং অনেক সময় ‘আকাজ’ বেশি থাকে, যা আমাদের কালচারের অংশে পরিণত হয়েছে। আমরা চাই, কর্মকর্তারা দেওয়া ক্ষমতার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করবেন, আর তা না হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।”
তিনি প্রিজাইডিং অফিসারদের উপর বিশেষ জোর দেন। বলেন, ভোটকেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারই হবে ‘চিফ ইলেকশন অফিসার’ এবং তার হাতে থাকবে ভোটকেন্দ্র পরিচালনার সম্পূর্ণ ক্ষমতা। প্রয়োজনে ভোট স্থগিত, আইন প্রয়োগ বা নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত তারই নিতে হবে। সিইসি মনে করিয়ে দেন, ক্ষমতার সঠিক ব্যবহার নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে।
নাসির উদ্দিন আরও জানান, নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ মডিউল তৈরি করেছে। এটি অংশগ্রহণকারীর শিক্ষাগত ও পেশাগত পটভূমি অনুযায়ী কাস্টমাইজড হবে, যাতে অভিজ্ঞতা না থাকা ব্যক্তিরাও দক্ষ হয়ে উঠতে পারে। প্রশিক্ষণে emphasis থাকবে প্রিজাইডিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসার ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে সক্ষমতা বৃদ্ধি, আইনের শাসন বজায় রাখা এবং ভোটকেন্দ্রে সঠিক সমন্বয় নিশ্চিত করা।
নির্বাচনের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, “বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো নিরাপত্তা। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং নির্বাচন কর্মকর্তাদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হয় না। এজন্য আমরা একটি সেন্ট্রাল কো-অর্ডিনেশন সেল এবং ইমার্জেন্সি রেসপন্স ইউনিট গঠন করেছি, যা দেশের যেকোনো স্থান থেকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ দেবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ডিজিটাল ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভুয়া তথ্য ও এআই-ভিত্তিক অপপ্রচারের মোকাবিলায় একটি বিশেষ সেল ইতোমধ্যে কাজ করছে। তবে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং তথ্য প্রচারের জন্য এখনো যথাযথ প্রচারের প্রয়োজন রয়েছে।
সিইসি আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ এবং কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা নির্বাচনে আইনের শাসনের বাস্তব প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে।
এমজে
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবিতে স্নাতক ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি, যারা আবেদন করতে পারবেন
- ঢাবি উপাচার্য পদের আলোচনায় দুই নারী শিক্ষক
- কে হচ্ছেন ঢাবির পরবর্তী উপাচার্য, আলোচনায় ৬ অধ্যাপকের নাম
- ফ্যামিলি কার্ডের জন্য যেভাবে আবেদন করবেন
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: সুপার এইটের দুই গ্রুপ ও পূর্ণাঙ্গ সূচি দেখুন এখানে
- সুপার এইটে পাকিস্তান বনাম ইংল্যান্ড, যেভাবে লাইভ দেখবেন
- সুন্নাহ মেনে সেহরি খাওয়ার সময় ও বিশেষ কিছু নিয়ম
- বিএসইসি'র বাঁধা, ডিভিডেন্ড দিতে পারছে না তালিকাভুক্ত কোম্পানি
- কাল থেকে বন্ধ সব স্কুল, রমজানে ছুটির নতুন প্রজ্ঞাপন
- দুর্ঘটনার কবলে মেসুত ওজিল ও বিলাল এরদোয়ানের গাড়িবহর
- হেটমায়ারের ঝড়ে কপাল পুড়ল জিম্বাবুয়ের, গড়ল রেকর্ড
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে রবি
- রমজানের প্রথম দিনেই ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ
- ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ
- চলছে বাংলাদেশ বনাম ভারতের জমজমাট ম্যাচ: খেলাটি সরাসরি দেখুন